মায়ের দ্বিতীয় সংসার - অধ্যায় ২

🔗 Original Chapter Link: https://xforum.live/threads/মায়ের-দ্বিতীয়-সংসার.16389/post-1480733

🕰️ Posted on Sun May 24 2020 by ✍️ sulekhasujoy (Profile)

🏷️ Tags:
📖 751 words / 3 min read

Parent
২য় অংশ: ট্রেনে উঠে বসতেই আম্মুর কল। -কতদূর রে -এইতো মা ট্রেনে। -ভালোভাবে আয় তাহলে । স্টেশনে এসে ফোন দিস তোর সুজয় বাবা তোকে নিতে যাবে। -আচ্ছা মা। ফোন টা কেটে গেল। ভাবছেন মা ,কেন নাম উল্লেখ করে বাবা বলল। কারণ আমার এখন দুজন বাবা। সুজয় আমার দ্বিতীয় বাবা। তার সাথে আমার মায়ের বিয়ে হয়েছে এক মাস হলো। কিভাবে বিয়ে হলো সেটা জানতে ,দুই মাস পিছনে ফিরে যেতে হবে। দুই মাস আগে আমি মা,আর আমার নিজের বাবা ট্রেনে উঠেছি। চেন্নাই যাবো । ১৫ দিনের চিকিৎসা ভিসা নিয়েছি আমরা। বাবার ক্যানসার সহ লিভার ফেইলর ।দেশের সব চিকিৎসায় হলো কোন কিছু হচ্ছে না। তাই ইন্ডিয়ায় যাচ্ছি। চেন্নাই যেয়ে হোটেল নিলাম। তারপরের দিন ডাক্তার এর ডেট ছিল। গেলাম। ডাক্তার দেখে অনেক টেষ্ট দিল। টেষ্ট করিয়ে ওয়েটিং রুমে বসে আছি। সামনের একটা লোক আমাদের দিকে তাকিয়ে আছে অনেক্ষণ ধরে। পরে বুঝতে পারলাম সে আমার মা কে দেখছে। দেখবেই না বা কেন আমার মাকে সবাই হা করে দেখে। ডাক্তার ও দেখছিল। ডাক্তার তো ভুল করে মনে করেছে আমার মা আর আমি ভাই বোন ওটা আমাদের বাবা। বলাই স্বাভাবিক। আমার বাবা ব্যবসা কাজের জন্য দেরী করে বিয়ে করে। ৪৬বছর বয়সে আমার মা কে বিয়ে করে।আমার মা বাবার বয়সের পার্থক্য হচ্ছে প্রায় ২৯ বছর। আমার নানারা গরীব ছিলেন, টাকার জন্য আমার মাকে এত বয়স্ক লোকের সাথে বিয়ে দেয়। আমার বাবার কারবারে কাজ করত আমার নানা। বাবা থেকে নানা ৩-৪ বছরের বড় ছিল। নানা বাস এক্সিডেন্টে মারা গেছে। আমার যুবতী মাকে বিয়ে করে আমার বাবা খুশি হলেও আমার মা খুশী কি না সন্দেহ আছে। আমার বাবাকে বেড দেওয়া হয়েছে। আমার মা আর আমি ওয়েটিং রুমে বসে আছি। মা উঠে টয়লেটে গেলো। সেদিকে লোকটি তাকিয়ে আছে। দেখলাম আম্মুর টাইট সালোয়ার পাছার খাঁজে ঢুকে আছে। মনে হল লোক টা মায়ের ছবি তুলছিল। মা যেতেই সে আমার পাশে এসে বসল। পরিচিত হল। কথা বলে আমিও আগ্রহি হলাম কারন সেও বাঙালি। কলকাতায় থেকে এসেছে। কথা বলার কাউকে পেয়ে ভালো লাগলো। মা আসলে আমরা সবাই পরিচিত হলাম। মা তো কারো কথা বুঝতে পারছিল না। এই লোকের সাথে মা গল্প শুরু করল। আমরা কোথায় উঠেছি বললাম।সে বলল মামার জন্য এসেছি। আর তার বন্ধু যে কিনা আমাদের ডাক্তার এর পিএ। সে লোকটা আমাদের সাথে যেয়ে আমাদের পাশের রূম টা নিল। আমরাও কয়দিন ব্যস্ত ছিলাম বলে তার সাথে কথা হয় নি। হসপিটালে মা বাবার কাছে আছে। সব শুনে আমি বাইরে আসলাম।