onno rokom vai bon - অধ্যায় ১৩
তবে, সুমন আর তপা পাশাপাশি শুয়ে মৈথুন করতে গিয়ে নুতন কিছু আবিস্কার করতে পারলো। তা হলো,নিজেদের দেহে, অজানা এক আগুনের শিখাই অনুভব করতে থাকলো। সেই আগুন দেহে যেমনি শিহরণ জাগিয়ে তুলতে থাকলো, মনে রোমাঞ্চতাই জাগিয়ে তুলতে থাকলো। তপা যেমনি কৌতুহল নিয়ে, সুমনের নুনুর দিকে তাঁকিয়ে তাঁকিয়ে, নিজ যোনীতে আঙুলী সঞ্চালন করে করে, তৃপ্তির কিছু মূহুর্তে হারিয়ে যাচ্ছিলো,সুমনও তেমনি, চোখের সামনে তপার চমৎকার চেহারা,বক্ষ দেখে দেখে, মৈথুন করে করে প্রচন্ড সুখের সাগরেই হারিয়ে যেতে থাকলো। তপার বাড়ন্ত দেহের চমৎকার উঁচু বক্ষ, মৈথুনের জন্যে সত্যিই চমৎকার কিছু হাতিয়ার! যার জন্যে তার নুনুটা শুধু দৃঢ়তাই পেয়ে যেতে থাকলো। সেই সাথে, নুতন কিছু শেখার সুযোগ দেবার জন্যে আদরের ছোট বোনটিকে, মনে মনে অনেক ধন্যবাদও জানাতে থাকলো।
সুমনের নুনুতে হঠাৎই কি ঘটে গেলো, সে নিজেও বুঝতে পারলো না। কেমন যেনো এক ধরনের ঘন সাদা তরল গুচ্ছাকারে শূন্যে নির্গত হতে থাকলো। যার একটা চাকা পুনরায় পতিত হয়ে, তপার ঠিক পেটে এসে পরলো। তপা খুব কৌতুহলী হয়েই সেই দৃশ্য দেখতে থাকলো।
সুমনের নুনু থেকে গুচ্ছাকারে তরলগুলো ছিটকে বেড়োনোর সময়, সে এক অজানা অনাবিল শান্তির অনুভূতিই অনুভব করলো। যে শান্তি সে তার জীবনে এই প্রথমই অনুভব করেছে। তপা অস্ফুট গলাতেই বলে উঠলো, মাই গড! এমন করে বেড় হয় বুঝি ছেলেদের গুলো!
তপার কথা সুমনের কানে পৌছুলো ঠিকই। তবে, উত্তর দেবার মতো কোন ফুরসৎ ছিলো না। সে তার নুনু থেকে হাতটা সরিয়ে, প্রায় হাত পা ছড়িয়ে, এক স্বর্গীয় সুখে নেতিয়ে পরলো। সুমন লক্ষ্য করলো, তপা উঠে বসলো। সে খুব কৌতুহলী হয়ে, সুমনের ক্রমে ক্রমে সংকুচিত হয়ে আসা নুনুটা পর্যবেক্ষন করছে। সে আরো কৌতুহলী হয়ে, প্রায় সংকুচিত হয়ে আসা সুমনের নুনুটা দু আঙুলে চেপে ধরলো। তপার নরোম আঙলের স্পর্শ পেয়ে,সুমনের নুনুটা আবারও চরচরিয়ে উঠতে থাকলো। তপা বিড় বিড় করেই বললো, বাহ! বেশ মজার তো!
কিশোর কিশোরীদের মনে বোধ হয়, নুতন নুতন অদ্ভুত চিন্তা ভাবনা এসেই হাজির হয়। সেদিন রাতেও পড়ালেখায় মন বসছিলো না তপার। পড়ালেখায় মন বসলে, টেবিলের উপর অনেকেই ঝিমুতে
থাকে। অথচ, তেমনি ঝিমুনীও নেই শুধুমাত্র অপেক্ষা করছে, রাত দশটার দিকে সুলেখার শেষ টহলটার জন্যেই।
প্রতি সকালে সুলেখা যেমনি গোসলটা নিজ হতেই করিয়ে দেয়, ঠিক তেমনি প্রতি রাতেই সুলেখা এই ঘুমুনোর জন্যে শেষ নির্দেশটা দেবার দায়ীত্বও ঠিকমতো পালন করে। তপা আর সুমন ঘুমিয়ে পরলেই সে তার নিজ রাতের বিচরনে উঠে পরে লাগে।
সুমন অংক করছিলো খুব মনোযোগ দিয়েই। তপা হঠাৎই বললো, দাদা, এক কাজ করলে কেমন হয়?আমরা যদি ঘরের ভেতর নগ্ন হয়ে চলাফেরা করি,ব্যাপারটা কেমন হবে?
