onno rokom vai bon - অধ্যায় ১২
সুমন বললো, পারুটি আর বাটার!
মায়া দিদি বললো, ঝিদের হাতে ওসব শুকনো খাবারে পেট ভরে? এই নাও, আমার নিজের হাতে বানানো নাড়ু! আমি তোমাকে খাইয়ে দিই কেমন?
এই বলে মায়া দিদি, একটা নাড়ু নিজের মুখে অর্ধেকটা পুড়ে দিয়ে, মুখটা বাড়িয়ে ধরলো সুমনের দিকে। এমন করে মায়া দিদি আগেও অনেকবার করেছে। তখন সেটা নিছক আদর স্নেহের ব্যাপরাই মনে হয়েছে। পাখিরা যেমন পক্ষী শাবকের মুখে খাবার তুলে দেয়, ঠিক তেমনি কোন ব্যাপারই মনে হতো! অথচ, ইদানীং মায়া দিদির ঠোট, জিভ সুমনের কাছে ভিন্ন মনে হয়, দেহে শিহরণ জাগিয়ে তুলে! নুনুটাও দাঁড় হয়ে যায় নিজের অজান্তে! সুমন খুব আগ্রহ করেই মায়া দিদির মুখ থেকে নাড়ুটা নিজ মুখে নেবার চেষ্টা করলো। পুরু নাড়ুটা সুমনের মুখে জিভ দিয়েই ঠেলে দিলো মায়া দিদি! তখনই মায়া দিদির ভেজা জিভটার স্পর্শটা পেলো সুমন।
নাড়ুটা খেয়ে সুমন আর দেরী করলোনা। নিজ বাড়ীতে নিজেদের ঘরেই ঢুকলো, খানিকটা চেতনহীন ভাবেই। ফিরে দেখলো, তপা বিছানায় শুয়ে শুয়ে বই পরছে। সে পড়ার টেবিলে গিয়েই বসলো। মিছেমিছি একটা বই খুলে বসলো ঠিকই, কিন্তু পড়ায় কোন মন বসছিলো না সুমনের। থেকে থেকে শুধু তপার চমৎকার ঠোটগুলোর দিকেই তাঁকিয়ে থাকলো। সেই সাথে মায়া দিদি, লাবনী দিদির ঠোট গুলোও কল্পনাতে আনতে থাকলো। সুমন বুঝতে পারলো না, মেয়েদের ঠোট, দাঁতেও কেমন যেনো রহস্য লুকিয়ে আছে! তপা, লাবনী দিদি, কিংবা মায়া দিদির ঠোট দাঁত তাকে যতটা পাগল করে তুলে, পরিচিত অন্য কারো ঠোট কিংবা দাঁত তাকে এমন একটা উতলা করে তুলে না। তপা হঠাৎই সুমনের দিকে তাঁকিয়েছিলো। সুমনের চাহনি দেখে, তার নিজেরই যেনো কি হলো, নিজেই বুঝতে পারলো না। মনে হলো,সুমন বুঝি তাকেই দেখছে, তার সৌন্দর্য্যকেই দেখছে। কেননা, সেদিন সুমন নিজের মুখেই বলেছিলো, তার ঠোট খুব সুন্দর! তপা বিছানার উপর উঠে বসে বললো,কি ব্যাপার? তুমি না কোন বন্ধুর বাড়ীতে যাবে বললে,যাওনি?
সুমন বললো, গিয়েছিলাম, শিশির বাড়ীতে ছিলো না।
তপা বললো, এই জন্যে মন খারাপ? ঠিক আছে, চলো! আমরা দুজনে কোথাও বেড়াতে যাবো!
সুমন বললো, কোথায়?
তপা বললো, জানিনা। যেদিকে দু চোখ চলে যায়,সেদিকেই চলে যাবো! রাস্তায় লোক দেখলে ভ্যাংচি কাটবো। দরকার হলে ন্যাংটু হয়ে রাস্তায় নাচানাচি করবো! ব্যাপারটা খুব মজার হবে না?
সুমন বললো, এসবের কি কোন দরকার আছে নাকি?
তপা বললো, খুব দরকার আছে! তুমি আমার সংগে যাবে কিনা বলো! আমার আজকে খুবই মজা করতে ইচ্ছে করছে!
সুমন তপার কথামতোই তার সাথে বাড়ী থেকে বেড়িয়ে পরলো। রাস্তায় লোকজন দেখে ভ্যাংচি কাটলো ঠিকই,তবে ন্যাংটু হয়নি। পথ চলতে চলতে অনেক দূরে, একটা বনের ধারেই চলে এলো দুজনে। নির্জন একটা বন! তপা আর সুমন দুটি কিশোর কিশোরী। ক্লান্ত হয়েই পাশাপাশি বসলো। খানিকটা বিশ্রামের পরই তপা বললো, মনে হচ্ছে না আমরা দুজন প্রেম করছি?
