বন্ধু যখন মায়ের নাগর - অধ্যায় ৬
খাবার খাওয়ার সময় পিকুর মা আমার মা কে বললো তা নুরজাহান আমার ছেলে যে কুমার তা কি তুমি আগেই জানতে। মা মাথা নিচু করে বললো জ্বী মা আমি আগেই জানতাম।আপনার ছেলে আমার ছেলের সাথে যখন প্রথম আমাদের বাসায় যায় সেদিনই জেনেছি।পিকুর মা বাহ তাহলে তো তুমি খুব ভেবে চিন্তেই আমার ছেলের গলায় ঝুলেছো।আচ্ছা তোমরা বিয়েটা কবে করতে চাও।মা তখন বললো সেটা আপনারা আমার স্বামী আর ছেলের সাথে আলাপ করে সিদ্ধান্ত নিন।পিকুর মা আমার বাবা কে বললো তাহলে আপনাদের যেটা বললাম সেটাই হোক। আপনি বাংলাদেশে গিয়ে সবার সাথে আলোচনা করে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শুরু করে দিন। আমরা ভালো লগ্ন দেখে নুরজাহান কে আমাদের ঘরের বৌ কে উঠিয়ে আনবো।
খাওয়া শেষে পিকুর মা বললো রত্না তুমি নুরজাহান কে সাথে নিয়ে বাড়িটা ঘুরে দেখাও। রত্না ঠিক আছে ছোটমা। রত্না কাকিমা পিকু কে বললো ঠাকুরপো তুমিও আসো সাথে। পিকু তখন আমাকেও সাথে নিয়ে এলো।
পিকুর বৌদি পিকুর পিছনে গুতো দিয়ে বললো
- হুম ঠাকুরপো ভালোই মাল পটিয়ে নিয়েছো দেখছি।
-দেখতে হবে না কার দেওর।
- এক ছেলের মা হলেও কচি ডবকা মাল, খেয়ে মজা পাবে।
আমি সব শুনতে পেলাম। হয়তো মা ও শুনতে পেল।
আমরা বেশীক্ষণ থাকবো না তাই মা কে বাসা ঘুড়িয়ে ঘুড়িয়ে দেখাতে দেখাতে গল্প করতে লাগল।
রত্না কাকিমা- কি মা বাসা পছন্দ হয়?
মা- জী বৌদি
রত্না কাকিমা - বাড়ি পছন্দ,তো আমাদের পিকুকে পছন্দ তো?
মা - লজ্জা পেয়ে
রত্না কাকিমা - আমাদের পিকু কে কি তুমি সত্যি ভালোবাসো
মা- জী বৌদি
রত্না কাকিমা - পিকু কে বিয়ে করে এই ঘরে থাকতে হবে ,দেখে নাও। একটা ঘর দেখিয়ে।
মা নিজের হবু সামির ঘর দেখছে।
রত্না কাকিমা - ফিস ফিস করে কি
পিকুকে নিয়ে এই ভেবে ঘুমোতে হবে।
মা - লজ্জায় লাল হয়ে যায়।
রত্না কাকিমা - মায়ের সাথে দুষ্টুমি করতে লাগলো আর বলতে লাগলো এই খাটে ফেলেই কয়দিন পর তোমাকে স্বর্গ সুখ দিবে আমার দেওড়।
মা - লজ্জা পেয়ে মুচকি হাসতে লাগলো আর বলতে লাগলো ছি বৌদি আপনার কোনো সরম নাই আমার ছেলের সামনেই কি সব বলছেন।
রত্না কাকিমা - আরে তোমার ছেলের ও তো জানতে হবে তার মুসলিম মা কে তার হিন্দু বন্ধু বিয়ে করে কোন ঘরে নিয়ে পাল দিবে।এটা বলেই পিকু আর রত্না কাকিমা হো হো করে হাসতে লাগলো।
বিকেলে গড়িয়ে সন্ধ্যা প্রায়
পিকুর পরিবারের সবাই আমাদের বিদায় দিলো।পিকুর মা আমার মা কে আমার বাবার হাতে তুলে দিয়ে বললো আমার বাড়ির সম্মান আপনার কাছে আমানত পাঠালাম। যেভাবে বলেছি সেভাবে সব করুন গিয়ে।
আমরা পিকুদের বাড়ি থেকে বিদায় নিলাম।ষ্টেশনে গিয়ে সোজা বাংলাদেশের উদ্দেশ্য রওনা করলাম।