কামিনী কাঞ্ছনের মোহ - অধ্যায় ৫
এই বলে কল কেটে যায় ,নিশা এসে আমাকে জানাতেই প্রথমে দুঃখ হয় পরে মাথা খারাপ হয়ে হিতাহিত জ্ঞানশূন্য হয়ে নিজের কল করি । 3 ব্যর্থ হওয়ায় চতুর্থ বারের চেষ্টায় সক্ষম হই। কথোপকথন,,,,,,
মা- কে বলছেন?
মোহিনী- মা আমি বলছি।
মা- কি বলছেন আমি চিনতে পারছিনা দয়া করে নামটা বলবেন?
মোহিনী - মা আমি সুপ্রিয়া।
মা -সুপ্রিয়া বলে একটি দীর্ঘ নিঃশ্বাস ছাড়ে ,কাকে চান আপনি ?
মোহিনী -এইভাবে কেন কথা বলছো ।
মা- দুঃখিত আমি কারো মানই ,আমার মেয়ে আজ থেকে দেড় বছর আগে মারা গেছে ।
মোহিনী -মা!!!!বলে আর্তনাদ করে ওঠে ।তুমি এইসব কী বলছো ।
মা - হ্যাঁ ঠিকই বলছি আর আপনি যা শুনেছেন ঠিকই শুনেছেন ।
মোহিনী -আমাকে এভয়েড করো না মা তোমরা ছাড়া আমার আর কেউ নেই ।
মা - একদম চুপ ,নিজের সুখের জন্য নিজের স্বামী সন্তানকে হত্যার মতো ঘৃণ্য কাজ করা ডাইনি বেশ্যার মুখে মা ডাক শোনার আগে যাতে আমার মৃত্যু ঘটে ।
মোহিনী -ঠিক আছে আমি আর তোমাকে কখনো ফোন করে জ্বালাতন করবো না ,তবে বাবার বয়স হচ্ছে তাই প্রতি মাসে আমি তোমাদের খরচ পাঠিয়ে দেব ।
মা -এইরকম হারামের ধন-দৌলত এ আমরা পেচ্ছাপ করি , আমরা ভিক্ষা করে খাব তবু আপনার এপাপের পয়সায় হাত দেবনা আমরা ভিক্ষা করে খাব তবু আপনার এপাপের পয়সায় হাত দেবো না।
মোহিনী - মোহিনী কিছুটা এবার রেগে যায় ,রেগে সে বলে -কিসের পাপের পয়সা রীতিমতো কেটে রক্ত জল করে পয়সা উপার্জন করি ।
মা জোরে হেসে উঠে মোহিনী ঘাবড়ে যায় ।
মা -দেখলেন তো মিলল আমার কথা আপনি আমার মেয়ে হতেই পারেন না ,কারন আমি আমার মেয়েকে কোনদিনও এমন শিক্ষা দিই নি যে বাবা মায়ের উপরে উঁচু উঁচু গলায় কথা বলবে ।
মোহিনী - এবার কিছুটা রেগে বলে -থাকো তোমরা তোমাদের মিডিল ক্লাস মেন্টালিটি নিয়ে আর পচে মর ।
বলে ফোনফোন কেটে দিয়ে আমি ।এরপর আমি কান্না শুরু করি আর ভাবি আমি একি বলে ফেললাম ।পরক্ষণে কল করলে নট রিচেবল বলে ।বেশ কয়েকবার চেষ্টা করল একই অ্যান্সার দেওয়াই আমি হাল ছেড়েদি।এরপর বেশ কয়েকদিন কল করলে কি আনসার দেওয়াই শেষমেষ আমি হালছেড়ে দি ।কিন্তু প্রতি মাসে আমি ঠিক টাকা পাঠিয়ে দিতাম ।।।।।।।।।