চাকরী নিয়োগ পেয়ে - অধ্যায় ৫০
খেয়ে তিনজনেই ঘরে এলাম।
রীতা: আন্টি বীচে চলো।
মা: হ্যাঁ, আবার ল্যাংটো হ। তবে তো যাবি।
রীতা: তুমি না আন্টি।
আবার সবাই বীচে যাবার জন্য রেডী হলাম।
মা: বাবু
আমি: হ্যাঁ।
মা আমাকে ইশারা করল আমি ঘরের বাইরে দাঁড়ালাম।
বাইরে থেকেও সব কিছুই শোনা গেল।
মা: রীতা
রীতা: হ্যাঁ আন্টি।
মা: দেখ, আমি অত ঘুরিয়ে কথা বলতে পারি না। সোজা প্রশ্ন করব। সোজা উত্তর দিবি।
রীতা একটু ঘাবড়েই গেল।
রীতা: আমি কি কিছু ভুল করেছি আন্টি। আমার মা নেই আমি অনেক কিছুই জানি না। যদি কিছু
মা: কে বলল তোর মা নেই?
রীতা অবাক।
মা: আমার ছেলেকে বিয়ে করবি? আমার কাছে থাকবি?
রীতা যেন মার প্রস্তাব বিশ্বাস করতে পারছে না।
মা: অনি, ভিতরে আয়।
আমি এসে মার পাশে দাঁড়ালাম।
মা: কিরে বল?
রীতা বলতে পারল না। এসে মাকে জড়িয়ে ধরে হাউ হাউ করে কেঁদে ফেলল।
মা রীতার মাথায় হাত বুলিয়ে।
মা: কি হল। কাঁদছিস কেন?
রীতা: আমি এরকম অসভ্যের মত সবার সামনে জামাকাপড় না পরে ঘুরছি। তোমার ছেলে তো জুয়েল।
মা: আমি তো এই অসভ্য মেয়েটাকেই চাই। সারাদিন তোকে আমার কাছে ল্যাংটো করেই রাখব তো। বাবু
আমি: হ্যাঁ।
মা: কি রে আমার পছন্দ ঠিক আছে? আমার জুয়েলের সাথে আমি এই অসভ্য, ল্যাংটো মেয়েটার বিয়ে দেবো। চলবে।
আমি হেসে মার কাঁধে থুতনিটা রাখলাম।