কামিনী কাঞ্ছনের মোহ - অধ্যায় ৪

🔗 Original Chapter Link: https://xforum.live/threads/কামিনী-কাঞ্ছনের-মোহ.35823/post-2599376

🕰️ Posted on Sun Feb 21 2021 by ✍️ Fucku@ (Profile)

🏷️ Tags:
📖 698 words / 3 min read

Parent
৪. আমি মফস্বলের মেয়ে হওয়ায়,শিক্ষাগত যোগ্যতা খুব একটা বেশি ছিল না । মুম্বাই তাই মুম্বাই শহরে খাপ খাইয়ে নিতে আমার খুব অসুবিধা হচ্ছিল।ঠিক সেই সময় আমার দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয় আমার বর্তমান বয়ফ্রেন্ড মিস্টার অরবিন্দ । একটা সাধারণ ঘরের গৃহবধূ হাওয়াই অরবিন্দর আমার সাথে মাখামাখি করার ভাল চোখে দেখছিলাম না ।তারপর আস্তে আস্তে ,এর সাথে খাপ খাইয়ে নিলাম ।প্রথমে আমরা খুব ভালো বন্ধু ছিলাম ।কিন্তু পড়ে আমি তারপর আকৃষ্ট হয়ে পড়ি এবং শারীরিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ি ।আর এই শারীরিক সম্পর্ক থেকে বেরোনোর কোন রাস্তা খোলা ছিল না ,তাই সাত বছর আগে এক রাতে নিজ হাতে সব শেষ করেদিয়ে আসি।আরে দুঃখ ভুলতে আমি আরো কাজে মনোনিবেশ করি সাথে অরবিন্দ কে আঁকড়ে ধরি ।তার সাথে উন্মাদের মতো জীবন যাপন শুরু করি ,যেমন -ক্লাব, রেপার্টি, বার ।কারণ আর তো কেউ থাকলো না বাধা দেওয়ার বা পিছুটান হিসাবে ।তাই উন্মাদের মতো জীবন যাপন শুরু করি ।তার সাথে প্রতিনিয়ত ড্রিংকস, ড্রাগস, হুক্কা, টাকিলা এগুলো চলে । এতকিছুর পরেও আমি অরবিন্দ এতটাই আসক্ত হয়ে পড়িএতকিছুর পরেও আমি অরবিন্দ এতটাই আসক্ত হয়ে পড়ে যে তার উপর ডিপেন্ড করা শুরু করি এত কিছুর পরেও আমি অরবিন্দ এতটাই আসক্ত হয়ে পড়ে যে তার উপর ডিপেন্ড করা শুরু করি,,তাই খুব তাড়াতাড়ি আমি তাকেস্বামী আমাকে প্রচন্ড রকম ভালোবাসতো আমার জীবনের সঙ্গে জড়িয়ে চার হাতে আবদ্ধ হতে চলেছি।এই মিডিল ক্লাস মেন্টালিটি থেকে মুক্ত হয়ে এখন আমি শান্তিতে আছি ।নিজের মত স্বাধীনভাবে বাঁচছি কেউকে বলার বা কাউকে জবাবদিহি করার নাই ।জীবন ও যৌবন কে খুব ভালোভাবে উপভোগ করছি।এই কিছুক্ষণের মধ্যে পাশের ঘরে ডাক পড়বে সেখানে সাম মেরিন্ডা অরবিন্দ আর ডাইরেক্টরআমার আমরা একসাথে সেক্স পার্টি করব । এত কাজ এত উন্মাদ জীবন-যাপনের মধ্যেও রাত্রে ঘুমানোর সময় একটা মুখ শুকতারার মতো উদয় হয় ।প্রতিদিন তার জন্য চোখ দিয়ে দুফোঁটা জল গড়িয়ে পড়ে ।তাকে আবার কাছে পাওয়ার চোখে দেখার একবার দু'হাত দিয়ে জড়িয়ে ধরার বাসনা জেগে উঠে ।আর এই ব্যক্তি কেউ নয় আমার প্রথম ভালবাসার একমাত্র চিহ্ন আমার ছেলে রাহুল ।আমি তাকে নিজের দোষে হারিয়েছি ।রহুল আমাকে খুব ভালোবাসতো আমিও তাকে সমপরিমাণ ভালবাসতাম ।