রাতের রজনীগন্ধা - অধ্যায় ৬
Next Part...24.07.202
রানু স্নান সেরে নাইটি পরিধান করে আসিফের ঘরে গিয়ে দেখল ওর ভাই পড়াশোনায় বড্ড ব্যাস্ত। লাল রঙের নাইটি ,ব্রা না পড়েই ভাইয়ার ঘরে চলে যাই।
আর...
নাইটির ভিতরে থাকা কমলালেবু দুটি দেখা যাচ্ছে অংশ বিশেষ। আসিফ সে দিকে তাকিয়ে থাকলে রানু দুষ্টুমি হাসিতে...
রানু: এই আসিফ সারাদিন পড়েই যাচ্ছিস... এতো পড়িস না ভাই।মনের আকাশে চাপ পড়বে ভিসন।একটু মনকে পরিশ্রান্ত করতে হই।
আসিফ: সামনে আর এক মাস পড়ে এক্সাম তাই।
রানু: আমারও তো সামনে এক্সাম।অত পড়ছি কি!
আসিফ: তোর ব্যাপার সেটা।
রানু: তাই বুঝি! এই দুপুরের লাঞ্চ করতে চল।আমার পেতে চুচোর দন মারে তো!
আসিফ: তোর খিদে লেগেছে তো তুই খেতে নে!
রানু: তাই বলেলে কি হই! অনেকে দিন হলো পাশাপাশি বসে একসাথে খাই নি।আজ যখন সেই সুযোগ এসেছে,তখন কি সেই সুযোগ ছাড়া কি যায়!
আসিফ: আমার যে এই অংক গুলো করা এখনো বাকি আছে।তাই বলছি কি ....তুই খৈয়ে নে।আমায় বিরক্ত করিস না।
রানু: টা বললে ত হবে না।চল বলছি খেতে! (এই বলে জোর করে হাত ধরে টানাটানি করলে)
আসিফ: তোকে নিয়ে আর পারি না...দাড়া তবে একটু আমি স্নান টা সেরা আসি।
রানু(হাসি হাসি মুখে): এখনো স্নান করিস নি।যা পাগল কোথাকার...স্নান করে আয়।এতখন স্নান করিস নি।
আসিফ : ওকে।আসছি স্নান সেরে।
মিনিট কুড়ি পর...
আসিফ স্নান সেরে সেন্ডু গেঞ্জি ও সর্ট ট্রাউজার প্যান্ট পরিধান করল।আর দিন টেবিলে উপস্থিত হল।
তখন রানু দুজনের খাবার নিয়ে টেবিলে বসল ও দুজনেই খেতে শুরু করল।
খাবার সময় রানুর নাইটির ভিতরে কলিভার্জ দেখা যাচ্ছিল।আসিফ সেদিকে হা করে তাকিয়ে রইল।
আর টা দেখে রানুর কামুকি হাসির ধার ধরে না।আর তখন....
রানু: ওহ! ভাইয়া কি দেখছিস অমন করে! বেশ দুষ্টু।
আসিফ(লজ্জায়): কই কিছু না তো!
রানু:দেখতে লজ্জা করে না,বলতেই লজ্জা! পারি না বাপু!
আসিফ: কি বলতে চাইছিস বলতো! ঝেড়ে কাছ না...
রানু: বলবো নিশ্চই বলবো।তবে খাবার শেষ করে তোর ঘরে রেস্ট নিতে নিতে...
আসিফ: না রে আমার সময় নেই।আমায় একটু বাইরে যেতে হবে।বিশেষ দরকার আছে।
রানু: না তোর বাইরে যাওয়া হবে না।মা নেই ,বাড়িতে একা একা আমার ভালো লাগবে না তো..
আসিফ: টা বললে ত হবে না।আমায় যে যেতেই হবে।
রানু: তাই! (একটু রাগ করে) ওকে।যা তবে।কে বরণ করেছে।
আসিফ: রাগ করিস না।একটু বুঝার চেষ্টা কর।
এরপর খাওয়া দাওয়া করে আসিফ বাইরে বেরিয়ে গেল।বিশেষ আর্জেন্ট দরকারে।রানু তখন মনে মনে আফসোস করতে লাগল। আজকেও পাখি খাচা থেকে বেরিয়ে গেল।পরলাম না খাচায় আটকে রাখতে।অনুশোচনায় মন প্রাণ দগ্ধ হতে লাগল।আর নিজেকে সান্তনা দিয়ে আর এক বিশেষ মুহূর্তে ও ওর ভাই আসিফকে ঠিক খাচয় আটকাতে পারবে।
এই ভাবেই রানু আসিফকে আরো কোয়েকদিন বিশেষ প্রচেষ্টা চালিয়েও আসিফকে খাছাই আটকাতে পারে নি।
দেখতে দেখতে আরো পনেরো ষোলো দিন চলে গেল।