মাগি মা - অধ্যায় ৯৩
জবাঃ কিন্তু মা। ওরা বলেছে সাথে নিজের স্বামী কে নিয়ে যেতে? আসলে আমি বস কে মিথ্যা বলেছিলাম যে আমি বিবাহিত। কারণ বস একটু লুইচ্চা টাইপ এর।
রচনাঃ হুম। বুজলাম। কিন্তু এখন তোর জন্য বর কথাই পাবো?
জবাঃ একটা কাজ করা যায় মা। আমি আমার সাথে রাহুল কে নিয়ে যাই। সবাই কে বলবো ও আমার বর।কেমন হয়।
রচনাঃ বাহ। বেস ভালো। কিরে রাহুল, যাবি তোর দিদির সাথে?
রাহুলঃ যাবো মা। কবে যেতে হবে?
জবাঃ কাল বিকেলে.. এরপর পরের দিন আমরা ভাই বোন। যাওয়ার জন্যে রেডি হই।
রচনাঃ মা। তোর ভাই এর খেয়ল রাখিস। ও যা চায় সব ব্যবস্থা করে দিবি। কেমন?
জবাঃ তুমি চিন্তা করো না মা। আমি ওকে নিজের শরীর এর সাথে গেথে রাখবো। এক পলক এর জন্য ও আড়াল হতে দিবো না।।
রচনাঃ ঠীক আছে সোনা মা আমার।। আর বাবা তুই ও তোর দিদির খেয়াল রাখিস। ও যা বলে শুনিস। ওর কথা মতো চলিস।।
রাহুলঃ তুমি চিন্তা করো না মা। আমি সারাক্ষণ দিদির সাথে বেধে থাকবো। দিদি কে সব সুখ দিয়ে আনন্দে রাখবো। এরপর আমরা বিদায় নিয়ে বের হয়ে যায়। পাশের শহরে আমাদের কোম্পানির একটা রেসোর্ট আছে। আমি ম্যানেজার কে বলে চাবি নিয়ে। এসেছি।। প্রায় 40 মিন এর মধ্যে আমরা রেসোর্ট এ পৌছে যাই।। একটা কেয়ার টেকার আছে আর একটা কাজের ঝি আছে। ঝিয়ের বয়স 35,40 হবে। আর কেয়ার টেকার এর বয়স 22,23 হবে।। ঝি এর ছেলে ও।। মা ছেলে রিসোর্ট এর ভেতর একটা কুয়ার্টারে থাকে।। আমরা ভেতরে গেলাম। দেখলাম অনেক সুন্দর। মনে হচ্ছে আমি আমার হানিমুন এ এসেছি।।
রাহুলঃ দিদি আমরা কি এখানে থাকবো?
জবাঃ হ্যাঁ রে। কিন্তু বারিতে কাওকে কিছু বলিস না। কেও কল করলে বলবি আমরা বেনারাস এ। আর এখনে আমি আর তুই ছাড়া আর কেও আসবে না। আমি মিথ্যা বলেছিলাম।
রাহুলঃ কিন্তু কেন?
জবাঃ কারন কালকে আমার আর রাজুর জন্মদিন। আমি চাই কালকের দিন টা৷ তুই আর আমি মিলে সেলিব্রেট করবো এখানে।।।
তখন ঝি ফাতিমা এলো আমাদের কাছে।
ফাতিমাঃ আসুন আপা। আমি আপনাদের জন্যে বড় ঘর টা পরিস্কার করে রেখেছি। আর কিছু লাগলে আমাকে একটা আওয়াজ দিবেন। আর বাহিরে দোকান থেকে কিছু লাগলে আমার ছেলে ফাহিম কে বললে সে এনে দিবে।।৷ আপনারা ফ্রেশ হয়ে নিন আমি নাস্তার ব্যবস্থা করছি। বলে ফাতিমা কাকি ছলে গেলো।
আমরা ও ফ্রেশ হয়ে রুমে কাপর-চোপর সেট করতে শুরু করলাম। রুমে একটা৷ বড় বেড আছে। আর একটা আলমারি আছে। চেয়ার টেবিল, সোফা আছে।
জবাঃ কেমন লাগছে ভাই আমার?
রাহুলঃ কেবল আসলাম। এখনো তো ভালো ই লাগছে। আশেপাশের পরিবেশ ও অনেক ভালো। আমি একটু বাহিরের দিকটা দেখে আসি। কেমন জায়গা। কি আছে।
জবাঃ ঠিক আছে যা। তারাতারি ফিরিস। তারপর একসংগে নাস্তা করবো।
রাহুল যাওয়ার সাথে সাথে আমি একটা সুন্দর কাপর পরি। তারপর সেজে গুজে রুম্ব থেকে বের হই। দেখি রুমের পাশে একটা জিম আছে, আর একটা সুইমিংপুল আছে।।। কিচেন এর দিকে গেলাম। কাছাকাছি যেতে। ফাতিমার আওয়াজ শুনলাম।
ফাতিমাঃ না সোনা। এখানে না। এখন এখানে মেহমান এসেছে।আহহ। বের করে নে সোনা, তুই ঘরে যা। একটু পর আমি আসছি। নাস্তা টা রেডি করে নিই।। তখনি আমি রান্নাঘরে ঢুকলাম। দেখি।
ফাতিমা দারিয়ে আছে তার ছেলে তার পিছে দারিয়ে আছে। আর নিজের মায়ের গায়ের সাথে। সেঠে আছেম আর ফাতিমা এর কোমোরে হাত দিয়ে ধরা। আর দুইজন ই হাল্কা হাল্কা নরছে।।
জবাঃ কি বেপার। মা ছেলেতে কিসের আলাপ চলছে।।
আমার আওয়াজ শুনে মা ছেলে ভুত দেখার মতো চমকে উঠে। ফাতিমার একটা হাসি দিয়ে বলে
ফাতিমাঃ কিছু না। একমাত্র ছেলে তো তায় মায়ের আগে পিছে ঘুরঘুর করে।।
জবাঃ হাহাহাহ । তা তো বুঝতে পারছি। এখনো তোমার পিছে ই দাঁড়িয়ে আছে।
ফাতিমাঃঃ হ্যাঁ ঠিক বলেছেন। আপনি টেবিলে বসুন আমার হয়ে গেছে। আমি নাস্তা নিয়ে আসছি।
জবাঃ না ঠিক আছে। সেরে নাও। আমি হল এ আছি।