onno rokom vai bon - অধ্যায় ৭
তপা খুব সহজভাবেই বললো, হুম! এক বছর আগে থেকেই জানি! দেখতে দেখতে সয়ে গেছে! এখন আর দেখতে আগ্রহ জমে না।
তপা সব জানে দেখেই, সুমন খুব সহজভাবে বললো,দেখলাম বাবা সুলেখার পাছায় নুনু ঢুকিয়ে দিলো। তারপর বললো শান্তি! এরকম কিছুও দেখেছো?
তপা হাসলো খানিকক্ষণ। তারপর বললো, দুর বোকা,পাছায় ঢুকায় নি! ঢুকিয়েছে অন্য একটা জায়গায়!
সুমন বললো, মানে?
তপা বললো, এখন বলা যাবে না। তুমি আরেকটু বড় হলেই বলবো।
সুমন অভিমান করেই বললো, আমি কিন্তু তোমার চাইতে এক বছরের বড়!
তপা হঠাৎই সুমনের ঠোটে একটা চুমু দিয়ে বললো,এটার মানে কি বুঝো?
সুমন বললো, কেনো বুঝবোনা, চুমু!
তপা বললো, তোমার ভালো লেগেছে?
সুমন বললো, চুমু তো সবারই ভালো লাগে। ছোট বেলায় মাও কত চুমু খেতো!
তপা বললো, মা তোমাকে কিংবা আমাকে যে চুমুটা দিতো, আর আমি তোমাকে যে চুমুটা দিলাম, তার মাঝে অনেক তফাৎ আছে। যেদিন সে তফাৎটা বুঝতে পারবে,সেদিনই মনে করবে, তুমি বড় হয়েছো।
সুমন তপার কথা কিছুই বুঝলো না। সে তপার উপর রাগ করেই বললো, আমাকে বলতে চাইছো না, সেটাই সরাসরি বলো। আমি কিন্তু কাল সকালেই সুলেখাকে জিজ্ঞাসা করবো।
তপা মাথায় হাত দিয়ে বললো, হয়েছে সর্বনাশ! ঠিক আছে, আমিই বলবো! তারপরও সুলেখার সাথে এই নিয়ে আলাপ করবে না। আলাপ করলে, তোমাকে একটা বোকা ছাড়া অন্য কিছু বলবে না।
দশ বছর বয়সের তপা সুমনকে মেয়েদের দেহের নিম্নাঙ্গের ব্যাপারগুলো বুঝানোর জন্যেই তার নিজ পরনের হাফ প্যান্টটা খোলে ফেললো। তারপর, তার পিঠে পিঠি এক বছরের বড় ভাই সুমনকে লক্ষ্য
করে বললো, তোমার হাফ প্যান্টটাও খোলে ফেলো।
সুমন অবাক হয়ে বললো, হাফ প্যান্ট খোলতে হবে কেনো?
তপা বললো, আহা খোলোই না! বলছি।
কিছুক্ষণ আগে সুলেখার সাথে তার বাবা কি কি করেছে কিছুই বুঝেনি সুমন। এমন একটা বয়সে তার বুঝার কথাও না। যতদূর মনে হয়েছিলো, তার বাবার নুনুটা সুলেখার পাছার দিকে কিছুক্ষণ ঠুকাঠুকি করেছে শুধু। এতে করে তার বাবা কি মজা পেয়েছিলো কিছুই বুঝেনি সুমন। আর, তা দেখে এগারো বছর বয়সের সুমনের মনে বিন্দুমাত্রও যৌন জাতীয় ব্যাপারগুলো অনুভূত হয়নি। তবে, সুলেখার নগ্ন দেহে পেপে আকৃতির চমৎকার বৃহৎ বক্ষগুলোই তাকে আকর্ষণ করেছিলো। এতে করেই কেনো যেনো তার ছোট্ট নুনুটা টান টান হয়ে দাঁড়িয়েছিলো। তার নুনুর এই টান টান ভাবটা গোসলের সময়েও হয়ে থাকে, যখন তপার নগ্ন বক্ষে সুপুরীর মতো উঁচু হয়ে থাকা দুটো ছোট স্তন চোখে পরে। কেনো যেনো তখন তপার সেই সুপুরীর মতো স্তন দুটো ধরে দেখতেও ইচ্ছে করে। শুধুমাত্র সুলেখার ভয়েই তা করতে পারেনা।
গোসলের সময় সুলেখার নির্দেশে বাধ্য হয়েই ন্যাংটু হতে হয়। অথচ, এই মুহুর্তে তপার অনুরোধে প্যান্ট খোলতে কেনো যেনো লজ্জাই বোধ করতে থাকলো সুমন। সুমনের লাজুকতা ভাবটা দেখে তপা বললো, কি হলো?