এই ব্যাপারটাই কিছুদিন ধরে সুমনের মাথার ভেতর জটলা পাকিয়ে দিচ্ছিলো। ভাই বোনের ব্যবধান গুলো হয়তো তপাও তখন বুঝতোনা, সুমনও বুঝতো না। তবে, সুমনের চোখে তপা নিসন্দেহে সুন্দরী একটা মেয়ে! নিজ ছোট বোন বলে, খুব আদরেরই বটে, বাড়তি একটা মায়াও তার উপর আছে! তবে, প্রেম করার জন্যে উপযুক্ত মেয়ে হিসেবে লাবনী দিদি ছাড়া আর কাউকে ভাবতে পারে না সে। প্রেম ভালোবাসার ব্যাপারগুলো এমনি হয় নাকি? সুমন এক পলক তাঁকালো তপার মুখের দিকে। তপার চেহারাটা দেখে মনে হলো,ভালোবাসার চুমুর জন্যেই অপেক্ষা করছে, তপার ঠোট গুলো। অথচ, তার চোখের সামনে ভেসে উঠতে থাকলো লাবনী দিদিরই চমৎকার সাদা দাঁত এর সেই হাসি! যে হাসিটা তার ঠিক মুখটার কাছাকাছি এনে উপহার দিয়ে বলেছিলো, শিশির তো বাড়ীতে নেই! আর বাড়ী ফেরার পর মায়া দিদিও তার মুখ থেকে নাড়ু খাইয়ে জিভের স্পর্শটাও উপহার দিয়েছে! সেই মায়া দিদির ঠোট গুলোও তার চোখের সামনে ভেসে উঠতে থাকলো। সুমনের মাথার ভেতরটা হঠাৎই শূন্য হতে থাকলো। সে এক ধরনের অবচেতন মনেই মুখটা বাড়িয়ে দিয়ে, তপার ঠোটে চুমু দিতে থাকলো, প্রাণ ভরে। তপাও খুশী হয়ে, তার জিভটা সুমনের মুখের ভেতর ঢুকিয়ে খেলতে থাকলো সুমনের জিভটা নিয়ে।
অবুঝ দুটি কিশোর কিশোরী কতটা সময় এভাবে চুমুতে হারিয়েছিলো, নিজেরাও হয়তো অনুমান করতে পারলোনা। চেতন ফিরে পেতেই, সুমন তার ঠোট মুখ,তপার ঠোটের উপর থেকে সরিয়ে নিয়ে বললো, স্যরি!
তপা বললো, আমি খুব খুশী! এটাই আশা করেছিলাম!
সেদিন অবুঝ দুটি কিশোর কিশোরী বনে বাদারেই ছুটাছুটি করে ঘুরে বেড়ালো বেশ কিছুটা সময়। বাড়ী ফিরার ইচ্ছা হলো, যখন পেটের ক্ষুধাটা প্রচন্ড রকমেই লেগেছিলো।
এই কিছুদিন আগেও সুমন অনেক কিছু বুঝতোনা বলে,তপা তাকে বড় হয়নি বলে তিরস্কারই করতো। অথচ,মাত্র কয়েকটি মাসের ব্যবধানে সুমনের চিন্তাধারার অনেক পরিবর্তন হতে থাকলো। গোসলের সময় তপার নগ্ন দেহটা দেখে তার নুনুটা দাঁড়াতো ঠিকই, অথচ তার সঠিক কারনটা কখনোই অনুমান করতে পারতো না। এমন কিছু ব্যাপার সুলেখা কিংবা মায়া দিদির নগ্ন দেহটা দেখেও হয়েছিলো। হয়তোবা মেয়েদের নগ্ন দেহ চোখের সামনে থাকলে, স্বয়ংক্রিয় ভাবেই নুনু দাঁড়িয়ে যায়,এমনি একটা ধারনা সুমনের মনে বিরাজ করতো। অথচ,দূরের এক বনে গিয়ে, সবার অগোচরে তপার ঠোটে ঠোট মিলিয়ে চুমু খাবার সময়ও তার নুনুটা দাঁড় হয়ে গিয়েছিলো! তখন তো আর তপা নগ্ন ছিলো না। কিংবা মায়া দিদির মুখের ভেতর থেকে নাড়ুটা মুখে নেবার সময়ও তার নুনুটা দাঁড় হয়েছিলো! তখনও তো মায়া দিদি নগ্ন ছিলো না। কিংবা, লাবনী দিদি যখন তার মুখের কাছাকাছি মুখটা এনে, সাদা ধব ধবে দাঁতগুলো বেড় করে হাসি উপহার দিয়েছিলো, তখনও তার নুনুটা দাঁড়িয়ে গিয়েছিলো! তখনও তো লাবনী দিদি নগ্ন ছিলোনা। তাহলে কি নুনু দাঁড় হবার জন্যে শুধু মেয়েদের নগ্নতাই নয়? পছন্দের মেয়েদের ঠোট, বক্ষ, এসবও কি দেহ মনে ভিন্ন এক আনন্দ অনুভূতির সূচনা করে?তাতে করেই কি একে অপরকে অনেক অনেক কাছে টানে। এটাই কি প্রেম!