সুমন অবাক হয়ে বললো, আইডিয়া টা খুব খারাপ না। বাবা, সুলেখা, মায়া দিদি এরাও তো রাতের বেলা নগ্ন হয়েই বিচরন করে। আমরাই শুধু গোসলের সময় সকালে ন্যাংটু হই। সবই কেমন যেনো উল্টু! আমার আপত্তি নেই। তাহলে এখুনি পোষাক খুলে ফেলি।
তপা বললো, দূর বোকা! গোসলের সময় মুরুব্বীদের সামনে ন্যাংটু হলেও লজ্জা নেই। সুলেখা অনেকটা আমাদের মুরুব্বী। কিন্তু বড়রা তো আর কারো সামনে ন্যাংটু হয় না। এতে করে লজ্জা আছে।
সুমন বোকার মতোই বললো, কেনো, বাবা সুলেখা, মায়া দিদি, এরাও তো বড়। রাতে যখন তাদের ঘরে চুপি দিই,তখন তো তাদের ন্যাংটুই দেখি!
তপা বললো, সেটাই তো তোমাকে বুঝাতে চাইছি। বড়রা রাতে সবাই ন্যাংটুই থাকে। তবে গোপনে। কেউ তো আমাদের সামনে ন্যাংটু থাকছে না। আমরা চুপি চুপিই তা দেখি।
সুমন বললো, ঠিক আছে, তাহলে সুলেখা বাবার ঘর থেকে বেড়িয়ে নিজ ঘরে ফেরার পর, আমরা ন্যাংটু হবো।
তপা বললো, না, এতক্ষণ জেগে থাকলে আমার বোর লাগবে। আমরা বরং সুলেখা যখন আমাদেরকে ঘুমিয়ে পরার জন্যে বলতে আসবে, তখন সাথে সাথে শুয়ে পরে ঘুমের ভান করে থাকবো। আমরা ঘুমিয়ে পরলে, সুলেখা আর আমাদের ঘরে আসবে না।
অবুঝ দুটি কিশোর কিশোরী তাই করলো। সুলেখা যখন এই দুটি কিশোর কিশোরী ঘুমিয়ে পরেছে কিনা,শেষবারের মতো টহলটা শেষ করে, চুপি চুপি পরিমল বাবুর ঘরে গিয়েই ঢুকলো, তখন তারা দুজন আবারো ঘুম থেকে উঠে, নিজেদের পরনের পোষাক সব খুলে ফেললো। পুরোপুরি নগ্ন দেহে, দুটি কিশোর কিশোরী বেশ স্বছন্দেই চলাফেরা আর চাপা হাসিতেই ফেটে পরছিলো। আর সুমনের নুনুটা তপার চমৎকার কাগজী লেবুর আকৃতির কিশোরী স্তন যুগল দেখে উষ্ণ হয়ে উঠতে থাকলো। সুমনের এই দাঁড়িয়ে যাওয় নুনুটা দেখে তপারও লোভ জাগলো ধরতে। তপা সুমনের নুনুটার দিকে তাঁকিয়ে তাঁকিয়েই বললো, আমি যদি তোমার নুনুটা একবার মাষ্টারবেইট করে দিই, তুমি কি মাইণ্ড করবে?
সেদিন তপার পাশাপাশি শুয়ে, তার কথা মতোই নিজের নুনুটা নিজেই মাষ্টারবেইট করেছিলো সুমন। তখন তার নুনুটা কিভাবে, কি কি করলো, নিজেও খেয়াল করতে পারেনি, বুঝতেও পারেনি। তবে, ব্যাপারটা বেশ মজার ছিলো। সে নিজেও ব্যাপারটা খুব ভালো করেই দেখতে চায়। তপা যদি তার নুনুটা মাষ্টারবেইট করে দেয়,তাহলে তো দেখাটা খুব সহজই হয়বে। তাই খুব সহজভাবেই বললো, মাইণ্ড করার কি আছে?