সুমন আমতা আমতা করে বললো, না মানে, এখন প্যান্ট খোলবো কেনো?
তপা বললো, তুমিই না জানতে চাইলে, বাবার নুনুটা সুলেখার কোথায় ঢুকিয়েছিলো? তো, তোমার নুনুটা না দেখালে দেখাবো কি করে?
সুমন তপার নিম্নাঙ্গটার দিকে তাঁকালো একবার। গোসলের সময় তপার এই সমতল নিম্নাঙ্গটা প্রতিদিনই দেখে। ইদানীং তপার নিম্নাঙ্গে ছাই রং এর এক গুচ্ছ লোম খানিকটা লম্বা লম্বা হয়ে উঠেছে। যার জন্যে তার নিম্নাঙ্গটা আরো চমৎকারই লাগে। হঠাৎই তার মনে হলো, তার যেমনি লম্বা একটা নুনু আছে, তপার নিম্নাঙ্গটা তো তেমন নয়! বরং, তার বদলে তপার নিম্নাঙ্গে ছাই রং এর এই লম্বা লম্বা এক গুচ্ছ লোমগুলোর ঠিক নীচেই একটা কাটা দাগ আছে। যেটাকে সুলেখা মাঝে মাঝে মণি বলেও ডাকে। সুলেখার নিম্নাঙ্গেও তো এমন একটা কাটা দাগ থাকার কথা। তার বাবা বোধ হয় সেই কাটা দাগটার ভেতরেই নুনুটা ঢুকিয়েছিলো। কিন্তু, এতক্ষণ তার মাথায় এটা ঢুকেনি কেনো? সে লাজুকতা গলাতেই বললো, আমি বুঝেছি। আর বলতে হবে না।
তপা চোখ কপালে তুলে বললো, বুঝেছো? কি বুঝেছো?
সুমন আমতা আমতা করেই বললো, ছেলেদের নুনুটা তো লম্বা হয়। কিন্তু তোমার মণিটা দেখে উল্টোই মনে হয়। মনে হয় ওখানে কাটা দাগটায় একটা ছিদ্রও আছে!
তপা মুচকি মুচকি হাসলো। তারপর বললো, বুঝলেই ভালো।
সুমন বললো, আসলে আমি তখন বাবা আর সুলেখাকে পাশ থেকে দেখেছিলাম তো, তাই তখন বুঝতে পারিনি। কিন্তু, মেয়েরা তো ওদিক দিয়ে প্রশ্রাব করে! বাবার ঘেন্যা হয়নি?
তপার বয়স দশ হলেও কেনো যেনো যৌনতার অনেক কিছুই সে বুঝে। কেনোনা, স্কুলে বান্ধবীদের সাথে এসব নিয়ে অনেক আলোচনা হয়। তপা যেমনি সুলেখার সাথে তার বাবার কিংবা দারোয়ান খালেকের গোপন ব্যাপারগুলো জানে, ঠিক তেমনি তার বান্ধবীরাও নিজেদের বাড়ীর বাবা মা সহ, অনেক গোপন যৌনতার ঘটনাও জানে। সেসব নিয়ে আলাপ করতে মজাও পায়। হয়তোবা সুমনের বন্ধুরা এই নিয়ে তার সাথে কখনো আলাপ করে না। তাই হয়তো সুমন অনেক কিছুই জানে না। তা ছাড়া তপার বান্ধবীরা এও বলে থাকে, ছেলেদের বয়স তেরো চৌদ্দ না হলে নাকি যৌনতার ব্যাপারগুলো বুঝেই না। তাই তপা সুমনকে বললো, তাই তো বললাম, তুমি আরো একটু বড় হও! তখন মনে হবে, ঘেন্যা করার মতো কোন ব্যাপার না।
তপার কথার আগা মাথা কিছুই বুঝলো না সুমন। তবে,তার মনে হলো, তপা যা বুঝে, এক বছরের বড় হয়েও সে তার অনেক কিছুই বুঝতে পারে না। সে শুধু তপার মুখের দিকেই ফ্যাল ফ্যাল করে তাঁকিয়ে রইলো। কি চমৎকার তপার মুখটা! এমন সুন্দর চেহারার মেয়ে খুব কমই আছে বলে মনে হলো সুমনের।
সুমন আবারও তাঁকালো তপার নিম্নাঙ্গের দিকে। এমন চমৎকার চেহারার তপার নিম্নাঙ্গের মণিটাও হঠাৎ খুবই সুন্দর মনে হলো। যদিও তপা ওই মণিটা দিয়ে প্রশ্রাবই করে, তারপরও দেখতে খুবই চমৎকার! এমন চমৎকার একটা মণি দিয়ে মেয়েরা প্রশ্রাব করলেও তপার মণিটা দেখে খুব একটা ঘেন্যা লাগলো না সুমনের। বরং, তপার এমন একটা চমৎকার মণিতে তার নিজের নুনুটাও কেনো যেনো ঢুকাতে ইচ্ছে হলো। কিন্তু, এমন একটা ইচ্ছার কথা তপাকে বলে কি করে?