সেদিন বাড়ী ফিরে তপাকে যতটা সহজভাবে চলাফেরা করতে দেখা গেলো, সুমনকে তেমনটি দেখা গেলোনা। থেকে থেকে একটি ভাবনাই শুধু তাকে তাড়া করতে থাকলো। সেই ভাবনাটি হলো প্রেম। কোন মেয়ের সাথে যদি প্রেম করতেই হয়, তাহলে শিশিরের দিদি লাবনী দিদিই তার জন্যে উত্তম পাত্রী! কিন্তু, লাবনী দিদিকে এত ভালো লাগার কারনটাও সে অনুমান করতে পারলো না। কেনোনা, তপার ভাব সাব দেখে মনে হয়, তপাও তাকে প্রচন্ড ভালোবাসে। ভালোবাসার একটি চুমুর জন্যে ধরতে গেলে দীর্ঘদিন ধরেই সে ব্যাকুল ছিলো। তপার চেহরাও লাবনী দিদির চাইতে কোন অংশে কম সুন্দর নয়! তারপরও তপা তাকে যতটা আকর্ষন না করে,লাবনী দিদি তাকে অধিক আকর্ষণ করে। মনে মনে লাবনী দিদির সাথে তপার একটা তুলনামূলক বিচারও করতে থাকলো। বারো বছর বয়সের সুমনের মনের পর্দায় যেটি ভেসে উঠলো, তা হলো লাবনী দিদির দেহটা পরিপূর্ন! সেই পরিপূর্নতা মায়া দিদির দেহেও আছে! লাবনী দিদির মাঝে বোধ হয়, মায়া দিদির দেহের সেই পূর্নতার ছায়াটাই ভেসে উঠে! অথচ, তপার দেহটা এখনো বাড়ন্তশীল। এগারো বছর বয়সের তপা যখন নগ্ন থাকে, তখন তপার বক্ষে জলপাইয়ের মতো উঁচু উঁচু দুটো স্তন চোখে পরে ঠিকই, তবে টাইট পোষাকের আড়ালেও চৌদ্দ বছর বয়সের লাবনী দিদির বক্ষ দুটো পরিপূর্নই মনে হয়। যা মায়া দিদির সাথে অনেক মিল আছে বলে অনুমান করতো! লাবনী দিদির যে ব্যাপারটি তাকে সবচেয়ে বেশী আকর্ষন করে, তা বোধ হয় লাবনী দিদির দেহের ভাঁজ! আর সেই চমৎকার ভাঁজগুলো দেখার স্বপ্নই যেনো প্রতিটা সময় তাকে কুড়ে কুড়ে খেতে থাকে।
একটা সময়ে তপা যেমনি সুমনকে, এখনো ছোট বলে তিরস্কার করতো, বয়সে ছোট তপাকে সুমনের চোখেও ইদানীং ছোট বলেই মনে হতে থাকলো। হয়তোবা, কোন একদিন তপার দেহটাও লাবনী দিদি কিংবা মায়া দিদি অথবা সুলেখার মতোই পরিপূর্ন হয়ে উঠবে! সে অপেক্ষাতে থাকার কোন ভাবনা সুমনের মাথায় মোটেও জাগ্রত হলোনা।
পৃথিবীর অন্য সব ভাইবোনেরা কি নিয়ে গলপো গুজব করে, কে জানে? একটা বয়স পার হয়ে গেলে,ভাইবোনেরা হয়তো নিজেদের মাঝে খুব একটা আলাপও চালায় না। বরং, ব্যাস্ত থাকে অন্য সব
বন্ধুদের নিয়ে। সুমন আর তপা দুটি অবুঝ ভাইবোন নিজেদের মাঝে কোন কিছুই গোপন রাখতো না।
ছুটির দিনে মাঝে মাঝে শিশিরদের বাড়ীতে যায় সুমন। শিশিরের বড় বোন লাবনী দিদির প্রতি সুমন বেশ দুর্বলই বলা চলে। ধরতে গেলে লাবনী দিদিকে এক নজর দেখার জন্যেই শিশিরদের বাড়ী যাবার জন্যে ছটফট করতো সে। সেদিন শিশির বাড়ীতে থাকবে না, স্কুলে আগে থেকেই জানিয়ে দিয়েছিলো। তাই সে সামনের উঠানেই ফুটবলটা নিয়ে একাকী খেলছিলো।
