মেয়ের বন্ধু - অধ্যায় ৩৭
ঘরের দরজাটা বন্ধ।
আমি: আচ্ছা
তূহিন: কি?
আমি: একটা কথা বলব? কিছু যদি মনে না করো।
তূহিন: একটা ল্যাংটো লোকের আর কি মনে করার থাকে? বলো।
সত্যিই তাই।
আমি: আচ্ছা এই রাস্তায় ঘোরা ব্যাপারটা কি বলোতো।
তুহিন প্রথমটা চুপ।
আমি: কি হল?
তুহিনের দেখলাম চোখে একটা কি রকম ভয় যেন।
তুহিন: তুমিও বুঝে গেলে?
আমি: কি আর বুঝব। খালি শুনছি তো।
তুহিন(কাঁদো কাঁদো): আর বলো না কি ঘরেই বিয়ে করেছি। আমার বৌ রত্না। এক খান্ডারনী মেয়েছেলে। কোন কাজ একটু এদিক থেকে ওদিক হলেই হল।
আমি: কি?
তুহিন: কোন কাজ বা কথা মনঃপূত না হলেই আমাকে ল্যাংটো করে রাস্তায় বের করে দেয়।
আমি: বলো কি?
তুহিন(কাঁদো কাঁদো): জীবনের অর্ধেকের বেশী এই ল্যাংটা হয়েই কেটে গেল।
বুঝলাম তুহিনের অবস্থা খারাপ। আলোচনা চেপে গেলাম।