আমাকে ছাড়া আমাকে জড়িয়ে না ধরে একরাত্রি সে ঘুমাতে পারতো না ।আমি ছিলাম তার একমাত্র পৃথিবী ।আমি ছিলাম তার এই পৃথিবীতে একমাত্র বিশ্বাসের আধার ।আর আমি সেই বিশ্বাসের সরলতার সুযোগ নিয়ে এই কাজ করেছি ।এ পাপ কর্মের শাস্তি আমি আমার নিজের বাকি জীবন দিয়েও কোথায় শোধ করতে পারব না ।সেই সময় একটি ঘটনায় মাথা ঠিক ছিল না তাই ভুল করে বসি ।কারণ সেই সময় আমি অরবিন্দর উপর আসক্ত হয়ে উন্মাদের মতো জীবন যাপন করে এই মিডিল ক্লাস ভ্যালুতে খাপ খাইয়ে নেওয়া আমার কাছে অসহ্য হয়ে উঠেছিল ।মনে হতো একবারটি উটকো পূজা তাই তাকে সহজে ছেঁটে ফেলতে চেয়েছিলাম ।আমার স্বামী আমাকে প্রচন্ড রকম ভালোবাসতো সে আমাকে কিছুতেই মুক্তি দিতে চাইছিল না ।তারপর ছেলের করা এক কান্ড আমার মাথা খারাপ হয়ে যায় আমি হিতাহিত জ্ঞানশূন্য হয়ে পড়ি এবং পরিশেষে আমার বর্তমান কাছের লোকের পরামর্শে আমি অভিনয় শুরু করি ।এরপর সেই ভয়ঙ্কর রাত ,সেই রাতে আমি সবকিছুর ঊর্ধ্বে গিয়ে আমার অতীত আমার ভাললাগা আমার মাতৃত্ববোধ তার সাথে অসহ্য মিডিল ক্লাস সেন্টিমেন্টের উপর যবনিকা টানি ।সেদিনটি ছিল একটি বিশেষ দিন ,সেদিন ছিল আমার ছেলে রাহুলের জন্মদিন ।সে 18 বছরে পদার্পণ করেছিল ।এই পাপ কাজে আমি পুরোপুরি দায়ী না থাকলে অংশীদারি ছিলাম ।এই রকম কোন ঘটনা হতে চলেছে আমার চিন্তা ভাবনার বাইরে ছিল ।এই ঘটনার মাস্টারমাইন্ড ছিল মিটার মিরিন্ডা ও অরবিন্দ ।তারা দুজন এ ঘটনা ঘটায় শুধু আমাকে কাছে পাওয়ার জন্য ।আর আমিও উন্মাদ জীবন-যাপন করার জন্য তাদের কথামতো চলেছিলাম ।আমিও উন্মদ জীবনযাপনের জন্য তাদের কথামতো চলেছিলাম ।পরে তাদের বিরুদ্ধে মুখ খুললেল আমি ছাড় পেতাম না ।এই ঘটনার পর আমি খুব ভেঙ্গে পড়েছিলাম আমি সব ছেড়ে কলকাতায় ফিরে আসতে চেয়েছিলাম কিন্তু সেটা আর হয়ে উঠেনি ।আরে এত কিছুর মধ্যে একটি খারাপ খবর হল মৃত বলে ঘোষণা করেছে ।তাদের কাছে আমার কোনো অস্তিত্বই নেই । তাদের সাথে আমি কন্টাক করলে তারা কি কথা বলে যে আমাদের মেয়েদের দেরবছর আগে এক বিস্ফোরণে মারা গিয়েছে। ফ্ল্যাশব্যাক,,,,, কলকাতা- হ্যালো কে বলছেন? নিশা -আমি কি রাহুলের দিদার সাথে কথা বলছি । মা -হ্যাঁ বলুন । নিশা -মিস মোহিনী লাইনে আছেন আপনার সাথে কথা বলতে চান । মা- দুঃখিত আমি অপরিচিত কারো সাথে কথা বলি না । নিশা -ম্যাডাম বিষয় নিয়ে আপনার মেয়ে । মা- দেখুন আমি আপনাকে চিনি না ,কেন আমাকে জ্বালাতন করছেন ।আমি শোকাহত আমার আপনজনদের হারিয়ে ।কোন ডাইনি আমার মেয়ে হওয়ার যোগ্য না । এই বলে কল কেটে যায় ,নিশা এসে আমাকে জানাতেই প্রথমে দুঃখ হয় পরে মাথা
Parent