ছুটির দিনে তপা গল্পের বই পড়েই সময় কাটায়। সুমন খানিকটা ক্লান্ত হয়েই ঘরে ফিরে এসেছিলো। ঘরে ঢুকতে যেতেই, এক ধরনের চাপা, অনুচ্চ, ফোঁশ ফোঁশ ধরনের শব্দ তার কানে এলো। অনেকটা সাপের ফোঁশ ফোঁশ শব্দের মতোই। সাপের কোন আবির্ভাব হলো কিনা ভেবে, সুমনের দেহটা শির শির করেই উঠলো। সে খানিকটা ভয় পেয়েই দরজার বাইরে এদিক সেদিক ভালো করে পর্যবেক্ষণ করতে থাকলো। আর কান দুটো খাড়া করেই শব্দটা কোন দিক থেকে আসছে, সেটাই অনুমান করতে চাইলো। সে অনুভব করলো, শব্দটা আরো তীব্র হয়েই ভেসে আসছে কানে। আর তা নিজেদের ঘরের ভেতর থেকেই আসছে! তবে, শব্দটা তখন সাপের ফোঁশ ফোঁশ করা শব্দের মতো মনে হলো না। বরং, জ্বরে আক্রান্ত কোন মানুষের কাতর করা হাঁপানীর মতোই লাগছিলো শব্দটা!
ঘরে তো তপা ছাড়া অন্য কারো থাকার কথা নয়! তবে কি, তপার শরীর খারাপ করলো নাকি? সকালে ঘুম থেকে উঠার পর তো, তেমন মনে হয়নি! সুমন খানিকটা আতংকিত হয়েই ঘরের ভেতর চুপি দিলো। চুপি দিতেই দেখলো, বারো বছর বয়সের তপা পড়ার টেবিলটার পাশেই, মুখটা ছাদের দিকে করে রেখে চেয়ারে বসে আছে। তার চোখ দুটো বন্ধ, তবে মুখটা খোলা। তার একটা পা মাটিতে, আর অন্য পা চেয়ারের উপর তোলা। তার একটা হাত টেবিলের উপর অলসভাবেই পরে আছে। তবে, ডান হাতের মধ্যাঙুলীটা তার নিম্নাংগে একবার ঢুকিয়ে, আবারো বেড় করে আনছে। আর সেই সাথেই, মুখের ভেতর থেকে সেই গোঙানীর শব্দটা বেড়িয়ে আসছে।
তেরো বছর বয়সে, সুমন যৌনতার কিছু কিছু ব্যাপার অনুভব করলেও, পুরোপুরি বুঝতো না। সুলেখা কিংবা তপা যখন তার নুনুটা মুঠিতে নেয়, তখন যে অনুভুতিটা হয়, সেটা যৌনতারই একটা অনুভুতি। কিংবা মায়া দিদির চুমু অথবা তপার চুমুতেও যৌনতার কিছু অনুভুতি হয়ে থাকে। নুনুটা চড়চড়িয়ে উঠতে থাকে। তবে, ছেলেদের নুনু কিংবা মেয়েদের যোনীর সঠিক কাজটা ভালো করে সে বুঝতো না। সুলেখা তার বাবার সাথে কিংবা দারোয়ান খালেকের সাথে, অথবা মায়া দিদি তার স্বামীর সাথে নগ্ন হয়ে বিছানায় খেলাধুলা করে,সেসব অনেকবারই চুপি দিয়ে দিয়ে দেখেছে। তারপরও,তেমনি খেলার ধরনগুলো তার জানা ছিলো না। মনে হতো, ন্যাংটু দেহে মানব মানবী জড়াজড়ি করে খেলতেই বুঝি মজা পায়! সেগুলো যে যৌনতারই কোন খেলা, কখনোই মাথাতে ঢুকেনি। তবে, এই মূহুর্তে তপাকে দেখে মনে হতে থাকলো, তপা বোধ হয় যৌনতারই কোন খেলা খেলছে!
