আমিত আর কৃষ্ণ(Maa chele) - অধ্যায় ৪
মা তেমন কোন আপত্তি করেনি। কিন্তু বলল অনেক দেরি হয়ে গেছে চল গিয়ে খেতে হবে বলে জলে নেমে ডুব দিয়ে উঠে পড়ল আমিও অগত্যা মায়ের সাথে উঠে পড়লাম। খেয়ে দেয়ে উঠে আবার দোকান খুললাম। কিছুক্ষণ পড় মা ও দোকানে এল। টুকটাক বেচাকেনা করতে করতে রাত হয়ে গেল। সব সময় খদ্দের ছিল। রাত ৯ টা পর্যন্ত বেশ ভালই হল। সারে ৯ টা বাজতে মা বলল এবার বন্ধ করে আয় আমি গিয়ে খাবার করি বলে মা চলে গেল। আমি একটু ফাঁকা হতে কম্পিউটার চালালাম। নেট খুলে একটা রগরগে গল্প পড়তে লাগলাম। ১০ টা বেজে গেল, মা ভেতর থেকে ডাক দিল কিরে বন্ধ করিস্নি এখনও। আমি এই তো হয়ে গেছে আসছি। এর মধ্যে খদ্দের এল আরও একটু সময় লাগলো। এর মধ্যে মা চলে এসেছে। মায়ের সামনে দুজনে ভিগোরা চাইল আমি দিলাম, আবার আরও দুইজন এল তারাও ভিগোরা নিল সাথে ব্রেস্ট অইল নিল। মা চুপচাপ বসে ছিল, আমি খদ্দের দেড় একটু বুঝিয়ে দিলাম কি করে কখন খেতে হবে তবে ভালো কাজ হবে। বললাম কাজ করার এক ঘণ্টা আগে খেতে হবে আর মহিলাদের ক্ষেত্রে তেল দিয়ে ভালো করে মালিস করতে হবে নরম হাতে প্রায় এক ঘণ্টা তবেই বড় হবে। বন্ধ করতে ১১ টা বেজে গেল। আমি ও মা ঘরে গেলাম ও খেয়ে নিলাম। একটু টিভি চালালাম, মা পাশে এসে বসল এবং বলল তুই তো পাকা দোকানদার হয়ে গেছিস।
আমি – কই কিসের পাকা হলাম।
মা- না যেভাবে ওদের বুঝিয়ে দিলি তাই বললাম।
আমি- কি বুঝিয়ে দিলাম
মা – ওই যে ভিগোরার ব্যাপারে কি সুন্দর বুঝিয়ে দিলি।
আমি – ওটা তো আমি বাবার কাছ থেকে শুনেছি।
মা- তোর বাবা এভাবে বলত?
আমি- হ্যাঁ না হলে আমি জানব কি করে।
মা- না আমি ভাবলাম তোর আবার অভিজ্ঞতা আছে নাকি।
আমি- কি যে বল আমার কি করে অভিজ্ঞতা হবে, বাবা তো কিছু শিখিয়েছে তুমি তো কিছু সেখাওনি। তুমি সেখালে আরও অভিজ্ঞতা হত।
মা- আমি আবার কি শেখাবো, আমি কিছু জানি নাকি।
আমি- জান অনেককিছু কিন্তু আমাকে সেখাবেনা তাই।
মা- সত্যি বলছি আমি কিচু জানিনা রে।
আমি- কেন মহিলাদের ব্যাপারে তুমি কি কিছুই জান না।
মা- নারে সত্যি বলছি এখন তো তোর কাছ থেকে শিখতে হবে দেখছি।
আমি- কেন তোমায় কি বাবা কিছুই দেয়নি।
মা- না রে সত্যি বলছি কোন দিন কিছুই ব্যবহার করতে বলেনি।
আমি- ও তাই বুঝি তবে ?