মনটা খারাপ। বাবার জন্য না কি এতগুলো টাকার জন্য সেটা বুঝলাম না। তো বাইরে দাড়িয়ে আছি । সুজয় আসল আমায় দেখে। আরে বলাই হয় নি ঐ লোকটির নাম সুজয় দাস।কালো, সুঠাম দেহ। বয়স ৩২-৩৩ হবে। এসে বলল সবই শুনলাম। খুব খারাপ লাগছে যে তোমার বাবাকে আইসিঊ তে রাখতে হবে। -হুম। -আমার বন্ধুর কাছে শুনলাম প্রতিদিনের বিল নাকি ৬০ হাজার টাকা। -কত দিন থাকতে হবে সেটা কি জানেন? - বন্ধু বলল ১মাস ও হতে পারে। আর তোমার বাবা ৩মাসের বেশি বাঁচবে না বলে। -হম। -এতগুলো টাকা শেষ হলে তোমার আর তোমার আম্মুর কি হবে। ৪মাস পর তো এমনিতেই মরে যাবে। -তাহলে কি করব? -দেখ যা ভাল মনে হয়। তবে আমি একটা প্রস্তাব দিতে এসেছি তোমাকে। আমি তোমার মাকে বিয়ে করতে চাই। তোমার মায়ের প্রেমে পড়ে গেছি আমি। তোমার মা এখনো যুবতী। তুমি নিশ্চয় চাইবে না তোমার মা যে কষ্টে আছে সারাজীবনে বিধবা হয়ে আরো কষ্ট করুক। তোমার আম্মুর বাকিটা জীবন এখনো পরে আছে। আমি তোমার মায়ের সব কষ্ট দূর করে সুখী করতে চাই। -একটানা এত গুলো কথা শুনে থমকে গেছি। কেউ যে তার মৃতপ্রায় বাবা দেখে তার মায়ের প্রস্তাব তাকেই দিতে পারে ভাবতেও পারিনি। আমার উত্তর না শুনেই তিনি চলে গেলেন। আমি তার দিকে তাকিয়ে থাকলাম...... রাত্রে আমায় ফোন করে তার রুমে যেতে বলল। আমি গেলাম। সে বলল -কি ভাবলাম -কিসের জন্য। -এইতো তোমার আম্মুকে আমার সাথে বিয়ে দেওয়ার ব্যাপারে। - -চুপ কেন। তোমার সপ্ন ও তো তাই নিজের মায়ের বিয়ে দেওয়া। চমকে গিয়ে বললাম। -কী সপ্ন? -আমার কাছে ভয় পেয়ো না। তোমার ফেসবুক বন্ধু রিদয় কুমার না। সে আমার এলাকার ভাতিজা হয়। । আমি লুকালাম না,কারন আমার ছোট বেলা থেকেই সপ্ন নিজের মাকে তাগরা পুরুষ এর সাথে বিয়ে দেয়া। -সে আমার মাথায় হাত বুলিয়ে বলে লজ্জা,ভয় কিছুই পাবার দরকার নেই। বিয়ে না দিলেও আমি কাউকে কিছু বলবো না। তবে তোমার সপ্ন পুরোন আমি ই করতে পারবো ,ভেবে দেখ। (পরে জেনেছি সে আমার ফেসবুক আইডি হ্যাক করে ছিল,আম্মুকে বিয়ে করার জন্য) আমি রুমে ফিরে এলাম। আম্মু আমি টিভি দেখছি,সেই সময় সুজয় কাকা আসল। এসে আমাদের সাথে গল্প করতে শুরু করলো। মা তাকে জানতে চাইলো কি করা যায় । তিনি বললেন,দেখেন আপনার স্বামি ৩মাসের বেশি বাঁচবে না। এতগুলো টাকা বেকার খরচ করার কোনো মানে হয়না। আপনার আর আপনার ছেলের ভবিষ্যৎ আছে । ভেবে দেখেন কি করবেন । আর আপনি তো এখনও যুবতী আছেন । বিশ্বাস হয়না ওটা আপনার স্বামি।
Parent