সুমন তপার কাজে কোন বাঁধা দিলো না। চুপচাপ আড়ালে দাঁড়িয়েই শুধু দেখতে থাকলো, তপা কি করে?সুমন লক্ষ্য করলো, তপার নিম্নাংগে আঙুলী সঞ্চালনের সাথে সাথে, তার নিঃশ্বাসটাও খুব দ্রুত হচ্ছে। সেই সাথে তার মুখের ভেতর থেকে ভেসে আসা গোঙানীর শব্দটাও তীব্র থেকে তীব্রতর হয়ে উঠছে। তপার এই কান্ড দেখে, সুমন রীতীমতো ঘামতে থাকলো। সে তপার নিম্নাংগের দিকেই গভীর ভাবে চোখ রাখলো। তপার যে নিম্নাংগটাতে প্রস্রাব করার জন্যে সাধারন একটা ছিদ্র আছে বলে, এতটা দিন মনে হতো, সেটা সাধারন কোন ছিদ্র নয়! তার কেনো যেনো মনে হলো, সেটা ছোট্ট একটা কুয়ার মতো। যেখানে তপার শুধু আঙুলীটাই নয়, তার এই ছোট্ট নুনুটা ঢুকার মতোও পর্যাপ্ত গভীরতা রয়েছে। কথাটা ভাবতেই সুমনের নুনুটা চড়চড়িয়ে বড় হয়ে উঠে,খাড়া হতে থাকলো।
সুমন দেখলো, তপাও ঘামছে। সে এবার টেবিলের উপর অলসভাবে রাখা বাম হাতের তালুটা ঠেকালো নিজের বক্ষের কাগজী লেবুর মতো স্তন দুটোতেই। নিজের স্তন দুটো নিজে নিজেই টিপতে থাকলো তপা ক্রমান্বয়ে। থেকে থেকে তার পরনের নিমাটার উপর ভেসে থাকা স্তন বৃন্ত দুটোও টিপতে থাকলো দু আঙুলে। নিমার জমিনের উপর থেকেই স্পষ্ট ভেসে আসতে থাকলো,মসুর ডালের মতো বৃন্ত দুটি, স্থূলাকার হয়ে উঠছে ক্রমে ক্রমে, তার গায়ের চামড়ায় এক ধরনের কাঁটা ফেলে। সেই সাথে, ডান হাতের মধ্যাঙুলীটা দিয়ে যোনীর ভেতরে সঞ্চালনের গতিটাও বাড়াতে থাকলো।
কিছুক্ষণ পর, তপা তার চেয়ারে তুলা পা টা নীচে নামিয়ে,অপর পা টা চেয়ারে তুললো। তারপর, এক অস্বাভাবিক গতিতেই আঙুলী সঞ্চালন করতে থাকলো, নিজ যোনীটার ভেতর! সুমন অনুভব করলো, একটা চমৎকার গন্ধ তার নাকে এসে ঠেকছে! অপরিচিত মিষ্টি একটা গন্ধ! যে গন্ধ নাকে এলে, জিভে পানি এসে যায়! অথচ, তেমনি এক গন্ধ জীবনে প্রথমই অনুভূত হলো।
তপার চোখের পাতাগুলো হঠাৎই কুঞ্চিত আর প্রসারিত হতে শুরু করলো। সেই সাথে, সে তার চমৎকার গোলাপী সরু ঠোট দুটো, নিজেই কামড়ে কামড়ে চুষতে থাকলো। এক পর্যায়ে, তার হাতটিকে ভিজিয়ে এক ধরনের তরল পদার্থ বেড়িয়ে আসতে থাকলো তার যোনীটার ভেতর থেকে। তপা সেই ভেজা হাতের আঙুলীটা যোনীর ভেতর থেকে বেড় করে, ভীষন এক তৃপ্তি নিয়েই মুখের ভেতর পুড়ে দিলো।
তপা চোখ খুলার আগেই, দরজার পাশ থেকে সরে দাঁড়ালো সুমন। কেনো যেনো মনে হলো, এমন একটি ব্যাপার, তপা লুকিয়েই করতে চেয়েছিলো। ব্যাপারটা সে জেনে গেছে বুঝে ফেললে, তপা হয়তো ভীষন লজ্জাই পাবে। তপাকে লজ্জায় ফেলে দেবার মতো বড় ভাই সুমন নয়। তাই সে পা টিপে টিপে, সিঁড়ি বেয়ে নীচেই নেমে এলো। তারপর, বারান্দার সিঁড়িতে বসেই ভাবতে থাকলো।
সুমন ভাবতে থাকলো, মানুষের দেহের অংগ প্রত্যংগ গুলো নিয়ে। সত্যিই কি বিচিত্র মানব দেহ! মেয়েদের দেহ ঠিক ছেলেদের দেহের বিপরীত! মেয়েদের বক্ষ উঁচু হয়ে উঠে বলেই তাদেরকে এত সুন্দর লাগে! তা শুধু সুন্দর এর জন্যেই নয়! টিপার জন্যেও! টিপাতে মেয়েরা এক ধরনের সুখই অনুভব করে! তাই তো তপা নিজের বক্ষ নিজেই টিপছিলো তখন। আর তার জন্যেই, রাতে ঘুমোনোর সময়, সুমনের হাতটা নিজের বুকের উপর চেপে রেখেই ঘুমুতে পছন্দ করে। তাতে করে, তপা এক ধরনের সুখই বোধ হয় খোঁজে পায়।
মেয়েদের যোনীর ব্যাপারটাও তো একই রকম! তপা কিংবা সুলেখা কিংবা মায়া দিদিই শুধু টিপে ধরলে নয়,নিজেও যখন নিজ নুনুটা মাঝে মাঝে টিপে ধরে, তখন তো আরামই লাগে! ঠিক তেমনি, মেয়েদের যোনীর ভেতরটাও তেমনি কোন ঘর্ষন পেলে সুখের অনুভুতি দেয়। তাই হয়তো, তার বাবা কিংবা দারোয়ান খালেক সুলেখার যোনীটাকে সুখ দেবার জন্যেই নুনুটা ঢুকিয়ে থাকে। তারও কি উচিৎ নয়, তপার যোনীটাকে সুখ দিয়ে দিয়ে ভরিয়ে তোলা!