মা- তবে আবার কি বল।
আমি- না মানে এম্নিতেই তোমার সব।
মা- তাঁর মানে কি বলতে চাইছিস খুলে বল।
আমি- না মানে তোমার গুলো তো বেশ বড় বড় তাই ভাবলাম হয়ত বাবা কিছু ব্যবহার করতে দিয়েছিল।
মা- না রে সত্যি বলছি আমি কিছুই ব্যবহার করিনি
আমি- ও তাই বুঝি, আমার ধারনা তাহলে ভুল।
মা- তবে আর কি, আচ্ছা তুই এত দেরি করলি কেন দোকান বন্ধ করতে ৯ টা র পড়ে তো খদ্দের ছিলোনা। কি করছিলি।
আমি- কিছুনা এত আগে বন্ধ করে কি করবো তাই বসেছিলাম তাতে তো ভালই হল অনেক বেচাকেনা করে ফেললাম।
মা- সে ঠিক আছে কিন্তু তুই আরও কিছু করছিলি সেটা তো বলছিস না।
আমি- না আর কিছু করিনাই।
মা- আমাকে মিথ্যে বলছিস, তুই কম্পিউটার ছালাস নি।
আমি- হ্যাঁ সে চালিয়েছিলাম তাতে কি।
মা – আমি সেটাই জানতে চাইছি কি করছিলি?
আমি- ওই একটু নেট ঘেঁটে দেখছিলাম।
মা- সেটা কি
আমি- সত্যি বলবো ওই গল্প দেখছিলাম।
মা- একই রকম গল্প তাই না।
আমি- হ্যাঁ
মা- একদিন বারন করেছি তারপরও তুই আবার
আমি- ভুল হয়ে গেছে মা, বাদ দাও আর দেখবনা।
মা- ঠিক আছে ঠিক আছে অনেক রাত হল ঘুমাবিনা।
আমি- হ্যাঁ কিন্তু ঘুম আসছেনা আরেক্তু দেখি টিভি তারপর ঘুমাতে যাবো।
মা- তোর বাবা নেই অনেকদিন হয়ে গেল, লোকটা আমাকে এভাবে ফেলে চলে গেল ভাবতেই পারিনা।
আমি- মা তুমি বাবার কথা ভেবে একদম মন খারাপ করবে না। এতে তো বাবা আর ফিরে আসবেনা সত্যি টা মানতে হবেই।
মা- সব বুঝি কিন্তু মনকে বোঝাতে পারিনা তাই রে আমাকে নিয়ে যেতে পারত।
আমি- মা তুমি অমন কথা বলবে না, তুমি না থাকলে আমি বাঁচব কি করে? তুমিই আমার সব।
মা- সারাদিন যা হোক রাতে আমি ঠিক থাকতে পারিনা একা একা ভয় করে।
আমি- ঠিক আছে আজ থেকে তুমি ও আমি এক ঘরে ঘুমাব।
মা – সত্যি বলছিস তো
আমি- হ্যাঁ আমি তোমার সাথে ঘুমাব
--> তোমাকে আর একা থাকতে হবেনা, আমরা মা ও ছেলে একসাথে ঘুমাব।
মা- বাঁচালি আমাকে, আমি একা একা একদম ঘুমাতে পারছিলাম না।
আমি- আর চিন্তা করতে হবেনা আমি আজ থেকে তোমার সাথে ঘুমাব, কি এবার খুশি তো।
মা- হ্যাঁ তা খুশি বটে ....... কিন্তু
আমি- কিন্তু কি আবার কোন সমস্যা আছে নাকি।
মা- তা না তোর আমার সাথে ঘুমাতে ভালো লাগবে তো।
আমি- উঠে মা কে জরিয়ে ধরে বললাম আমি তোমার ছেলে মায়ের সাথে ঘুমাতে কোন ছেলের না ভালো লাগে বলতো। তুমি এমন করছ না যেন আমি অন্য কেউ।
মা- তা এবার উঠবি যাবি ঘুমাতে না কি আরও টিভি দেখবি। আমাকে ছাড় এবার।
আমি- মা গল্প করতে তো ভালই লাগছে বস না আরেক্তু।
মা- কি আর গল্প করবো “গল্প” নিয়ে কি আর গল্প করা যায়।
আমি- কেন করা যাবেনা আর তো কেউ নেই আমরা দুজন ইসছছা থাকলেই করা যায়।
মা- ওই সব গল্প পড়া ঠিক না ওতে মন ঠিক থাকেনা বুঝলি।
আমি- মা সত্যি বলবো আমার কিন্তু খারাপ লাগেনা বরং ভালই লাগে। নতুন নতুন বেশ মজা আছে।
মা- হুম সে তো দেখেছি এক মনে পড়ছিলি ভালো না লাগলে কেউ ওই ভাবে মনোযোগ দিয়ে কি কেউ পড়ে।