জন্মদিন - অধ্যায় ৯
বিকেল হতে তখনো বাকি সায়ন অফিস থেকে বেরোবো বেরোবো করছে এমন সময় বেয়ারা এসে একটা স্লিপ দিল।
সায়ন: কি ব্যাপার?
বেয়ারা:স্যার, একজন ভদ্র মহিলা দেখা করতে এসেছেন।
সায়ন: পাঠাও।
বেয়ারা চলে গেল। সায়নের চেম্বারের দরজা ঠেলে ঢুকলো রেখা।
সায়ন: আরে আন্টি আপনি?
রেখা: তোমার সাথে কথা আছে।
চেম্বারের দরজা বন্ধ করে সামনের চেয়ারে বসল রেখা।
রেখা: দেখ সায়ন, কাল তোমার শাশুড়ির জন্মদিন জানো তো?
সায়ন: হ্যাঁ জানি।
রেখা সায়নের একটা হাত ধরল। সায়ন অবাক হয়ে তাকাল।
সায়ন: আন্টি?
রেখা: দেখ সায়ন একটা কথা জিজ্ঞেস করি।
সাযন: হ্যাঁ আন্টি বলো।
রেখা: সত্যি বলবে?
সায়ন: হ্যাঁ।
রেখা: মধুরিমাকে কেমন লাগে?
প্রশ্ন শুনে একটু ঘাবড়ে গেল সায়ন।
সায়ন: মানে।
রেখা: ঠিকই শুনেছ।
মাথা নামিয়ে নেয় সায়ন।
রেখা: আমি জানি, লজ্জা পাওয়ার কোন কারন নেই। আমি সব বুঝি।
সায়ন মুখ তুলে তাকালো।
রেখা: দেখো, তোমার শাশুড়ি একা, তুমিও একা। দুজনের ই শারীরিক চাহিদা আছে। এতে কোন খারাপ নেই। বাধাটা সরলেই সব ঠিক হয়ে যাবে।
সায়ন: কিন্তু আন্টি
রেখা: কোন কিন্তু নয়। শোন আমি কাল তোমার শাশুড়ির জন্মদিনের পার্টি দিচ্ছি। তুমি কাল ঠিক সাতটায় আমার বাড়ি যাবে। আমি সব ঠিক কোরে দেবো।
দূজনে মিলে প্ল্যান ঠিক করে নিল।