চাকরী নিয়োগ পেয়ে - অধ্যায় ৭৯
মা: এটা কার ছবি?
রীতা চুপ।
মা: কি রে?
রীতা: মা, এটা আমার ছোট বোন রিমিতা। ক্লাস টুয়েলভ এ পড়ে।
মা ভুরু কুঁচকে তাকালো।
রীতা দেখলাম ভীত।
মা: কোথায় থাকে?
রীতা: বাড়ীতে।
মা: অনি, বীচে যা। রীতা বীচে যাবি বলছিলি তো। যা।
আমি আর রীতা মা কে গম্ভীর দেখে পাশের ঘরে এসে আবার সব ছেড়ে ল্যাংটো হয়েই বেরোলাম।
রীতা: অনি
আমি: হ্যাঁ
রীতা: মা কি রেগে গেল?
আমি কিছু বলতে পারলাম না।
সবে বীচে নেমেছি।
মা: অনি, রীতা এদিকে আয়।
আবার কটেজে ঢুকলাম।
মা: কি বলছিলি বল।
অনুভব করলাম যে রীতা আমার হাতটা সজোরে চেপে ধরেছে।
রীতার মাথা নীচু।
মা: কি হল?
রীতার চোখে জল। শরীর কাঁপছে।
মা: কি হল বল?
মার গলা গম্ভীর।
রীতা: মা, রিমি দাদাদের কাছেই থাকে। বৌদিরা আমাদের দুবোনকেই সহ্য করতে পারে না। কিন্তু মা আমার উপায় নেই।
মা: আমি কি করব তার।
রীতা হঠাৎই দৌড়ে গিয়ে মার পা জড়িয়ে হাউ হাউ করে কেঁদে উঠল।
আমি অবাক।
রীতা: মা, আমি ছাড়া ওর কেউ নেই। তুমি যদি ওকে তোমার পায়ে স্থান দাও। আমরা দুই বোন তোমার দাসী হয়ে থাকব।
মা দেখলাম হেসে দু হাতে ল্যাংটো রীতাকে তুলে জড়িয়ে ওর মাথাটা বুকে রাখল।
মা: শাঁকচুন্নী, তুই আমার বাড়ীর লক্ষী। লক্ষী কি পায়ে থাকে। তাকে মাথায় তুলে রাখতে হয়। একদম কাঁদবি না। তার বোন ওই পেত্নীটাকেও আমার ছোট ভূতের সাথে বিয়ে দেবো।
রীতার চোখের জল বাগ মানছে না। মা আমাকে চুপ করতে বলে চেপে ধরে আছে রীতাকে।