রাতের রজনীগন্ধা - অধ্যায় ১০
Next Part....
আসিফ ও রানু বাড়ির গেটে কলিং বেল টিপলে...
সেলিনা: এই অবেলায় আবার কে এলো মনে মনে বলতে বলতে...কে এসেছে!
রানু : তোমার দুই নয়ন মনি।
সেলিনা : তাই ...তোরা এসে গেলি ! এই বলে দরজা খুলে ওদের নিয়ে বাড়ির ভিতরে প্রবেশ করল।
বাড়ির ভিতরে প্রবেশ করলে....
সেলিনা: এই আসিফ তোর রেজাল্ট কেমন হলো রে! নিশ্চয় ভাল তাই না!
রানু: শুধু কি ভালো ! কলেজের টপ ।
সেলিনা: বেশ ভালো ।ছেলের রেজাল্টের মিষ্টি দিবি না খেতে রানু! দে না রে!
রানু: তোমার তো সুগার।তবুও মিষ্টি খাবে।
সেলিনা: খাব না মানে ,এই দেখ খাচ্ছি।এই বলে গোটা দশেক মিষ্টি টপাটপ খেতে খেতে আনন্দে আত্মহারা য় স্নিগ্ধ হলো ।মনে এলো এক পশলা প্রশান্তির বৃষ্টি।
এরপর আসিফকে বুকে জড়িয়ে মমতাময়ী মায়ের স্পর্শে আদর করতে থাকল।
সেদিন রাতের ডিনার সেরে আসিফ ওর মায়ের ঘরে প্রবেশ করল।
আর আসিফ: মা কি করছো তুমি।একটু এসো না কথা বলি।
সেলিনা ওর পাশে বসে ...বল কি বলবি।
আসিফ: তুমি রেজাল্ট ভালো হলে আমি যা চাই তুমি তাই দিবে।আর টা বলেছ মাথায় হাত দিয়ে।
সেলিনা: বল তো কি চাস?
আসিফ: টিকলিং গেম খেলবো তোমার সাথে সারারাত জুড়ে।কি খেলবে তো!
সেলিনা: তিকলিং গেম বাদ দে।অন্য কিছু বল।তোর কথা ঠিক রাখব।
আসিফ:না টিক্লিং গেম খেলব
সেলিনা: না খেলবো না।
আসিফ: তুমি কথা দিয়ে রাখবে না তাই তো!
সেলিনা: জর করিস না প্লিজ
এরকম ভাবে বুঝিয়ে সেলিনাকে রাজি করাতে না পারলে আসিফ রাগ করে রুম থেকে প্রস্থান করল
এরপর উদাস মনে আসিফের cheye গেল।
পরের দিন সকালে চা বিস্কুট খখেয়ে সারা সকাল দুপুর এমনকি বিকেলবেলা শেষ করে দিল।কিন্তু ভাত খেলনা।
ভাইয়ার এই কান্ড কারখানা দেখে ভাইয়াকে বুঝিয়ে চা বিস্কুট চ্ছারা কিছু খাইতে পারে নি ।
আর না পেরে...
মার ঘোরে গেল।আর ভাইয়ার সারাদিন কিছু না খাওয়াকে বাক্ত করল। আর এর কি কারন হতে পারে এমন অনুসন্ধানে...
সেলিনা : তিক্লিং গেম খেলে নি।তাই রাগ করেছে।
রানু: খেলার জিনিস খেলবে।তাই না পিছু পিছু ভাইকে কস্ট দিলে।
সেলিনা: টিকলিঙ গেম না পসন্ড তাই।
রানু: প্লি জ মা গেম টা খেলো।প্লিজ।
ভাই সারাদিন কিছুই খাই নি তাই প্লিজ গেম টা খেলবে ।আর টা আজকেই। কেমন।
সেলিনা জর ফ্যাসাদে পরে শেষ পর্যন্ত খেলবে বলে মনস্থির করল।