চাকরী নিয়োগ পেয়ে - অধ্যায় ৮
কিন্তু কিছু করার নেই। স্নান করে ফ্রেস হয়ে ঘরে দাঁড়িয়ে আছি। শুধু তোয়ালে পরে।
রীতা: অনিত, হয়েছে। স্ন্যাকস রেডি।
যা থাকে কপালে। তোয়ালে খূলে ল্যাংটো হয়ে নিজেকে আয়নায় দেখলাম। আস্তে আস্তে গিয়ে ঘরের বাইরে দাঁড়ালাম। আমাকে দেখে দূজনে একসাথে বলে উঠল।
হাই হ্যান্ডসাম।
রীতা এসে আমার হাত ধরে নিয়ে গেল সোফা তে। ল্যাংটো হয়ে দুজন পোশাক পরিহিত মেয়ের মাঝখানে বসলাম। বুঝলাম যে আমাকে কিভাবে ইন্সাল্ট করবে নিশ্চয় ওরা ঠিক করে নিয়েছে।
সুমনা: অনিত, এত সঙ্কোচের দরকার নেই। আমরা বন্ধু।
মনে মনে ভাবলাম যে মুখে অনেক কথাই বলছ। বাস্তবে ইন্সাল্ট ই করবে। মনে মনে ভাবছি কেউ এলে কি হবে? এদের তো বন্ধু বান্ধব আছে। তারা এলে? এ ট্রেন্ড তো সবাই জানে।
রীতা: কি হল অনিত। ফিল ফ্রি। মটন কাটলেট। খাও।
এইভাবে ল্যাংটো হয়ে বসে খাওয়া। যা হোক নিলাম। দেখলাম ওরা অনেকটাই ক্যাজুয়াল।
কিন্তু অবাক হওয়ার বাকি ছিল।
একটা ফোন এল সুমনার মোবাইলে।
রীতা: কার ফোন?
সুমনা ফোনটা হায়ে নিয়ে দেখল।
সুমনা: প্রিয়া।
রীতা: প্রিয়া প্যাটেল?
সুমনা: হ্যাঁ ।
রীতা: সুমনা, লেট হার রিং এগেন। শোন
সুমনা: কি?
রীতা: ও শুনেছে যে নতুন কেউ আমাদের ফ্ল্যাটে আসবে। অনিত কে জানে না বাট কোন ছেলে আসবে ও জানে।
সুমনা: তো।
রীতা: ও যেমন নিজের ফ্ল্যাটের রনি কে ইন্সাল্ট করায়। ও চায় সিবাই তাই করুক।
আমি মনে মনে খানিকটা ভয় ই পেলাম। সর্বনাশ।
রীতা: শো সুমনা। বি কেয়ারফুল।
একটূ বাদে আবার ফোন।
সুমনা: হ্যালো প্রিয়া
***********
সুমনা: হ্যাঁ আসবে। দেখি কখন আসে।
********************
সুমনা: তুই আসবি? কেন?
*********************
সুমনা: প্রিয়া, আমি আর রীতা দুজনেই খানিকটা বিজি। তুই পরে ফোন করিস। হ্যাঁ আফটার আ উইক। বাই।
ফোন রেখে দিল সুমনা।
রীতা: কি বলছে প্রিয়া?
সুমনা: ও আসবে। নাকি কাজ আছে। কোন কাজ নেই। অনিত এসেছে। শী ইস ইন হার ওন হ্যাবিট।
রীতা: ওকে সকাল ১০ তার আগে আর ৬ টার পরে এলাও করবি না।