তপা, সুমনের নুনুটা দু আঙুলে চেপে ধরেই নেড়ে চেড়ে দেখলো কয়েকবার। তার এই নাড়া চাড়াতে সুমনের নুনুটার শুধু দৃঢ়তাই বাড়ছিলো। তপা তার হাতের বৃদ্ধাঙুলীটা সুমনের নুনুটার মাথায় ঠেকিয়ে ঘষতে থাকলো। তার দেহে অজানা এক যৌন উদ্দীপনাই যেনো জেগে উঠতে থাকলো। সেই সাথে নুনুটা শুধু কম্পিত হতে থাকলো। তপা খিল খিল হাসি হেসে বললো, খুবই মজার!
সুমন বললো, কি?
তপা তার হাতের মুঠেতে, সুমনের নুনুটা খানিকটা শক্ত আবার খানিকটা ঢিলে করে ধরে ধরে বললো, আমার হাতের মুঠিতে তোমার নুনুটা কেমন যেনো খেলছে!
সুমন কিছু বলতে পারলো না। তবে, তপার দুষ্টুমীগুলো ভালোই লাগছে তার। তপা বললো, আহা আমি যদি ছেলে হতাম, তাহলে কি মজাটাই না হতো!
সুমন অবাক হয়েই বললো, কেনো?
তপা বললো, কেনো আবার? কি চমৎকার একটা খেলনা ছেলেদের থাকে! ইচ্ছে করলেই, যে কোন সময় এটা নিয়ে খেলা করতে পারে! আমি যদি ছেলে হতাম, তাহলে একা একা যদি বোর লাগতো, তাহলে এটা নিয়ে শুধু খেলতাম। এখন যা করতে হয়, আঙুলী ঢুকিয়ে ঢুকিয়ে খোঁচাখুচি করতে হয়। আমার বিরক্তি লাগে!
তপা খানিকটা থেমেই বললো, তোমার যখন বোর লাগে,তখন এটা নিয়ে খেলতে ইচ্ছে হয়না?
সুন্দরী মেয়েদের চমৎকার ঠোট কিংবা বক্ষ দেখলে,সুমনের নিজের অজান্তেই নুনুটা দাঁড়িয়ে পরে। তবে, তা নিয়ে যে খেলা করা যায়, কখনো ভেবে দেখেনি। সে না বোধকই মাথা নাড়লো। তারপর, বললো, এমন কোন খেলনা হয় নাকি?
তপা বললো, দাদা, তুমি আসলেই বোকা! খেলনা নয় তো কি? একবার সংকুচিত হয়, একবার প্রসারিত হয়,নিজ দেহে এমন কিছু তো শুধু ছেলেদেরই থাকে। মেয়েদের বেলায় তো সে সুযোগ নেই।
সুমন বললো, কেনো? মেয়েদের দুধুও খেলনার মতোই। আমার কিন্তু খুবই খেলতে ইচ্ছে করে!
তপা বললো, ছেলেদের তা মনে হতে পারে! তবে, নুনুর মতো তো দুধু এমন লাফালাফি করে না!
তপার কথা শুনে, সুমনের নুনুটা যেনো আরো লাফালাফি শুরু করে দিলো।
যৌনতার আসল ব্যাপারগুলো যে কি, এই তেরো বছর বয়সের সুমনের সত্যিই ভালো জানা ছিলো না। তার মনে হয়, তার বয়সের অনেক ছেলেদেরই এসব জানার কথা নয়। তবে, এমন একটা বয়সে মেয়েদের দেহের উপর বেশ কৌতুহলই থাকে। পর্নো বই ম্যাগাজিন গুলো কোথা থেকে যেনো সংগ্রহ করে, লুকিয়ে লুকিয়ে, চুপি চুপি পড়ে! বন্ধুরা যখন ক্লাশের পেছনের বেঞ্চে বসে চুপি চুপি সেসব বই পড়ে, তা সুমনের চোখেও পড়েছে। সেসব বইতে নর নারীর নগ্ন ছবিও থাকে। এমন কি মেয়েদের যোনীর ভেতর ছেলেদের নুনু ঢুকিয়ে রেখেছে,তেমন ছবিও থাকে। তবে কি সুমনও সেসব ছবির মতোই তপার ছোট্ট যোনী ঢুকানোর জন্যে তেমনি একটা জগতের দিকেই এগুচ্ছে? তার কেনো যেনো মনে হতে থাকলো, সেটা এক ভিন্ন জগত! সবাই সে জগতটাকে লুকিয়ে রাখতে চায়!
