মায়ের দেহভোগ - অধ্যায় ৩
সাধারণ বাঙ্গালী মধ্যবিত্ত পরিবারে আমার জন্ম..বাবা খুব সাধারণ একটা চাকুরি করতেন. মা অবশ্য ওই মিউনিসিপালিটির চাকুরিটা আগে থেকেই করতো. যা আয় হত কোন রকমে আমাদের সংসার চলে যেতো. একটা সাধারণ গভমেন্ট স্কুল থেকে আমার পড়াশোনা. ছোট বেলা থেকে যদিও আমি এরকম ইন্সেস্ট মানসিকতার ছিলাম না. যদিও অল্প বয়স থেকে একটু বয়স্কা নারী শরিরের উপর একটা আকর্ষণ অনুভব করতাম. সেই অনুভূতি থেকেই মাঝে মাঝে মার শরীরটা দেখতে ভাল লাগতো. তখন মার বয়স আরো অল্প. শরীরের গঠন আরো মজবুত ছিল. একটু ভারী শরীরে মার স্তন যুগল আর ভারী নিতম্ব দেখতে আরই ভাল লাগতো. লুকিয়ে মার স্নান করা দেখতে, নগ্ন ভারী আর ভেজা মার শরীরটা দেখতে দেখতে আমার ওই বয়সের ছোট শিস্ন দন্ড টাও শক্ত হয়ে উঠত. রাতে আমি, মা , বাবা এক বিছানাতেই শুতাম. তখন ক্লাস 7/8 এর কথা. আমি মাঝখানে আর মা বাবা দুপাশে. গরমকালে রাতে মা অনেক সময় ই শাড়ী খুলে পাতলা হাত কাটা ব্লাউস আর সায়া পরে শুতো. আমি ইচ্ছা করেই জেগে থাকতাম ওরা ঘুমিয়ে পরা অবদি. তারপর মার দিকে ঘুরে কখনও একটা হাত মার ব্লাউসের উপর দিয়ে আস্তে করে বোলাতাম..কখনও হাত ও ঢোকাতাম অল্প. একটা পা ইচ্ছে করে মার কোমরের উপর তুলে দিয়ে আমার ছোট শিস্ন দন্ড টা মার নিতম্বের উপর দিয়ে অল্প ঘষে উত্তেজনাবোধ করতাম. কখনো মা চিত হয়ে ঘুমোলে মার শায়া টা উপরে উঠে যেতো আর মার ঘন চুলে ভরা যোনি প্রদেশ উন্মুক্ত হয়ে যেতো, আমি সেই সুযোগে একটা পা মার থাই এর মাঝে গুঁজে একটা চরম যৌন উত্তেজনা অনুভব করতাম. মাও ঘুমের মধ্যে কিছু বুঝতে পারত না. হয়তো অনেকেই অল্প বয়সে মার শরীর নিয়ে এরকম যৌন উত্তেজনা অনুভব করেছে.এটা নতুন কিচ্ছু নয়. এভাবে অমর অল্প বয়সে কিছু বছর মার শরীর নিয়ে ফ্যানটাসি করে কেটেছে. মা আমার সামনে দাড়িয়ে শাড়ী ও চেঞ্জ করত.সেটা দেখতেও খুব ভাল লাগতো. আর পাশে রান্নাঘরে গিয়ে যখন শাড়ী ব্লাউস পাল্টাত, লুকিয়ে মার নগ্ন দেহ টা দুচোখ ভরে উপভোগ করতাম. যখন থেকে হস্ত মৈথুন করতে শিখেছি মার ভারী হস্তিনী শরীর টার কথা ভেবে বীর্যপাত ও করতাম. একবার ক্লাস 9 এ পড়তে মা আমাকে লুকিয়ে শাড়ী পাল্টাতে দেখে ফেলেছিল.আমার ভয়ে আধমরা অবস্থা.কিন্তু মা ঘরে এসে সেরকম কিছু বলেনি.যদিও বুঝিয়ে বলেছিল যে ছেলে হয়ে এভাবে মাকে দেখতে নেই. সাধারণ ঘরের সতী রমণীরা যেমন বলে থাকে. আমি অনেকদিন ভয়ে আর লজ্জায় মার সাথে ঠিক করে কথাও বলতে পারতাম না. যাই হোক, এসবই হল আমার অল্প বয়সের কথা. তারপর বড় হওয়ার সাথে সাথে জীবনের স্রোতে বন্ধু বান্ধবের সংস্পর্শে , তারপর গার্ল ফ্রেন্ড হওয়ার সাথে সাথে মার শরীর নিয়ে আকর্ষণ টাও প্রায় বন্ধ ই হয়ে গেল. আস্তে আস্তে কলেজে পড়লাম, তারপর এই ছোট কোম্পানি র চাকরিটাও কোন মতে একদিন জুটিয়েও ফেললাম.
ও, তোমাদের একটা কথা বলা হয়নি.আমি এখন বিবাহ বিছিন্ন যুবক. চাকরি পাবার কয়েক বছর বাদে মা বাবা আমার জন্য বিয়ের ব্যবস্থা করে.মা ই চেনা পরিচিত লোক জনের সাথে কথা বলে আমার বৌ জোগাড় করেছিল.তখন আমার প্রায় ৩০ বছর বয়স. যদিও আমার তখন ই বিয়ের ইচ্ছে ছিল না. তবুও প্রধানত মার জোরাজুরিতেই আমাকে বিয়েতে রাজি হতে হয়েছিল. বাবা তখন বেঁচে ছিলেন.যদিও ক্যানসার এ ভুগছিলেন. আর আমার বিয়ের কয়েকদিন বাদেই বাবা পৃথিবী থেকে বিদায় নেন.
বন্ধুরা, আমার বিয়ের ব্যাপার টা আমার জীবনে বর্তমানে ঘটা মার সাথে এই অবৈধ লালসাময় যৌন সংসর্গের ব্যাপারে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ.
কেন.. সেটাই এবার খুলে বলব..
(পরবর্তী অংশে..)
চলবে........