মেয়ের বন্ধু - অধ্যায় ৫৫
এইভাবেই চলতে লাগল। আমি সপ্তাহে দুদিন আমার বাড়ি আসি পাঁচ দিন শ্বেতার বাড়ি। একদিন নিজের বাড়ি ঢুকে একটা চিঠি পেলাম। বিদেশী ডাক। দেখলাম মণিকা আর আমার মেয়ে অন্বেষা আসছে।
চিঠিটা নিয়ে গিয়ে শ্বেতা দের বাড়ি দেখালাম।
চিঠি পড়ে আমি ভাবতে পারিনি যে ওই রকম রি- অ্যাকশন হবে।
পাপিয়া আর মাধবী তো কাঁদতেই শুরু করল।
আমি: কি হল?
শ্বেতা: তুই চলে যাবি?
আমি: ওরা এসে যদি থাকে?
শ্বেতা: তাহলে তো তোকে ওখানেই থাকতে হবে। তাই তো কথা ছিল।
আমি: শোন। দীপের সাথে একটা ভাল মেয়ে র বিয়ে দাও। ওরা সুখী হোক। আমি তো আর এর বেশী কিছু পারব না।
পাপিয়া আর মাধবী র কান্ড দেখে অবাক।
পাপিয়া: আমার এই ভাইয়ের বৌ ই ভাল।
মাধবী: নাত বৌ তুই যাস না।
শ্বেতা: মণিকারা কি থাকবে?
আমি: জানি না।
আমার বাড়ি চলে এসে আবার পুরোটাই সুমিত হয়ে গেলাম।
দুদিন বাদে মণিকা রা এল।
আউট এন্ড আউট বিদেশী। মেয়ে ও তাই।
আমি: কেমন আছ তোমরা
অন্বেষা: ok. We are fine there. We have not come here to stay. We will go back within two days. And its permanent. We are not interested to come here back.
মণিকা একই কথা বলল।
দুদিন এক বাড়িতে ছিলাম। দুদিন পর আমার নামে বাড়ি লিখে দিয়ে মণিকা আর অন্বেষা বরাবরের জন্য চলে গেল। মণিকা র সাথে আমার সেপারেশন ও হয়ে গেল। ওরা আর এ দেশে আসবে না। মনটা খারাপ হয়ে গেল একটু হলেও। যতই হোক।
ওরা চলে গেল রাতে।