কামিনী কাঞ্ছনের মোহ - অধ্যায় ২
2.High class profile band value momentum করতে গিয়ে বাবার আরো অধঃপতন হয়। বাবা আরো নেশায় আসক্ত হয়ে পড়ে। দেশে আসার পর সে প্রভাব আরো বৃদ্ধি পায় সাথে নারি দেহের প্রতি লিপ্সা। প্রতিরাতে বেড পার্টনার ছাড়া বাবার ঘুম আসতো না। তাই এসকর্ট সার্ভিসের মাধ্যমে রুপোলী দুনিয়ার নিত্যনতুন মডেল ও অভিনেত্রীরাই ছিল বাবার শয্যাসঙ্গিনী। এই রূপলী দুনিয়ার কামিনী কাঞ্চন এর মোহে পড়ে এই নৈতিক অধঃপতন মেনে নেওয়া ছাড়া কোন উপায় থাকে না।বাবা আগে মদ খাও তো দূর অস্ত আমি জ্ঞানতঃ অবস্থায় কোনদিনও বাবার মুখে মদের নাম নিতে দেখিনি ।বাবা এগুলো খুব দেখেন না করত ।
বর্তমানে আছে জাক বাবার সম্বন্ধে কিছু বলি ,আমার বাবা 45 বছর বয়সে যথেষ্ট ফিট ।রেগুলার জিম এবং মেনটেন এর ফলে ,আগের সেই অরুণ মালাকার আর বর্তমানের অরুণ মালাকার এর মধ্যে আকাশ-পাতাল ফারাক ।বর্তমানে তিনি সেক্সের ক্ষেত্রে যে কোনো মেয়েকে সেটিসফেকশন দেওয়ার ক্ষেত্রে যথেষ্ট সমর্থ। এই 45 বছর বয়সেও বাবা যে কোন ছেলের ঈর্ষার কারণ ।তার মুখ দেখলেবোঝা যায় তিনি প্রচণ্ড কামু,যেন কামদেব সবসময় ভর করে থাকে ।এই নারী সংসর্গ করার পিছনেও বাবার দুটো উদ্দেশ্য ছিল ।
১,স্ট্যাটাস মেনটেন এর মাধ্যমে রুচিকা সিনহার কাছাকাছি পৌঁছানো ।যে আমাদের সুখের সংসার ধ্বংস করার জন্য দায়ী ।আমার মা সুপ্রিয়া মালাকার থেকে মোহিনী পাঠকের চারিত্রিক অধঃপতনের মূল কান্ডারী হিসেবে যার হাত ধরে এর সূচনা হয়েছিল।( পরবর্তীতে এ রুচিকা সিনহার সম্পর্কে পাঠকগণ অবশ্যই জানবেন )
২,একাকীত্ব দূর এবং মায়ের দ্বারা প্রতারণার আগুনএকাকীত্ব দূর এবং মায়ের দ্বারা প্রতারণার আগুনকে কিছুক্ষনের জন্য ভুলে থাকতে।
এ দুটি কারণ ছিল বাবার নারীর সংসর্গের মূল উদ্দেশ্য ।
আপনাদের সাথে কথা বলতে বলতে জেটি মুম্বাই মাটিতে ল্যান্ড করে ।আর আমি এই দীর্ঘ 7 বছর পর নিজের মাতৃভূমিকে পদার্পণ করি ।