কিন্তু কিভাবে? তপাও তো নিজ থেকে তাকে কিছু বলে নি! এই ব্যাপারে কি তারই প্রথম বলা উচিৎ! কিভাবে বলবে! অন্য সবাই কিভাবে বলে? সুমনের মাথার ভেতরটা এলো মেলো হয়ে উঠতে থাকলো। সে আবারও বাড়ীর ভেতর এসে ঢুকলো। খুব স্বাভাবিক চেহারা করেই নিজেদের ঘরে ঢুকলো। তপা এক ধরনের ফ্রেশ চেহারা নিয়েই বিছানার উপর গল্পের বইয়ের মাঝে ডুবে আছে। সুমনের খুবই ইচ্ছে হলো তপার গা ঘেষে শুয়ে, তার বক্ষ দুটু টিপে, তার নিম্নাংগে নুনুটা একবার ঢুকিয়ে দেখতে। সে বিছানার দিকে এগিয়ে গিয়েও,এগুতে পারলো না। কেমন একটা লজ্জা মিশ্রিত ভয়ই যেনো তাকে আঁকড়ে আঁকড়ে ধরতে থাকলো। অথচ,তপার বাড়ন্ত দেহটা, তার নুনুটাকে উষ্ণই করে তুলতে থাকলো।
সুমন ঘরের ভেতরই খানিকটা ছটফট করে, পড়ার টেবিলের পাশেই চেয়ারটাতে গিয়ে বসলো। বসে বসে ভাবতে থাকলো, না এখন নয়! আজ রাতে ঘুমুনোর সময়ই, তপার যোনীটার ভেতর নুনুটা ঢুকিয়ে দেখবে। সুমন আবারো ঘর থেকে বেড়িয়ে গেলো, উদাস মনে।
তপা সুমনের পিঠেপিঠি এক বছরের ছোট বোন হলেও,তার সাথে সব ধরনের কথাবার্তাই হয়ে থাকে সুমনের। সুমনও যেমনি তপার কাছে কোন কিছু গোপন করার চেষ্টা করেনা, তপাও তার মনের কথা
সব খুলেই বলে। তবে, ইদানীং সুমন যেমনি কিছু কিছু ব্যাপার গোপন রাখছে, তেমনি তপাও বোধ হয় তার কিছু কিছু ব্যাপার সুমনের কাছে গোপনই রাখে।
মায়া দিদির চুমু অথবা লাবনী দিদির প্রতি ভালোবাসার ব্যাপারটি গোপনই রাখে সুমন তপার কাছে। ঠিক তেমনি তপাও গোপনে, নিজ যোনীতে আঙুলী সঞ্চালনের কাজটি গোপন রাখছে সুমনের কাছে। সুমন, তপার এই গোপন কাজটি গোপনে রাখার মতো করেই রাখতে চাইলো না।
সে রাতে পড়ার টেবিলে সুমনের যেমনি পড়ায় মন বসছিলো না, টেবিলের এ পাশে বসা তপাকেও অন্যমনস্ক লাগছিলো। মনে হচ্ছিলো তপার বাম হাতটা টেবিলের আড়ালেই তার নিম্নাঙ্গের দিকে, খানিকটা নড়ে চড়ে উঠছিলো। তার মুখটাও কিঞ্চিত হা হয়ে আছে, চোখ দুটোও থেকে থেকে বুজে বুজে আসছিলো। সুমন শান্ত গলাতেই ডাকলো, কি করছো তপা?