সুমনের চেহারা দেখে তপাও তার মনের অবস্থাটা বুঝতে পারলো। তারও কম ইচ্ছে করেনা, সুমনের নুনুটা মুঠিতে রেখে খেলতে। তার মণিটার ভেতরে সুমনের নুনুটা ঢুকিয়ে দেখতে, কেমন লাগে! কিন্তু, সুমনের যা বুদ্ধি, তা বোধ হয় কখনোই সম্ভব হবে না। তাই সে মন খারাপ করেই খোলে ফেলা হাফ প্যান্টটা আবারও পরতে থাকলো।
সুমন হঠাৎই বললো, বাবা সুলেখার ওখানে নুনুটা ঢুকিয়ে বলেছিলো, খুবই নাকি আরাম! তোমার কি সত্যিই তা মনে হয়?
তপা তার পরনের হাফ প্যান্টটা পুরুপুরিই পরে নিয়ে,শুয়ে পরলো। তারপর, রাগ করেই বললো, আমি কি করে বলবো? আমি কি ছেলে নাকি?
সুমন বললো, না মানে, সুলেখাকে দেখে মনে হয়েছিলো,সে খুব কষ্টই পেয়েছে! কষ্ট পেয়ে পেয়ে কি অদ্ভুত শব্দ বেড় করেছিলো গলা থেকে। বাবার বোধ হয় সুলেখাকে এমন কষ্ট দেয়া উচিৎ হয়নি।
তপা আবারও রাগ করার ভান করে বললো, হয়েছে,তোমাকে আর এসব নিয়ে গবেষনা করতে হবে না। অনেক রাত হয়েছে। শুয়ে পরো।
সুমন শুয়ে পরলো ঠিকই, কিন্তু তার ঘুম হলো না। তার মনের মাঝে নানান রকমেরই নুতন নুতন প্রশ্নের উদ্ভব হতে থাকলো। ছেলেদের নুনু কিংবা মেয়েদের মণি দুটোই তো প্রশ্রাব করার জন্যে! কিন্তু ছেলেদের নুনু লম্বা হয়ে দেহ থেকে বাইরে বেড়িয়ে থাকে। অথচ, মেয়েদের বেলায় উল্টো কেনো? আর সেই উল্টো কাটা ছিদ্রের ভেতরে নুনু ঢুকালে সত্যিই আরাম লাগে নাকি?
সুমনের চিন্তা ভাবনাগুলো ধীরে ধীরে ভিন্ন দিকে মোড় নিতে থাকলো। গোসল করার সময়, সুলেখা যখন তার নুনুটাতে সাবান মাখিয়ে নরোম হাতে মর্দন করতে থাকে,তখন তো আরামই লাগে! আসলে নুনুটা চেপে ধরা থাকলেই তো আরাম লাগে! মেয়েদের মণির কাটা ছিদ্রটাও বোধ হয় টাইট কোন ছিদ্র! মেয়েদের হাতের মুঠোতে থাকলে যদি নুনুতে আরাম পাওয়া যায়, ঠিক তেমনি টাইট মণির ভেতর ঢুকালেও আরাম লাগার কথা! বাবা বোধ হয় সুলেখার মণিতে তার নুনুটা ঢুকিয়ে তেমনি আরামই পেয়েছিলো। কিন্তু, সুলেখা তো কষ্টই পেয়েছিলো! তপার এমন চমৎকার মণিটাতে নুনু ঢুকালে তো, সেও খুব কষ্ট পাবে? না না, তপা তার একমাত্র আদরের ছোট বোন। তপাকে কখনো কষ্ট দেয়া যাবে না। সুমন বিছানার উপর শুধু ছটফটই করতে থাকলো। আর প্যান্টের ভেতর নুনুটা তার টান টান হয়েই থাকলো কেনো যেনো।