কামিনী কাঞ্ছনের মোহ - অধ্যায় ৯

🔗 Original Chapter Link: https://xforum.live/threads/কামিনী-কাঞ্ছনের-মোহ.35823/post-2661138

🕰️ Posted on Tue Mar 09 2021 by ✍️ Fucku@ (Profile)

🏷️ Tags:
📖 470 words / 2 min read

Parent
ডিনার পার্টির পর একসপ্তাহ ও কাটলো না। রুচিকা আন্টির হাসব্যান্ড ভদ্রলোক তার স্ত্রী কে নিয়ে আমাদের বাড়িতে এমন একটা লোভনীয় প্রস্তাব দেয়। যেটা টে তখন না করে দিলে আমার আজ মনে হয় আমাদের পরিবার টা এইভাবে ছার খার হয়ে যেত না। রুচিকা আন্টির হাসব্যান্ড আমার বাবাকে বললেন, দাদা যদি কিছু মনে না করেন আপনাদের ফ্যামিলি ইনকাম মাসে কত হয় বলতে পারেন। বাবা সেটার উত্তর দিতে ঐ আঙ্কল আবার বললো, ” বুঝতেই পারছি, কি কষ্ট করে আপনাদের চালাতে হচ্ছে, আচ্ছা আপনাদের এই পুরনো বাড়ি ছেড়ে আমাদের মত একটা ঝা চক চকে নতুন ফ্ল্যাটে উঠে আসতে মন চায় না। শুনেছেন বোধ হয় ঐ ফ্ল্যাট টা গেলো সপ্তাহে আমরা কিনে নিয়েছি।” বাবা: হ্যা ইচ্ছা তো করে ,কিন্তু টাকা কোথায় পাবো। প্রভিডেন্ট ফান্ডের কটা টাকা সম্বল।।টেও সুপ্রিয়া সেলাই করে চালিয়ে নিচ্ছে বলে কিছুটা বাঁচোয়া। এখন বাবু বড়ো হচ্ছে। আর আমাদের এই একতলা বাড়িতে ঘর ও কম।” আঙ্কল: আপনি চাইলে আমাদের আবাসনে নতুন ফ্ল্যাট মাত্র এক সপ্তাহের মধ্যে বুক করতে পারেন। তার জন্য বৌদি যে আই মিন আপনার মিসেস কে কাজ করতে হবে। আপনাদের কোনো অভাব থাকবে না। গাড়ি বাড়ি ব্যাংকে টাকা সব হবে।” বাবা: সুপ্রিয়া কি কাজ করবে? O তো পড়াশোনা খুব বেশি দূর করে নি। জব পেলে আমার কোনো আপত্তি নেই। আঙ্কল: এটা একটা বিশেষ ধরনের জব। এখানে কাজের নির্দিষ্ট কোনো ১০ টা পাঁচ টা r সময়ের হিসেব নেই। বাবা,: কি কাজ শুনি না। আঙ্কল : দাদা যদি কিছু মনে না করেন আমি বৌদি কে নিয়ে একটা মডেলিং ফোটো শুট করতে চাই। ওনার মত ফ্রেশ ঘরোয়া একটা সুন্দর মুখ একটা অ্যাড ক্যামপেইনে লাগবে। যেটা আমি কিছুতেই পারছি না। বৌদি এই প্রোজেক্ট টায় অটোমেটিক চয়েজ মাত্র ১-২ ঘণ্টার কাজ। প্লিজ না করবেন না। ফটো শুট টা আমাদের ফ্ল্যাটেই হবে। দুটো পারফেক্ট শটের জন্য প্রোজেক্ট টা আছে। আমি চাই বৌদি কে এখানে একটা চান্স দিতে তারপর বৌদি যদি কমফোর্ট ফিল করে সে ক্যারি অন করবে আর না করলে আই প্রমিজ আর কোনোদিন এই বিষয়ে আপনাদের কে বিরক্ত করবো না।” বাবা এসব কথা শুনে অবাক হয়ে মায়ের দিকে তাকালো। মা মাথা নাড়ছিল। সেটা দেখে রুচিকা আণ্টি মায়ের কাছে এসে বললো, ” তুমি ভয় পাচ্ছো কেন, একবার ট্রাই করতে দোষ কি? তুমি সেলাই করে যে টাকা টা মাস গেলে সংসারে দাও তার ১০ গুন টাকা তুমি ঐ দু ঘণ্টা ক্যামেরার সামনে দাড়িয়ে রোজগার করতে পারবে। এমন সুযোগ আর পাবে? নেহাত হাতে একদম সময় নেই বলে নতুন মডেল না খুঁজে তোমার কাছে ছুটে এসেছি না হলে এই কাজ টা করতে যেকোনো মডেল মুখিয়ে থাকতো।” মা রুচিকা আন্টির কথা শুনে চুপ করে ছিল। আঙ্কল বাবা কে বোঝাতে লাগলো,” মার মতন ঘরোয়া সুন্দর ফ্রেশ একটা মুখ তার অ্যাড ক্যাম্পেইন এ কত ভালো ভাবে মানিয়ে যাবে। এই প্রজেক্টে মার দুটো ছবি মুম্বাই থেকে প্রকাশিত একটা প্রথম সারির ফ্যাশন এবং ওম্যান ম্যাগাজিন এ অ্যাড পিকচার হিসাবে publish hobe। সব থেকে বড় কথা এই শুটিং এর জন্য কোনো স্টুডিও তে যেতে হবে না। আঙ্কল দের ফ্ল্যাটেই ফোটো শুট করবার সব রকম ব্যাবস্থা ছিল।
Parent