সেদিন সে আর তপা যখন পাশাপাশি শুয়ে পরস্পরের সামনা সামনি উভয়েই মৈথুন করেছিলো, তখন এখন যে সুখটা অনুভব করেছিলো, সেটাই বুঝি যৌন সুখ। আর এখনও তপার হাতের মুঠোয় তার নুনুটা থেকে থেকে এক ধরনের সুখই অনুভব করছে। তবে, সেদিন নিজে নিজে মৈথুন করার চাইতে, অনেক অনেক ভিন্ন। তপার তুলতুলে নরোম হাতের ছোয়া! তার নুনুটাকে যেনো ভিন্ন ধাচের এক সুখের আদর বুলিয়ে দিতে থাকলো। সে আর কোন কথা বলতে পারছিলো না।
তপা খুব মনোযোগ দিয়েই সুমনের নুনুটা পর্যবেক্ষন করে করে, ধীরে মৈথুন করতে থাকলো। আর বলতে থাকলো, হুম যা ভেবেছিলাম, নুনুটাকে মৈথুন করলে আরো বড় হয়!
এই বলে তপা আরো জোড়েই সুমনের নুনুটা মৈথুনে ব্যস্ত হয়ে পরলো। আর দেখতে থাকলো, কতটা বড় হয় সুমনের নুনুটা। তেরো বছর বয়সের কিশোর সুমন। তার ছোট্ট নুনুটা বড় হলে আর কতটুকুই বড় হবে। তবে,প্রচণ্ড সুখের শিহরণই বয়ে যেতে থাকলো তার সারা দেহে। এবং তার গলা থেকে সেই স্বর্গীয় সুখ প্রকাশের শব্দই বেড়োতে থাকলো। সেই আনন্দ প্রকাশের সাথে সাথে, তার নুনুটা থেকে কলাৎ কলাৎ করেই বীর্য্য ছিটকে ছিটকে পরতে থাকলো মেঝের উপর।
সুমনের কেনো যেনো মনে হতে থাকলো, এসব ব্যাপার নিজে নিজে করার চাইতে একে অন্যকে করে দেয়াটাই বুঝি অনেক আনন্দের, অনেক সুখের। সেদিন বিছানায় শুয়ে শুয়ে, তপার নির্দেশে নিজে নিজে মৈথুন করার চাইতে শত গুনের সুখই অনুভব করেছে, যখন তপা তার নুনুটা মৈথুন করে দিয়েছিলো। অথবা, তপাও বোধ হয় তার যোনীতে সুমন যেনো ফিঙারীং করে দেয়, সেই আশাতেই সুমনের নুনুটা মৈথুন করে দিয়েছে। সে যেমনি স্বর্গীয় অনাবিল এক অনুভুতি অনুভব করেছে,তেমনি অনুভুতি তো তপাকেও উপহার দেয়া উচিৎ। সে যদি তপার যোনীতে আঙুলী সঞ্চালন করে দেয়, তাহলে তপাও বোধ হয় প্রচণ্ড তৃপ্তির অনুভূতিই খোঁজে পাবে। নইলে নিজেকে শুধু স্বার্থপরই মনে হবে। সুমন বললো,এবার আমি তোমার নিম্নাংগে হাত রাখি?