সুমনের ডাকে, হঠাৎই চমকে উঠলো তপা। সে গোল গোল চোখে হা করেই সুমনের দিকে তাঁকিয়ে রইলো। তারপর, অপ্রস্তুত গলায় বললো, কই, কিছু না তো!
সুমন বললো, তোমার চোখ মুখ কেমন অস্বাভাবিক লাগছিলো!
সুমন আসলে তপাকে লজ্জায় ফেলে দেবার জন্যে,প্রশ্নটা করেনি তপাকে। করেছে অবুঝ মনের কৌতুহল থেকেই। তপাকে কষ্ট কিংবা লজ্জা দেবার মতো ভাই নয় সুমন। তাই, পরক্ষণেই বললো, স্যরি তপা,এমনিতেই জিজ্ঞাসা করলাম। তুমি কিছু মনে করো না।
সুমন লক্ষ্য করলো, তপার চেহারাটা হঠাৎই উজ্জ্বল হয়ে উঠলো। সে বেশ কিছুটা ক্ষণ, নিজের ঠোট গুলো কামড়ে, মনটাকে অন্যভাবে তৈরী করার চেষ্টা করলো। তারপর, সুমনের চোখে চোখে সরাসরি তাঁকিয়ে বললো,নিজেই নিজেকে অনুভব করতে চাইছিলাম। মানে,মানে! মাষ্টারবেইটিং!
তপা খানিকটা থেমে, ভীরু ভীরু ছোট গলায় আবারো বললো, তোমার কি কখনো সে রকম কিছু করতে ইচ্ছে করে না? অথবা, তেমন কিছু ব্যাপার দেখতে ইচ্ছে করে না?
তপা আরেকটু থেমে বললো, তুমি দেখতে চাইলে কিন্তু,একবার আমি তোমার সামনেই মাস্টারবেইট করে দেখাতে পারি! দেখবে?
তপার কথাগুলো সুমন ঠিক বুঝতে পারলো না। তপার এই গোপন ব্যাপরটি সে শুধু গোপন করেই রাখতে চাইছিলো না। তাই বলে, ব্যাপারটা যে তপা, এমন করেই প্রকাশ করতে চাইবে, তার জন্যেও প্রস্তুত ছিলো না। সুমন কিছুই বলতে পারলো না। তবে, তপার কথায় তার দেহটা দৈবাৎ উষ্ণ হয়ে উঠলো। মুখের ভেতর শুস্কতারই একটা ভাব অনুভব করলো। সে মাথা নীচু করেই বসে রইলো।
সুমনের সেই ভাবটা দেখে, তপাও বিব্রতবোধ করছিলো। সে তার নিজের ঠোটগুলো কামড়ে কামড়ে ধরছিলো বার বার। তারপর, তার দৃষ্টিটা সুমনের চোখের দিকে রেখেই চেয়ার ছেড়ে উঠে দাঁড়ালো। অতঃপর,পরনের প্যান্টিটা টেনে দু পায়ের মধ্য থেকে সরিয়ে নিলো।
তপার নগ্ন নিম্নাংগ সুমনের জন্যে নুতন কিছু না। গোসলের সময় ধরতে গেলে প্রতিদিনই চোখে পরে। তখন তার নুনুটা চড় চড় করে দাঁড়িয়ে শক্ত হয় ঠিকই,সেখানে যৌনতার অবকাশ কতটা থাকে, তার নিজেরও ধারনার বাইরে। অথচ, এই মূহুর্তে যৌনতারই একটা ব্যাপার ভেবে, মনটা রোমাঞ্চেও ভরে উঠলো।
তপা বিছানায় গিয়ে চিৎ হয়ে শুয়ে পরলো। সুমন তার ঘাড়টা বাঁকিয়ে লক্ষ্য করলো, তপার পাতলা ঈষৎ কালচে হয়ে উঠা লোমে আবৃত বারো বছর বয়সের মণিটা। সুমন আর চোখ ফিরিয়ে নিতে পারলো না সেদিক থেকে কিছুতেই। তপা তার হাঁটু দুটো ভাঁজ করে, খানিকটা ছড়িয়ে রাখলো পা দুটো। লোমে আবৃত মণিটার ঠিক মাঝের ছিদ্রে তার মধ্যাঙুলীটা ঢুকালো খুব সন্তর্পণে। সে অন্য হাতে তার মণির ঔষ্ঠগুলোর প্রান্তে চিমটির মতো করে ঠোকর কাটতে লাগলো। সুমন আরো লক্ষ্য করলো, তপার মণির ভেতর ভাগটা কেমন যেনো স্যাঁতস্যাঁতে হয়ে আছে। সুমন আশা করেছিলো, তপা হয়তো চক্ষু বন্ধ করে নেবে। অথচ, সে এক দৃষ্টিতেই সুমনের দিকে তাঁকিয়ে রইলো তখনো। তারপর, চোখ রাখলো সুমনের নিম্নাংগের হাফপ্যান্টটার দিকে।
