রাতের রজনীগন্ধা - অধ্যায় ৮

🔗 Original Chapter Link: https://xforum.live/threads/রাতের-রজনীগন্ধা.17369/post-1848709

🕰️ Posted on Sat Aug 08 2020 by ✍️ prem543 (Profile)

🏷️ Tags:
📖 482 words / 2 min read

Parent
Next Part...08.08.202 এরপর কিছুদিন পরে আসিফের B.Sc.(Math Hons. ) 1st year এর পরীক্ষা শুরু হয়।আসিফ বেশ ভালো ভাবেই প্রস্তুত নিল।যদিও ওর দিদি রানু প্রস্তুতির পথে কাটা স্বরূপ বিরাজ করছিল।তবে সেই কাটা সরে দিয়ে আসিফ নিজ চেষ্টাই পুরোপুরি নিয়োজিত থেকে সফল হতে পেরেছে। আর ও দিকে রানু নিজ কাস্টমারকে টাইম দেবার সাথে সাথে কিছুটা পড়াশোনায় টাইম খরচ করে।ওর টার্গেট ছিল B.A.(Hist. Hons .) ফাইনাল year এ পাশ করা। ওর ও পরীক্ষা শুরু হই। এইভাবে দুই ভাই বোনের পরীক্ষা শুরু হই। আর কুড়ি দিনের মধ্যে ওদের পরীক্ষা শেষ হই। পরীক্ষা শেষ হবার পর আসিফের মন থেকে বিশাল পড়াশোনার বোঝা নেমে গেল।আর রানু তো সেরকম পড়াশোনা করেনি তাই ওর পক্ষে এই বোঝার বিন্দুমাত্র অনুধাবন করতে পারেনি। রানু কাস্টমারের পাশ পাশাপাশি টাইম পাস হিসেবে পরীক্ষাকে দেখেছে। পরীক্ষা শেষ হবার পরে.... একদিন ডিনার করতে বসে সেলিনা: এই তোদের তো এক্সাম শেষ ।এখন বেশ ফ্রী। তাই আমি বলছিলাম কি তোরা দুই ভাই বোন দূরে কাছে কথা থেকে ঘুরে আয় না।ভালো লাগবে ঘুরে এলে।এক ঘেয়ামী দুর হবে। একথা শুনে তখুনি রানু(হাসি হাসি মুখে ,মনে মনে চিন্তা জল বুনছে এই বলে ভাইকে এবার ঠিক গ্রাস করে নিবে): ওহ! মা তুমি ঠিক কথাই বলেছ ।আমি যেতে রাজি আমার আদরের ভাইয়ার সাথে।যদি ভাই যেতে চাই। সেলিনা: কেনো যাবে না,ঠিক যাবে।আসিফ তুই ও ত যেতে চাষ তাই না! আসিফ : না আমি এই পেত্নীর সাথে যেতে চাই না। রানু: কি বললি ,আমি বুঝি পেত্নী।ঠিক আছে এই পেত্নীর সাথেই চল ।তোর ঘাড় মতকে দিবে। আসিফ: না এই পেত্নীর সাথে যাচ্ছি না। রানু: এই বলছি বার বার পেত্নী বলবি না।বললে তোর ব্যাবস্থা করছি। আসিফ : এই পেত্নী , ভূতু। রানু এবার খাবার খাওয়া বাদ দিয়ে ছেঁয়ার ছেড়ে উঠে ভাইয়াকে মায়ের সামনে এট মুখে চুমু দিতে গেলে ওর উর্না সরে যাই আর আম দুটি ভাইয়ার মুখের ঠিক সামনে,তবুও নির্লজ্জ রানু ভাইয়াকে এট মুখে চুমু দিয়ে হাসতে হাসতে...দেখ পেত্নীর কাজ। এরপর রানু চুড়িদার এর উর্না ঠিক করে নিজ চয়ারে খেতে বসলে আসিফ রেগে গোগ গজ করতে থাকে ,আর সেই রাগে দুই হাতে তরকারি মেখে ওর দিদির মুখে লেপে দিলে রানু রাগ করে চর তুলতে গেলে... সেলিনা রানুর হাতটি ধরে নিয়ে তোদের নিয়ে আর পারি না।তোরা দিন দিন বর হচ্ছিস না ছোট হচ্ছিস। এরপর খোয়া শেষ হলে তিনজনে সোফায় বসে আরাম করছিল ।আর সেই সময় সেলিনা: আসিফ কেন জাবি না ফ্রি থাকা অবস্থায় ঘুরতে,কারনটি বলি না ,আর না বলে দুই বোনের মন কষাকষি।বল না কারন টা কি। আসিফ:আমি পরীক্ষায় ভালোভাবে পাশ করলে আমি ঠিক দিদির সাথে দীঘায় যাব। সেলিনা: বেশ।টা বলে দীঘায়! দার্জিলিং তো যেতে পার্টিস। আসিফ : পাহাড় তাহার আমার ভালো লাগে না।সমুদ্র আমার সবচেয়ে প্রিয়।তাই দীঘায় যেতে চাই। সেলিনা তখন রানুর কাছে আসিফের মত ওর কি দীঘায় চয়েস। রানু মার প্রশ্নের উত্তরে: হা,আনী চাই দীঘায় যেতে।। সেলিনা: এই তোদের এক্সাম কবে বের হবে রে! রানু: আমার আর মাস দুয়েক পর। সেলিনা:আসিফ তোর! আসিফ: আমার দুই মাসের আগেই বেরিয়ে পরবে। সেলিনা: ঠিক আছে।মাস দুয়েক পরেই যাস। আসিফ: রেজাল্টের উপর ডিপেন্ড করছে। সেলিনা: ও কে। এরপর রানু ও আসিফ নিজ নিজ ঘরে চলে গেল। সেলিনাও নিজ ঘরে গেল।
Parent