তপা বোধ হয় এই ক্ষণটির জন্যেই অপেক্ষা করছিলো কাতর হয়ে। সে লাজুকতা মিশ্রিত কামনার চোখে,সুমনের দিকে তাঁকিয়ে হাসলো শুধু। সুমন তার কামনায় সাঁড়া দিয়ে বললো, ঠিক আছে, তুমি এবার শুয়ে পরো। তোমার মতো চমৎকার করে হয়তো কিছু পারবো না। তবে, চেষ্টা করে দেখি।
তপা চিৎ হয়ে শুয়ে পরলো হাঁটু দুটো ভাজ করে,খানিকটা ছড়িয়ে। চমৎকার একটা কচি যোনী, অথচ প্রচণ্ড তৃষ্ণার্তই মনে হলো সুমনের কাছে। সে তার হাতটা তপার যোনীর কাছাকাছি এগিয়ে নিতেই কেমন যেনো কেঁপে কেঁপে উঠলো। সেদিন গোসলের সময় তপার গায়ে সাবান মাখতে গিয়েও এমন করে কেঁপে কেঁপে উঠেছিলো। মেয়েদের দেহে কি থাকে কে জানে? হাত দিয়ে ছুয়ে দেখতে ইচ্ছে করে, অথচ মনের মাঝে একটা সংশয় আর ভয় কাজ করে। সুমন কাঁপা কাঁপা হাতেই,প্রথমে তার যোনীর চার পাশ ঘিরে আঙউলী দিয়ে বিলি কেটে দিলো একবার।
যোনীতে সুমনের আঙুলের স্পর্শটা পেয়েই তপার দেহটা কেমন যেনো শিউরে উঠলো হঠাৎ করেই। সে চোখ বন্ধ করে সেই শিহরন টুকু সহ্য করে নিতে চাইলো। সুমন তার আঙুলীর ডগাটা দিয়ে, যোনী পাপড়ি দুটি দুপাশে ছড়িয়ে, পাপড়ি দুটির মাঝেই আঙলীর ডগাটা ঘষতে থাকলো। সুমনের মনে হলো, তপা বোধ হয় আরো কিছু চাইছে। কেনোনা তার দেহটা রীতীমতো ছটফট করছে। সুমন অনেকটা সাহসী হয়েই তপার যোনীর ভেতর নিজের হাতের মধ্যাঙুলীটা প্রবেশ করিয়ে দিলো ধীরে ধীরে। উষ্ণ একটা ছোট্ট কুয়া। রসে ভরপুর! সেই কুয়ায় সুমনের আঙলীর অস্তিত্বটা পেয়ে আরো বেশী ছটফট করতে থাকলো তপা। সে তার মাথাটা এদিক ওদিক দোলাতে থাকলো শুধু।
সুমন তপার যোনীর ভেতর তার মধ্যাঙলীটা একবার ঢুকিয়ে, আবার বেড় করে, আবারো ঢুকিয়ে সঞ্চালন করতে থাকলো ধীরে ধীরে, যা সব সময়ই তপা তার নিজের আঙুলী দিয়ে করে থাকে। তপার নিঃশ্বাস খুব ঘণ ঘণ হয়ে উঠতে থাকলো। সে বিড় বিড় করে বলতে থাকলো, আরো, আরো জোড়ে।
তপাকে খুশী করার জন্যে, সুমন তার আঙুলী সঞ্চালনের গতিটা খানিকটা বাড়িয়ে দিলো। তপা চোখ বন্ধ করেই সুখের এক অনুভূতিই যেনো উপভোগ করতে থাকলো,দেহটাকে বিছানার উপর এপাশ এপাশ করে। এক ধরনের উত্তেজনায় মুখ থেকে কঁকিয়ে উঠা শব্দও বেড় হতে থাকলো। সুমন তার আঙুলী সঞ্চালনটা বন্ধ রেখে বললো, তপা, তোমার কি ব্যাথা করছে?
তপা অস্ফুট গলাতেই বললো, দূর বোকা! ব্যাথা পাবো কেনো? খুব সুখ পাচ্ছি! আরো জোড়ে জোড়ে করো!
তপা যেমনি কিছুক্ষন আগে সুমনের নুনুটা মৈথুন করে স্বর্গীয় এক সুখ উপহার করেছিলো, তেমনি স্বর্গীয় সুখ তপাকেও উপহার করতে ইচ্ছে হলো। সে তার আঙুলীটা তপার যোনীতে প্রচণ্ড গতিতেই সঞ্চালিত করতে থাকলো। তপাও যেনো সুখের সাগরে হারিয়ে যেতে যেতে, সুখের অজানা ভাষাতেই গোঙানো ভরা শব্দ বেড় থাকলো মুখের ভেতর থেকে। সেই সাথে,সুমন অনুভব করলো, তপার যোনীর ভেতরটা অধিকতর রসেই পরিপূর্ন হয়ে উঠছে। তপা বিড় বিড় করে বলতে থাকলো, প্লীজ থামবেনা, আরো, আরো,আরো জোড়ে! আমার প্রায় হয়ে আসছে!
সুমন তার হাতের সমস্ত শক্তিই ব্যবহার করলো। তপার যোনীতে তার আঙুলীটা দেহের সমস্ত শক্তি দিয়েই সঞ্চালন করতে থাকলো। তপা আনন্দের সাগরে হাবু ডুবু খেয়ে কাতরাতে থাকলো শুধু। একটা সময়ে শেষ কাতর করা দেহটা কাতরিয়ে নিস্তেজ হয়ে পরলো। সুমন ভয় পেয়ে গিয়ে তার আঙুলী সঞ্চালন বন্ধ করে ডাকলো, তপা, তপা!
