মেয়ের বন্ধু - অধ্যায় ৩
দীপ আসে। আমি তখন বেশীর ভাগ কমপিউটার নিয়ে থাকি হাফ প্যান্ট পরে বসে। ও এসে বসে। গল্প করে। আর ওর একটা জিনিস লক্ষ্য করেছি ও বসে বসে মাঝে মাঝেই আমার থাইতে হাত বোলায়। আমার শরীরে আগেই বলেছি লোম কম। এমনকি আমার দাড়ি গোঁফ ও নেই। আমার পাশে বসে গল্প করে আর আমার শরীরের খোলা অংশে হাত দেয়।
দরজা বন্ধ করে আমি বসি ঘরে বলে কেউ আসে ও না। দীপ সেটা মজা পায়।
আমি ওর সাথে ক্রিকেট নিয়ে আলোচনা করলে খুব উৎসাহিত হয়। ওর খেলার ব্যাপারে জানতে চাইলে আনন্দ করে বলে আমি আরও উৎসাহিত দি। বিভিন্ন কথা হয়। সপ্তাহে একবার ওরা আসেই।
একদিন কথা বলতে বলতে।
দীপ: কাকু তোমার থাইটা কি নরম গো। মাখনের মতো।
আমি: তাই?
দীপ: হ্যাঁ তো। তোমার হাতগুলোও কি সুন্দর ফর্সা আর কি নরম।
আমি হাসি।
প্রতি সপ্তাহে এসেই দীপ কিছু না কিছু আবিষ্কার করে আমার। আর আমি ওকে কিছু বলি না তাই ওর ও যেন আস্তে আস্তে নিজেকে আমার কাছে মেলে ধরার উৎসাহ বাড়ে। প্রতিদিনই অন্য কথার সাথে আমার ব্যাপারে ওর কিছু না কিছু নতুন কথা থাকে।
আমার প্রচ্ছন্ন আসকারাতে ওর সাহস বাড়ে। সত্যিই বলতে দীপকেও আমার বেশ লাগে।
ভাল লাগার কারণ যে ও বিভিন্ন বিষয়ে কথাও বলে। ক্লাস ইলেভেন পড়ে। খেলায় খুব ভাল। পড়াশোনাতেও স্ট্যান্ড করে।
আমার খুবই অল্প বয়সে বিয়ে হয়। আমি তখন সবে চাকরিতে ঢুকেছি। আমার আর মণিকা র দুজনেরই বয়স ছিল একুশ। পরের বছর মেয়ে হয়। তারপর মণিকা নিজের চেষ্টায় হায়ারস্টাডি করে। এখন চাকরির সূত্রে বিদেশে যাচ্ছে মেয়ে কে নিয়ে।
আমার বয়স এখন তেতাল্লিশ। কিন্তু মনে হয়না। ত্রিশ-একত্রিশ মনে হয়।
শ্বেতা র সাথে আমার বৌয়ের আলাপ হয় বেশ কিছুদিন। পিয়ালির সাথে অন্বেষা র বন্ধুত্বের সূত্রে। কিন্তু দীপ আসছে আজ এই এক বছর। মাধ্যমিকের পর থেকে।