রানীর নাচে নাচে জীবনপথ এলোমেলো... - অধ্যায় ৫

🔗 Original Chapter Link: https://xforum.live/threads/রানীর-নাচে-নাচে-জীবনপথ-এলোমেলো.5804/post-577027

🕰️ Posted on Mon Sep 23 2019 by ✍️ prem543 (Profile)

🏷️ Tags:
📖 464 words / 2 min read

Parent
মিনতির প্রস্হানের শেষে চা পানে সমাপান্তে রঙীন নেশার চাদরে মিষ্টি হেসে মোবাইল ঘাটতে ঘাটতে অতি প্রিয় দীপ(বন্ধু) এর একটা পোস্ট দেখে মনটি ভরে গেলো।বলে রাখি দীপ ও সুমিত দুজনাই সামনে বার HS দিতে চলেছে। পোষ্টটি হল NRS সম্পর্কিত যে গুজবের বীজ চারিদিকে ছড়ানো হচ্ছে সে বিষয় নিয়ে। খুব সুন্দরভাবে বিশ্লেষন করেছে বন্ধুটি।অনেক অজানা বিষয় জানা। তাই মনে মনে প্লান করলাম রবিবারের সকালবেলায় দীপের বাড়িতে গিয়ে দেখা করে অাসি। এ কথা মনে রেখে সুমিত ডাইন রুমে যায় ব্রেকফাস্ট করতে গিয়ে দেখে সবাই প্রাতরাশ সারতে বসে গেছে। সুমিতকে দেখে.... বাবা নিখিলেশ-এই সুমিত এত দেরি করলি কেন! ঘুম বুঝি ছুটি দিচ্ছিল না! একথা শুনে সুমি কিছু বলার অাগেই... সুমি-বাবা বলুন তো.. ঘুমের অার দোষ কি,,,সারারাত মোবাইল ঘেটে ভোর চারটের সময় ঘুমোলে ঘুম কি ছুটি দেবে বাবা! সুমির কথায় সুমিত-এক থাপ্পড় দেবো কিন্তু,,ওহ!দিদি অাপনি কি সিসিটিভি লাগিয়ে রেখেছেন অামার ঘরে যে কখন ঘুমোয় তাও বলে দিচ্ছে,,, সুমি-হা লাগিয়েছি তোমার ঘরে! (হাসতে হাসতে) নিখিলেশ-ওই তোরা অসব কথা রাখ। বলছিলাম তোকে সুমিত,,অাজ একটু দোকানে সময় দিতে পারবি? সুমিত-হা পারব,, তবে বিকেল বেলায়। নিখিলেশ-সকালবেলায় তোকে বড্ড দরকার ছিল। অাসলে পাটের দাম ওঠায় অাজ পাট বিক্রয় করতে চলেছি মহাজনের কাছে,,অার তা সকাল বেলায়,,, তাই দোকানে... সুমিত-ঠিক অাছে বাবা,,সকালেই দোকানে থাকব,,,অাপনার বিশেষ প্রয়োজনে না লাগতে পারলে কিসের ছেলে অামি! একথায়...সুমি হাসি ধরে রাখতে পারলো না,বক্রোক্তি হাসিতে সুমিতের কান ঝালাপালা হতে লাগল। অাসলে সুমিত জানে তাকেই টার্হেট করেই হাসি,,, অার তখন এক থাপ্পড় তুলতে যায় সুমির গালে,,তবে সাথে সাথেই হাতটি ধরে নেয় অর্পনা। অার অর্পনা-তোমার এত সাহস বড় বোনের গায়ে হাত তুলো,,,একটুও কি হাত কাপে না! এই না হলে ছোট ভাই। ওহ! বাবা কিছু বলছেন না কেনো,,সবসময় ভাইটিকে প্রশয় দেবে! নিখিলেশ অর্পনার কঘার জবাবে...সুমিত খমা চেয়ে নো তোর সুমি দি হতে! অার যেনো দ্বিতীয়বার এমনটি না হয়! সুমিত তখন জ্বল জ্বল চোখে,,,সুমি দি অামায় খমা কর,,,অনেকবার বলা সত্বেও যখন করল না তখন পা দুটি ধরে খমা চাইলে সুমির মনটা বরফের মত গলে গেল ও ভাইটির প্রতি ভালবাসায় মনটি সিক্ত হল। অার ভাইটিকে বুকে জড়িয়ে নিল বাবা-মা-অার দিদির সামনে।তখন সুমিতের বুকে নরম তুলতুলে স্পন্জে নতুন ভাললাগার ছোয়াতে মনটা ভরে গেল। ও এই প্রথম এরকম তুলতুলে কিছুর অনুভব পেল। অার তখন মিনতি-অনেক নাটক হয়েছে,এবার ছাড়। এরকম ভাবে তোদের ভাই বোনের মিলন-ভালবাসা মধুর হোক অামি তাই চায়।তিনজনে মিলে মিচে ভালবাসার পরশে থাকবি-এটচেয়ে ভাল কিছু কি হয়! নিখিলেশ মিনতির কথার ফাকে-অামি তবে দোকানে যায়,ঘন্টাখানেক পর সুমিত দোকানে অাসিস কেমন। সুমিত-ও্কে বাবা।তাই হবে। এই বলে নিখিলেশ দোকানে প্রস্হান করল। অার সবাই ব্রেকফাস্ট সেরে নিজ নিজ ঘরে গেল।মিনতি রান্না বান্নায় মশগুল। সুমিত নিজ রুমে গিয়ে দীপের সাথে হোয়াটস অাপে ভিডিও কল করতে বসল। ভিডিও কলে বিকেল বেলায় দেখা করছি জানাতে ভুলল না। দীপ কতগুলি সাউথ হিরোইনের ছবি প্রেরন করল।সুমিত সেগুলি খুব মনযোগ দিয়ে দেখল। অার ও দিকে ছুটির রবিবারে সুমি অর্পনার ঘরে গিয়ে দুই বোন মিলে অাড্ডা দিতে থাকল। এ ভাবে রবিবারের ছুটির সকাল শুরু হল। ***গল্প সম্পর্কিত সমালোচনামালক কমেন্ট পাব-এমন অাশায় রাখি বন্ধুদের কাছ থেকে।কি পেতে চলপছি তো কমেন্ট***
Parent