তপা চোখ বন্ধ করে অজ্ঞানের মতোই পরে রইলো। সুমন ভয় পেয়ে, তার মাথার দিকটায় গিয়ে, তার নাকের দিকটাতেই কানটা এগিয়ে নিলো নিঃশ্বাসটা আছে কিনা বুঝার জন্যে। তপা হঠাৎই চোখ খোললো। তারপর দু হাতে সুমনের গাল দুটো চেপে ধরে ভালোবাসার এক চুমু উপহার দিয়ে বললো, দাদা, তোমাকে ধন্যবাদ! নিজে নিজে করে, এমন সুখ কখনো পাইনি।
মা বাবার চোখে ছেলে মেয়েরা বুড়ু বুড়ী হয়ে গেলেও শিশু বলেই মনে হয়। একজন চল্লিশ বছর বয়সের মাঝ বয়েসী লোকও বোধ হয়, মায়ের চোখে শিশু ছেলে। সুলেখার বয়স সুমন কিংবা তপার
চাইতে খুব বেশী না। সাত আট বছরেরই বড় হবে। এমন বয়সের দিদিও অনেকের থাকে। অথচ, মাতৃহীন সুমন আরা তপাকে, উনিশ বছরের এই ঝি সুলেখা মাতৃ স্নেহটাও দেবার চেষ্টা করতো। স্নেহময়ী মায়ের মতোই নিজ হাতে তাদের গোসল করিয়ে দেবার ব্যাপারটাও নিয়ম মাফিকই চলতো।
সুলেখার চোখে তপা আর সুমনকে শিশু মনে হলেও,তপা আর সুমনের দৈহিক বৃদ্ধিটা, ইদানীং গোসলের সময় সংকোচতারই সূচনা করে। বিশেষ করে তেরো বছর বয়সের সুমনের নুনুটা দিন দিন পরিপূর্নতাই পেতে শুরু করেছে। এমন কি দুটো ভাইবোন খেয়ালী হয়েই,এক সংগে মৈথুন করতে গিয়ে, বীর্যপাত ঘটানোর ব্যাপারগুলোও ঘটিয়ে ফেলেছে। তপা যেমনি সুমনের নুনুটা মৈথুন করে দিয়ে, তাকে যৌন আনন্দ দিয়েছিলো,ঠিক তেমনি সুমনও তপার যোনীতে তার আঙুলী ঢুকিয়ে, তাকে যৌন তৃপ্তি অনুভব করতে সহায়তা করেছিলো। এর বেশী কিছু হয়তো না। এমন বয়সে অন্যসব পিঠেপিঠি ভাইবোনেরা এমন করে কিনা, তাও তাদের জানা নেই। তবে, এসব ব্যাপারগুলো ছিলো,নিছক কিছু ছেলেমানুষী, কিংবা অপ্রাপ্ত বয়সের দুষ্টুমীর খেলা। সেই দুষ্টুমীতে হয়তো, যৌনতার ছোয়াও ছিলো,তবে এর চাইতে বেশী কিছু ভাববারও অবকাশ পায়নি।
ইদানীং, রাতে ঘুমোনোর আগে, একে অপরকে মৈথুন করে দেয়াটা যেনো অভ্যাসেই পরিণত হয়ে গেছে, তপা আর সুমনের। তপার যোনীতে সুমনের আঙুলী সঞ্চালন যেমনি অপূর্ব এক যৌন শিহরণ জাগিয়ে তুলে, তপার নরোম হাতের মৈথুনগুলো, যৌনতার এক ভিন্ন স্বাদেই উপভোগ করে সুমন। তাই গোসলের সময়, তার নুনুতে সুলেখার মর্দন, রীতীমতো যৌন অনুভূতিই জাগিয়ে তুলে।
সেদিন সকালেও, সুলেখা প্রতিদিনের মতোই পেছনের উঠানে, তপা আর সুমনকে গোসল করিয়ে দিচ্ছিলো। তপার সারা গায়ে সাবান মাখিয়ে দেবার পর, সুমনের দেহেই সাবান মাখছিলো। সারা দেহে সাবান মেখে, তার শক্ত হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা নুনুটাও সাবান মেখে ভালো করে পরিস্কার করারই উদ্যোগ করছিলো। সুলেখার নরোম হাতের মুঠিতে, মর্দনে বরাবরই সুমনের নুনুটা উত্তপ্ত থেকে উত্তপ্ততর হয়। সেটা সুমন যেমনি অনুভব করে, সুলেখাও জানে। আর সুলেখা তা জেনে শুনেই,সুমনের নুনুটা মর্দন করে করে অধিক মজা পায়। আর সুলেখার লক্ষ্যই হলো, কবে সুমনের নুনুটা পূর্নতা পাবে। কেনোনা, সারা জীবন বুড়ুদের বাঁড়ার গুতো খেতে খেতে, কচি নুনুর স্বাদ নেবার শখটা দীর্ঘদিনের। আর সেই স্বাদটা সুমনের নুনু দিয়েই উপভোগ করার স্বপ্ন দেখছে দিন দিন।
