রূপান্তর ❤️ - অধ্যায় ৩৮
শাড়ী ঠিক করার সময় পাশ থেকে গোলাপী আভা দেওয়া স্তনের অর্ধেকটাই দেখে নিল রাশু, আচলের আড়ালে বড় স্তনের দুলুনি, এগুলো ওর গা সওয়া, কিন্তু কেন জানি বার বার অনুমাসির শরীরের সাথে মিলিয়ে ফেলছে রাশু।
- ধুর অহন মুখ সেভ করলে বন্ধুরা খেপাইব।
- খালি বন্ধুগো লইয়া ভাবস, বড়মার কথা আর ভাবনের সময় নাই।
- বড় মা চাল হইয়া গেছে, বুইঝা লইবেন।
পাকুনির মা দরজায় দাড়ালে, খালি গতর ঢেকে নিয়ে পাকুনির মার সাথে ঢেকিঘরে দিকে গেল মমতাজ।
রাশু এইফাকে খাবার শেষ করে ভাবল এখন ছুটতে পারলেই হয়। খাবার খেয়ে প্লেট বারান্দার উপর রেখে যেই বাইরের দিকে পা বাড়াবে, তখনই বড়মার গলা শোনা গেল।
- এই যে নবাবজাদা, আবার কই বাইর হইতাছেন, আমি গোসল করমু, একটু পরে, আমার পিঠ ডইলা দিব কেডা?