কামিনী কাঞ্ছনের মোহ - অধ্যায় ১১
ফটো তুলতে তুলতে মায়ের প্রাথমিক জড় তা কাটতেই আংকেল মা কে দিয়ে সেক্সী পোজ দেওয়ার নির্দেশ দিতে শুরু করলো। কুড়ি মিনিট ছবি তোলার পর আংকেল ফটোশুটের এঙ্গেল পরিবর্তন করলো। এতক্ষন মার দাড়ানো অবস্থায় ফোটো তোলা হচ্ছিলো। এইবার ফ্রেমের মাঝে একটা সুদৃশ্র কাঠের সোফা নিয়ে আসা হলো। ঐ সোফার উপর মা কে অর্ধেক বসানো অর্ধেক শোওয়া অবস্থায় সেট করে ফের ফোটো শুট আরম্ভ হলো। মার চুল হাওয়ায় উড়ছে এটা দেখানোর জন্য আংকেল একটা স্ট্যান্ড ফ্যান চালিয়ে দিলেন। ফ্যান অন করার পর দেখা গেলো, এটে শুধু মার চুল উড়ছে তাই না তার সাথে সাথে শাড়ির আঁচল ও বুকের উপর উড়ে সরে যাচ্ছে। আর মার ব্লাউজ টা তার বুকের উন্নত ভিভাজীকা সমেত ক্যামেরার লেন্সে র সামনে উন্মুক্ত হয়ে যাচ্ছে। ব্যাপার টা দেখে মা তো অস্বস্তি টে পড়েছিল সাথে আমার বাবাও লজ্জায় আর অপমানে মুখ অন্য দিকে ঘুরিয়ে নিয়েছিল। রু চিকা আণ্টি দের অবশ্য এই সবে কোনো হোল দোল ছিল না। ১০ মিনিট এই ভাবে চলবার পর আমার মা প্রথমবার ফোটো শুট চলা কালীন অবজেকশন করলো।
আংকেল সেটা ম্যানেজ করে ফোটো শুট চালু রাখলো। এইভাবে প্রথম খেপ এ একঘন্টা শুট করার পর আংকেল একটা ব্রেক নিলেন। ব্রেক চলাকালীন মা কে আবারো পাশের ঘরে গিয়ে চেঞ্জ করে আসতে হলো। এইবার অন্য লুকে অন্য ড্রেস পরা অবস্থায় ফোটো নেওয়া হবে এইরকম প্ল্যান ছিল। পরবর্তী বারের ড্রেস কোড ছিল একটা ব্রাইডাল লুকের শাড়ি ম্যাচিং স্লিভলেস ব্লাউজ। ওটা পড়ার পর মাকে নব বধূদের মতন সুন্দর লাগছিল। সোফার একপাশে একটা বালিশ নিয়ে আসা হলো। তাতে এক হাত সাপোর্টে রেখে প্রথমে বসে তারপর আধ শোওয়া অবস্থায় পোজ দিয়ে মার ফোটো নেওয়া শুরু হলো। আঙ্কল মায়ের বুক এর স্তন আর ভিভাজীকা স্পষ্ট ফুটে তুলবার জন্য কি একটা জেল স্প্রে করে নেওয়ালেন। এটে বুকের মেক আপ আরো আকর্ষণীয় হয়ে উঠলো।
কুড়ি মিনিট ব্রেক এর পর যখন আবার ক্যামেরা অন হলো প্রথমে ফ্রন্ট সাইড এ ফোটো তুলবার পর, আংকেল মা কে শাড়ি টা সামান্য সরিয়ে পিঠ ক্যামেরার লেন্সের সামনের দিকে পোজ দিতে বললো। মা অবজেকশন জানালো, এভাবে পোজ দিতে অসুবিধা ছিল। শাড়ির আঁচল তাও অনেক টা ছোট ছিল, বুক ঢাকতে গেলে কাধ বেরিয়ে আসছিল। ব্লাউজ টা র সেপ এর দিকে সবার চোখ গেলে মার অবজেকশন এর কারণ পরিষ্কার হলো। ব্লাউজ টা র পিছন পিঠের অংশ টা মাত্র এক ইঞ্চির ও কম এক ফালি একটা সরু কাপড় দিয়ে কভার ছিল। যেটা থাকা না থাকা দুই ই সমান ছিল। মা পেশাদার মডেল ছিল না । সবার সামনে নিজের পিঠ উন্মুক্ত দেখাতে ইতস্তত বোধ করছিলো। তার সংস্কার মূল্যবোধ তাকে এটা করতে বাধা দিচ্ছিল। আঙ্কল ছবি তুল বার জন্য একেবারে অনড় ছিলেন। মার মুখ লজ্জায় আর অসংকোচে লাল হয়ে গেছে দেখে বাবা আর থাকতে না পেরে আংকেল কে বলল প্লিজ মিস্টার সিনহা সুপ্রিয়া এসব ভাবে ছবি তুলতে অভ্যস্ত নয়। এইবার ওকে ছেড়ে দিন, অনেক ক্ষন ধরে ও আপনার কথা শুনে কাজ করেছে।”