মানুষের জীবনটাই বুঝি এমন। কোথাও না কোথাও অপূর্ণতা থাকেই। আর সেই অপূর্নতাকে পূরন করার জন্যে, যুগ যুগ ধরেও অপেক্ষা করে থাকে। বারো বছর বয়সের রূপবান, বারো মাসের শিশুকে বিয়ে করে করে প্রতিদিন রহিমের নুনু পরীক্ষা করে দেখেছিলো কিনা,কেই বা বলতে পারবে? তবে, রহিমের বারো বছর পূর্ন হবার জন্যেই বারোটি বছর কঠিন সংযম নিয়ে অপেক্ষা করেছিলো। লক্ষ্য একটাই, যৌবনের পিপাসাটুকু, রহিম দৈহিক পরিপূর্তা পেলেই চব্বিশ বছর বয়সে হলেও উপভোগ করার বাসনায়।
সুলেখার ব্যাপারটা হয়তো রূপবানের মতো নয়। কারন,তার সংযম করার কোন সুযোগ ছিলোনা। অভাবের তাড়নায় কিশোরী বয়স থেকেই মানুষের বাড়ী বাড়ী কাজ করতে হয়েছে। তার চমৎকার রূপ আর দেহের ভাজ সবার নজরে পরতো। সবার লালসারই শিকার তাকে হতে হয়েছিলো। সে তো আর ইচ্ছে করেই নিজ দেহ যৌবন কাউকে বিলিয়ে দেয়নি। সবই পরিস্থতির শিকার ভেবেই মেনে নিতে হয়েছে, বাঁচার তাগিদে। তবে, সুমন আর তপাকে এই গোসল করানোর ছলে,সুমনের নুনুটাই শুধু পরীক্ষা করে দেখে, বীর্য্যপাত ঘটানোর বয়সটা হয়েছে কিনা। তখনই সে তার একটি স্বপ্ন পূরন করতে পারবে এই জীবনে। তা হলো, একটি কচি নুনু যোনীতে ঢুকার স্বাদ!
সেদিন সুলেখা সুমনের নুনুটা খানিকটা শক্ত করেই মুঠি ধরে, নুনুর ডগার চামরাটা সরিয়ে বৃদ্ধাঙুলীর ডগায় ময়লা আছে কিনা ঘষে পরিষ্কার করছিলো। আর বলছিলো,ছেলেদের নুনুই হলো আসল। সব সময় পরিষ্কার রাখতে হয়। না হলে অনেক রকমের রোগ হবার সম্ভাবনা আছে।
নুনুর ডগায় সুলেখার নরোম আঙুলীর ঘর্ষনে, সুমনের নুনুটা আরো বেশী উত্তপ্ত হতে থাকলো। আর নুনুটায় শক্ত মুঠিটার কারনেই তার দেহের সমস্ত রক্ত কনিকাগুলো, নুনতে এসেই জমা হতে থাকলো। তার চেহারাটও লাল হতে থাকলো যৌন উত্তেজনায়।
সুলেখা আপন মনেই নুনুর ডগাটা পরিষ্কার করে, নুনুটা ডান হাতের মুঠিতে রেখেই খানিকটা উপরে তুলে, বাম হাতে, অণ্ডকোষ দুটোই চেপে চেপে সাবান ঘষতে থাকলো। ক্ষনে ক্ষনে অণ্ডকোষ দুটো টিপে টিপে আকৃতিগুলোও অনুমান করতে থাকলো, কতটা বড় হয়েছে। সুমনের কাছে মনে হতে থাকলো, সুলেখা তার নুনুটা মুচরে মুচরে যৌন উত্তেজনার শীর্ষ দেশেই নিয়ে চলেছে।