হাফপ্যান্টের তলায় সুমনের নুনুটা তীরের ফলার মতোই তাঁক হয়েছিলো। সে নিজেও নিজের প্যান্টের দিকে তাঁকালো। মনে হলো, তার নুনুটা কম্পিত হচ্ছে এলো পাথারি ভাবেই। তপা ফিশ ফিশ গলাতেই বললো, আমি এখন একবার দেখতে চাই।
সুমন আর ইতস্ততঃ করলো না। চেয়ার ছেড়ে দাঁড়িয়ে,বিছানার খানিকটা কাছাকাছি এসে, প্যান্টের হুকটা খুলে,হাঁটু পর্যন্ত নামিয়ে নিলো প্যান্টটা। তারপর, নিজে নিজেই শক্ত হয়ে থাকা নুনুটা মুঠি করে ধরলো একবার। যার কারনে, নুনুটা তখন তপার চোখের দিকেই তাঁক হয়েছিলো।
তপা একবার নিজের যোনীতে সঞ্চালিত করা আঙলীটা থামিয়ে, বালিশের উপর থেকে মাথাটা তুলে, খানিকটা সুমনের দিকেই ঝুকলো। সুমনের ধারনা হলো, তপা বোধ হয় এগিয়ে, সুমনের নুনুটাই ধরতে চাইবে। অথচ,সে তা করলো না। আবারো পছিয়ে গিয়ে, সুমনের চোখের দিকেই তাঁকালো। তারপর, শান্ত গলাতেই বললো, দাদা, তুমিও করো! আমার সাথে তুমিও করো!
সুমন অবাক হয়েই বললো, কি করবো?
তপা বললো, তুমিও আমার পাশে এখানে শুয়ে পরো। এবং আমার মতো করে, তুমিও তোমার নুনুটা মাষ্টারবেইট করো। আমি ছেলেদের মাষ্টারবেইট করার ব্যাপারটাও দেখতে চাই। আমার কেনো যেনো মনে হয়,দুজনে একসংগে করলে, ব্যাপারটা আরো রোমাঞ্চকর হবে!
এই বলে তপা তার পা দুটো আরো খানিকটা ছড়িয়ে,যোনীর ভেতর তার অঙুলী সঞ্চালনের গতিটা আরো খানিকটা বাড়িয়ে দিলো। সুমন তপার পাশাপাশিই গা ঘেষে শুয়ে পরলো। তপা খানিকটা রাগের সাথেই বললো, আমার গায়ের সাথে লাগবে না। দুজনেই মাষ্টারবেইট করবো ঠিকই, তবে কেউ কারো গা টাচ করা যাবে না। ঠিক আছে?
সুমন তপার সাথে খানিকটা দুরত্ব রেখেই পাশাপাশি শুয়ে পরলো। এতে করে সুবিধাই হলো। তপার নিমার উপর দিয়ে টিলার মতো উঁচু হয়ে থাকা স্তন যুগল স্পষ্ট হয়েই চোখে পরতে থাকলো। তপার নিঃশ্বাসের সাথে,সেই সুন্দর সুদৃশ্য বক্ষের উঠা নামা, সুমনের নুনুটাকে আরো দৃঢ় করে তুললো। সুমনের বাম হাতটা চলে গেলো নুনুতে। শক্ত করেই মুঠি করে ধরলো তারপর। পিষ্টনের মতোই সে তার নুনুটাকে মৈথুন করতে থাকলো। আর সেই সাথে তপাও তার যোনী আঙুলী সঞ্চালন করতে থাকলো প্রাণপনে।
ভাইবোন দুজন বিছানার উপর পাশাপাশি শুয়ে, নিজ নিজ যৌনাংগ মৈথুন করছে। এমন কোন ইডিয়টিক ব্যাপার আর কি থাকতে পারে? অথচ, অবুঝ দুটি ভাই বোন, মনের আনন্দেই তা করতে থাকলো। মনে হতে থাকলো, প্রাকৃতিক একটা ব্যাপার! ঝড়ে নীড় হারা এক জোড়া পক্ষী শবকদের মতোই নিজেদেরকে যেনো আপন করে পেয়েছে দুজনে। পার্থিব কোন শক্তি নেই যে, তাদের ইচ্ছাকে কোনভাবে দমন করে রাখতে পারে। অবুঝ, অপ্রাপ্ত বয়সের এই মনের আবেগ,অনুভূতি বোধ হয় অপ্রতিরোধ্য!