বীর্যপুরাণ - অধ্যায় ২

🔗 Original Chapter Link: https://xforum.live/threads/বীর্যপুরাণ.32798/post-2423285

🕰️ Posted on Wed Jan 06 2021 by ✍️ Sknight (Profile)

🏷️ Tags:
📖 665 words / 3 min read

Parent
তারুণ্যের ডাক ২. ফ্যামিলি অ্যালবাম খুলে পুরাতন ছবি দেখতে দেখতে আগুনের মনে পরে, দিদামনি চেয়েছিলো তার বাবা যেন ব্যাপারটা ভুলে যায়, ঘর সংসার করে। মানুষেরই নাকি ভুল হয়, অপাত্রে প্রেম দেয় তারা। বাবা রাজি হননি। রাতুল চাচাও আর তেমন যোগাযোগ রাখেননি কারোর সাথেই। চলে যান বিদেশ। তার মা কোথায় এখন জানে না রাতুল। ”আগুন, এই অমানিশা! খেতে আয়!” মা ডাকে। হ্যাঁ, মা। আগুনের নতুন মা। সেই পাঁচ বছর বয়স থেকে আগুনকে পরম আদরে বড় করেছে মায়া। মায়ার সবই ভালো, দেখতেও খুব সুন্দরী, কিন্তু আগুনের সাথে অমানিশার কি সম্পর্ক বুঝতে পারে না সে। বাবা বিদেশে আছেন বহুদিন। বছরে এক-দু’বার আসেন। মায়ার ফুটফুটে একটি সন্তান আছে, আগুনের ছোট বোন। এই তিনজনে মিলে কেটে যায় তাদের দিন। খেতে বসে আগুন মায়ার দিকে তাকায়। ওর শরীরে ইদানীং একটা পরিবর্তন আসছে। নারী শরীরের প্রতি একটা কৌতুহল কাজ করে ওর প্রায়ই। তলপেটে শিরশিরে অনুভূতি হয়। মায়ার দিকে ও থেকে থেকে তাকায়। নীল ফিনফিনে সুন্দর শাড়ি পরেছে মায়া। কোমরের কাছটা ‍উন্মুক্ত। ফর্সা, মাংসল কোমর। হালকা মেদের প্রলেপ সৌন্দর্যকে বাড়িয়ে দিয়েছে বহুগুণ। আগুন চোখ ফিরিয়ে নেয়। মায়া তেমন লক্ষ করে না ওকে। আনমনে কি যেন ভাবছে সে। খাবার শেষ করে আগুন নিজের ঘরে চলে আসে। দক্ষিণের জানালার পাশে চমৎকার ঘর। বই,ম্যাগাজিনে ঠাসা। কম্পিউটার, সায়েন্স কিট, টেলিস্কোপ ইত্যাদি থাকায় তার বয়সী ছেলেমেয়েদের প্রিয় একটা ঘর এটা। বন্ধুরা এলে মুগ্ধ হয়ে যায়। বিছানায় শুয়ে পরে ও। মাথায় ঘুরে ফিরে চিন্তা গুলো আসছে। আকর্ষণ, কৌতুহল, সব নতুন ভাবে অনুভব করছে ও। কোনটা স্বাভাবিক, কোনটা অস্বাভাবিক তা বাছ-বিচার না করে চিন্তার ঠান্ডা মেঘে নিজের মনকে ভেসে বেড়াতে দিলো ও। মনে পড়লো, আরো ছোট ছিলো যখন, তখনও নারীর শরীরের প্রতি আলাদা রকম আকর্ষণ অনুভব করেছে ও। বুদ্ধিমান ছিলো, বুঝতে পারতো ছেলেদের এমনটা হয়। পাশের বাসাতে গিয়েছিলো একবার। আন্টি শাওয়ার শেষে টাওয়েল পরেই ওর কাছে এসে ওর গাল টেনে একটা চুমু দিয়েছিলো। ওর মনে পরে মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে ছিলো ও, তার সুন্দর শরীরের দিকে। আন্টি আর মায়া দু’জনেই খেয়াল করে