বীর্যপুরাণ - অধ্যায় ৪

🔗 Original Chapter Link: https://xforum.live/threads/বীর্যপুরাণ.32798/post-2423308

🕰️ Posted on Wed Jan 06 2021 by ✍️ Sknight (Profile)

🏷️ Tags:
📖 597 words / 3 min read

Parent
পার্টনার ইন ক্রাইম ৪. কলিকে বলা যায় আগুনের পার্টনার ইন ক্রাইম। দুরন্ত আর সাহসী হলেও, একটু অড কাজ কর্মে যেমন বন্ধুর সাইকেল পানিতে ফেলে দেয়া ইত্যাদি ধরণের কাজ ও করে না। কিন্তু কলি সর্বেসর্বা। আগুনের চেয়ে বছর ছয়েক বড় ও। কিন্তু দুজনের বন্ধুত্ব খুব গভীর। প্রায় সব কথাই কলির সাথে শেয়ার করতে পারে আগুন, এতটাই ফ্রী। পড়ন্ত দুপুরে আগুনকে আসতে দেখেই কলি একটা গাছের আড়ালে লুকোলো। কাছাকাছি আসতেই ঢিল ছুঁড়ে মারলো আগুনের গায়ে। ”কলি! কোথায় তুমি?” আগুন ডাক দিলো। পেছন থেকে ওর দুচোখে হাতচাপা দিলো কলি। তারপর নিতম্বে হালকা চাপড় মারলো। ”কি রে তোর বাচ্চাটা কেমন আছে রে?” পেছন থেকে শোনা গেলো। দু’জনেই ঘুরে দেখলো কলির এক বান্ধবী। আগুনের বয়স কলির চেয়ে অনেক কম বলে খেপায় কলির বন্ধুরা এভাবে। কলি আগুনের গলার চার পাশে হাত জড়িয়ে ওকে বগলের নিচে চেপে ধরে বলে, “হ্যাঁ আমার বাচ্চা, তোর কি? যা ভাগ!” মুখ টিপে হাসতে হাসতে বিদায় নেয় বান্ধবী। কলি সেভাবেই টেনে আনতে থাকে আগুনকে। আগুন বিরক্ত হয়, “আহ কি করছো? ছাড়ো!” বলতে বলতে সেই শিরশিরে অনুভূতিটা আসে আগুনের। কলির শক্ত শক্ত স্তনের হালকা চাপ অনুভব করে সে কান আর গালের কাছটায়। ঝুঁকে থাকায় নিজের ব্যালেন্স রাখতে সে কলির কোমরে হাত রাখে। কলি আগুনকে ঢোকায় ওদের বাসা থেকে সামান্য দূরে একটা পরিত্যক্ত স্টোররুমে। এটা কলির আস্তানা বলা যায়। একটু জায়গা পরিষ্কার করে চৌকি পাতা। দিনের বেলা এখানে ও পড়াশোনা করে, সময় কাটায়, আর আগুন বা অন্য বন্ধু আসলে এখানে তাদের আড্ডা জমে। আগুনকে ছেড়ে দিতেই আগুন সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে ওর ঘাড় ডলতে থাকে। “কি মোষের মত শক্তি তোমার!” কলি লক্ষ করে আগুনের প্যান্টের সামনেটা অল্প ফুলে উঠেছে। বুঝে ফেলে কি ঘটনা কি ঘটেছে। আগুন কলির নজর লক্ষ করে তাকিয়ে দেখে আসলেই সমস্যা! ও একটু নড়ে চড়ে একটা চেয়ারে গিয়ে বসে। “কি করো আজকাল ‍তুমি? অনেকদিন পর দেখা।” কলি সেকথার জবাব দেয় না। আগুনের কাঁধে হাত রেখে প্রচন্ড উৎসাহী হয়ে বলে, “আগুন! অ্যাই ছেলে! শেষ মেষ বড় হলি?” আগুন ওর হাত সরিয়ে দিয়ে বলে, “যাহ! কি বলছো!” কলি ওর সামনে চৌকিতে বসে বলে, “উঁহু, হয়েছে তোর? কদ্দিন হলো রে?” আগুন অবাক হয়, “কি হবে আবার?” বুঝতে পারে ব্যাপারটা কোনদিকে গড়াচ্ছে। কলিটার কোনদিন লজ্জা শরম ছিলো না। ”ওই যে!”, বলে কলি চোখ বাঁকা করে ইশারা করে। ”কি যে?” আগুন বিরক্ত হয়। “ফালতু কথা রাখো, লুডু খেলবে? না দাবা?” ”অ্যাই! কথা ঘোরাবি না! বল্ না!” কলি বলে। ”পরিষ্কার করে বলো কি জানতে চাচ্ছো!” আগুন ভালো রকম বিব্রত হয়। কলি সোজা সাপটা বলে ওঠে এবার, “প্যান্ট ভিজে গিয়েছিলো কবে প্রথম?” চোখ টিপ দিয়ে আবার বলে, “ঘুমের মধ্যে?” আগুন এবার ভয়ানক বিব্রত হয়। কলি বুঝতে পেরে তারাতারি বলে, “আরে বোকা এটা স্বাভাবিক।” ”মানে?” আগুন বুঝতে পারে না কি বলবে। “আমি জানি ছোটবেলায় মানুষ বিছানা ভেজায়, কিন্তু বড় হয়ে..” ”গাধা!” কলি ধমক দেয়। ”এটা ওই ভেজা না, এটা বড়দেরই হয়, মানে বড় ছেলেমানুষের।” আগুন বলে ওঠে, “কিহ? না না! বাবারও এমন হবে নাকি তাহলে?” কলির বলার ইচ্ছা হয়, “তবে রে গাধা তোর জন্ম কি এমনি হলো নাকি!” কিন্তু তা বলে না। থাক না কিছুদিন হাঁদা হয়ে ছেলেটা! সে বলে, “তুই কিচ্ছু ভাবিস না, বড় হলে বুঝবি।” কিছুক্ষণ গল্প আর পুরাতন গেইম কনসোলে একসাথে কিছু গেইম খেলে তারা। তারপর আগুন বিদায় নেয়। কলি তাকিয়ে থাকে তার যাওয়ার পথের দিকে। বড় হয়ে যাচ্ছে ছেলেটা, এরপর কি আর বন্ধু থাকতে চাইবে তার সাথে? মেয়েবন্ধু থাকবে ওর, চোখ খুলবে। বয়সে এত বড় একজনের সাথে কেনোই বা আর ঘোরাঘুরি করে সবার হাসির পাত্র হবে। কলি হঠাৎ আগুনকে ডাকে। আগুন থেমে ঘুরে দাঁড়ায়। কলি গিয়ে তাকে জড়িয়ে ধরে। আলতো করে হাত রাখে পিঠে প্রথমে। তার পর শক্ত করে। কলির স্তন দুটো ভয়ানক ভাবে অনুভব করে আগুন নিজের বুকে। আগুন কি করবে ভেবে পায় না। ও-ও কলির পিঠে দুহাত ভাঁজ করে রাখে। “ভালো থাকিস, আগুন”, বলে কলি এক দৌড়ে ওর বাসায় চলে যায়।
Parent