সুলেখা অতঃপর নুনুটাই মর্দন করে করে, নুনুর চামরাটাই পরিস্কার করায় ব্যাস্ত হয়ে পরলো। কেনো যেনো অন্যদিনের চাইতে একটু বেশী সময় নিয়েই মর্দন করতে থাকলো। সুমন আর নিজ ধৈর্য্য টিকিয়ে রাখতে পারলো না। সে সুলেখাকে অবাক করে দিয়েই, নুনু থেকে ছিটকে ছিটকে বীর্য্য ঢালতে থাকলো। সব বীর্য্য ছিটকে ছিটকে সুলেখার মুখের উপর গিয়েই পরতে থাকলো। আর কিছু অংশ তার পরনের কামিজটার উপরও ছিটকে পরলো।
ছেলেদের নুনু থেকে বীর্য্য বেড়োবে, এটা সাধারন কথা। সুলেখাও তা জানে। কেনোনা, এমন মৈথুন সে অনেক পুরুষকেই করে দিয়েছে। এমন কি এখনও রাতে মাঝে মাঝে পরিমল বাবু কিংবা দারোয়ান খালেকের নুনুটা মৈথুন করে দেয়। আর মৈথুনের সবচেয়ে মজার মূহুর্ত হলো, বীর্য্য বের হবার সময়ও মৈথুন চালিয়ে যাওয়,আর চিপে চিপে সব বীর্য্যগুলো বেড় করে নেয়া। সুলেখা তাই আর থামলোনা। একবার সুমনের চেহারাটার দিকে তাঁকালো শুধু। সুমন এক ধরনের লাজুক চেহারা করেই রইলো। সুলেখা ঠিক মৈথুনের মতোই তার হাতের মর্দনের গতিটা আরো বাড়িয়ে দিয়ে বললো, তুমি তো বড় হয়ে গেছো দেখছি!
সুলেখার কথা সুমনের কানে গেলেও বলার মতো কোন ভাষা খোঁজে পাচ্ছিলোনা। সে মুখটা আকাশের দিকে তুলে রেখে এক ধরনের সুখ শব্দই গলা থেকে বেড় করতে থাকলো। পাশে দাঁড়িয়ে তপাও দেখছিলো সে দৃশ্য! সুলেখার উপর তার শুধু রাগই হতে থাকলো। কেনোনা, সুমনের নুনুটার উপর থাকবে, তারই একচেটিয়া অধিকার! এমনই একটা ব্যাপার সে মনে মনে স্থির করে রেখেছিলো। অথচ, রাগে, ক্ষোভে, অভিমানে কিছুই সে বলতে পারলো না। দু হাত কোমরে রেখে,সুলেখার দিকে অগ্নি চক্ষেই শুধু তাঁকিয়ে রইলো।
সুলেখার নজর সেদিকে ছিলোনা। সে খুব মনোযোগ দিয়েই সুমনের নুনুটা মৈথুন করে, তার নুনুর ভেতর থেকে সব গুলো বীর্য্যই বেড় করলো। তারপর, সুমনের নুনুটা মুক্ত করে বললো, তুমি তো আমার কাপর চোপর সব নষ্ট করে দিলে!
এই বলে সুলেখা প্রথমে তার মুখটা ধুয়ে নিলো। তারপর, পরনের ছিটের কামিজটাও টেনে, গলার উপর দিয়ে বেড় করে নিলো। সুলেখা সাধারনত অন্তর্বাস জাতীয় পোষাকগুলো পরেনা। কামিজটা খোলে নিতেই তার বিশাল পেপে সাইজের ঈষৎ ঝুলে পরা স্তন দুটো প্রকাশিত হলো তপা আর সুমনের চোখের সামনে।
তপা আর সুমন গোপনে লুকিয়ে, কতবারই সুলেখার নগ্ন দেহটা দেখেছে। তবে, চোখের সামনে সরা সরি এই বুঝি প্রথম! সুলেখার চমৎকার বিশাল বক্ষ দেখে, তপার যেমনি হিংসে হতে থাকলো, সুমনের বীর্য্যপাত করা নুনুটাও চরচরিয়ে উঠতে থাকলো। সুলেখা তর কামিজটাতে পানি ভিজিয়ে রেখে, তপার গায়েই পানি ঢেলে সাবানগুলো সরিয়ে গোসল করাতে শুরু করলো,তার বিশাল স্তন দুটি দোলিয়ে দোলিয়ে। সেই স্তন দোলা দেখে, সুমনের নুনুটাও দোলে দোলে শক্ত হতে থাকলো।