সেটা। হেসে আন্টি ওকে জড়িয়ে ধরে মায়াকে বলে, “আমাদের দু’জনকে কেমন লাগছে মায়া?” মায়া চোখ পাকিয়ে কপট রাগ দেখিয়ে বলে, “এই চামেলী! আমার ছেলের সাথে এসব চলবে না।” আন্টি খিলখিল করে হেসে বলে, “ওর বয়স হোক, ঠিক তোমার থেকে ছিনিয়ে নেবো!” সেই চামেলী এখন তাদের উপরের ফ্লোরে থাকে। কেমন লাগে তাকে টাওয়েলে এখন? সেই সুগন্ধ, উন্নত বুক… আগুনের আরও মনে পড়ে, ওদের এক কালের কাজের মেয়ের কথা। গ্রাম থেকে আসা কিশোরী ছিলো। বয়স ঊনিশ কি বিশ ও বলতে পারে না। বাচ্চা হওয়ার পরে বেশ কিছুদিন মায়ার প্রচুর রেস্ট দরকার হয়েছিলো। তাই কাজ কর্মের জন্য আলাদা মানুষের থাকা। ময়না নামের মেয়েটাতে তাই রাখা হয়েছিলো। আগুনের মনে পড়ে, ওকে গোসল করানোর দায়িত্ব দিয়েছিলো মায়া ময়নাকে। জামা প্যান্ট খুলে আগুনের পেনিসটা নিয়ে ময়না খেলতো, এটা সেটা বাহানায় বা মজা করে ধরতো ওর পেনিস। গোসল করানোর সময় শাওয়ার ছেড়ে দিয়ে পানির নিচে ও-ও চলে আসতো। বা টাবের ভেতর একসাথে নামতো। আগুনকে চুমো খেতো ঠোঁট-মুখ খাবলে। আগুন ভিন্ন কিছু একটা অনুভব করলেও ব্যাপারটা কাউকে জানাতো না। অতটুকু বুঝ হয়নি। মাঝে মাঝে ময়না ওকে নগ্ন করে টাবে বসিয়ে, নিজেও ভেতরে বসে নিজের জামা খুলে ফেলতো। নিজের নগ্ন স্তনে আগুনের মুখ লাগিয়ে চুষতে বলতো, বলতো এটা বাবু বাবু খেলা। মুঠ করে ধরতো আগুনের পেনিস। চুমো খেতো ওকে একটু পর পর। একবার আগুন দুপুরে ঘুমিয়ে আছে ঘরে। বাসায় ময়না ছাড়া কেউ ছিলো না। ও এসে আগুনের মুখের কাছে নিজের মুখ নিয়ে আসতেই আগুন জেগে যায়। ”ময়নাদিদি, কি করবে?” আগুন ঘুম ঘুম চোখে জিজ্ঞাসা করে। ”খেলবে, ভাইয়া?” ময়না বলে। কিশোরী বয়সের হরমোন ওকে পাগল করে ফেলেছ। আগুন ঘুম ঘুম চোখে বলে, “এখন?” ময়না কিছুর অপেক্ষা করে না। ‍নিজের কামিজ টা ওপরে তোলে, ওর কোমর আর পেট নগ্ন হয়ে যায়। আগুনের হাফপ্যান্টটা নিচে নামিয়ে পেনিসটা বের করে। তার পর আগুনের ওপর শুয়ে নিজের পেট দিয়ে ঘষতে থাকে ওর পেনিসে। আগুনের কেমন শিরশিরে অনুভূতি হয়। কিন্তু ঠিক কেমন সেটা বুঝতে পারেনা। ও ময়নার নিচে পড়ে থাকে চুপচাপ। ময়না ঘেমে ওঠে। ওর ভেতরে যে বাষ্প জমা হয়েছে তা হঠাৎ যেন ফেটে পড়তে চায়। কেঁপে কেঁপে ওঠে সে। অর্গাজম হয় তার। দরজাটাও এমন সময় খুলে যায়। “হারামজাদী! আমার বাচ্চাটাকে মারলো!!” আগুনের বাবা তেড়ে এসে ওকে চড় মারে। এর পর বিদেয় করে দেয়া হয় ময়নাকে। এসব ভাবনা হতে থাকে, আর সেই শিরশিরে অনুভূতিটা।
Parent