রাতের রজনীগন্ধা - অধ্যায় ১১
Next Part...09.08.2020
সেইদিন রাত দশটায় আসিফের ঘরে প্রবেশ করেই...
সেলিনা: এই আমার খোকা মায়ের উপর অভিমান করে কিছুই খেলি না রে! এই রাতে একটু আহার কর না ! আমার লক্ষী সোনা।
আসিফ (রাগান্বিত হয়ে): আমি না খেলা তোমার বোয়ে গেল।আর তাই তো তীকলিং গেম খেলতে রাজি হলে না। আর এরকম নাকমু...পারো বটে মা।
সেলিনা(একটু হেসে): তোর মুখে ওই তিকলিঙ গেম ..আর পারি না বাপু। তুই আমার সাথে এই গেম খেলার জন্য বুঝি এরকম রেজাল্ট ,,পড়াশোনা করে।
আসিফ: ঠিক তাই।আমার টিল্লিং গেম খেলার বাসনায় এরকম পড়াশোনা করে রেজাল্ট করেছি।আর এই পরিশ্রমের মজুরি এই tilling গেম।
সেলিনা: তোর যখন এতই সখ।তখন নিশ্চই খেলব।এখন একটু আহার কর।
আসিফ: না আগে tikling গেম khelb তারপর।
সেলিনা: তোর মাথায় হাত রেখে কথা দিলাম।খেলব।তবে পড়াশোনার যে সকল গেল তোর মনে তার ক্লান্তি কাটানোর জন্যে তোর চয়েস মত দীঘা থেকে তোর বোনের সাথে ঘুরে অাই।
আসিফ: ঠিক আছে।আগে দীঘা থেকে ঘুরে এসিই তোমার সাতে tikling গেম খেলবো।
সেলিনা: এবার তবে খেতে নে কেমন।রাতে আপোষ থাকতে নেই সোনা।
আসিফ: মা তুমি নিজের হাতে খেতে দাও।তোমার হাতে সেই ছোটকালে ক্ষেয়েছি।এখনো মুখে লেগে আছে সেই হাতের টেস্ট।
সেলিনা: তাই।তো হা কর সোনা।এই খেতে দিচ্ছি।
সেদিন রাতে এইভাবে আসিফকে ডিনার করিয়েছে।
পরের দিন সকালে...
আসিফ ব্রেকফাস্ট সেরে সকাল সকাল রনির বাড়িতে গেল।
আর ওদিকে মা meye মিলে আলাপন চালানোর ফাঁকে...
সেলিনা: এই রানু আসিফ দীঘায় যেতে রাজি।এবার শুধু তোর রেজাল্টের প্রতীক্ষায়।
রানু( মিষ্টি হেসে):তাই নাকি মা! ভীষন মজা হবে দীঘায়।সমুদ্রে স্নান ,সকালের সূর্য উঠা দর্শন ,,আর অমরাবতী পার্কে ঘোরাঘুরি,,এমন কতকি আনন্দে ছোয়ায় মনের জানালা হবে রঙিন।
সেলিনা: খুব আনন্দ।তোর রেজাল্ট হলে দেখা যাবে তোর আনন্দ!
রানু: আমিও রেজাল্ট খুব ভালো না হলেও ভালো ভাবেই পাশ করব দেখে নিবে ।
সেলিনা: দেখা যাবে।
রানু: ওকে।আমার সুইট মম।
দশ দিন পর...
রানুর রেজাল্ট বের হলো।আর রেজাল্ট হতে নিয়ে রানু হাসতে হাসতে বাড়িতে প্রবেশ করলে...
সেলিনা:অত হাসি কিসের।
রানু: হাসছিল কি সাদে।আমার রেজাল্ট তাও বেশ ভালো hoyeche মা।
সেলিনা: তাই।
এরপর সেলিনা মার্কশিট দেখে আসিফকে ডাক দিয়ে বলল তোর বনো রেজাল্ট বেশ ভালো করেছে।
রানু তখন ওর মা ভাই কে নিজ হাতে মিষ্টি খাওয়াতে লাগল।
এই ভাবে পরিবারটি যেনো বসন্তময়।
এরপর সে রাতে খেতে খেতে সেলিনা দীঘার ডেট ঠিক করে দিল
আগামী পরশু দিন দীঘা যাবার ডেট ঠিক হল।