শেষ বেঞ্চের ছাত্র - অধ্যায় ১২
শেষ বেঞ্চের ছাত্র।।
Next Part...12.01.21
আমি ওকে বলার সাথে সাথেই কলিং বেলের আওয়াজ ....আর তা শুনে মাসী দরজা খুলে দেখে মেসোমশাই(প্রবীর) চলে এসেছে।ঘড়ির কাঁটায় তখন ঠিক আট টা ত্রিশ।
সারা রাতের ক্লান্ত চোখে ....
প্রবীর: কেমন আছিস! বড্ড শুকিয়ে গেছিস।
রাজু: ভালোই আছি।কই না তো!
প্রবীর: হয়তো অনেক দিন পর দেখছি।তাই...ওকে।আজ কিন্তু থাকতে হবে।
রাজু: না মেসোমশাই।আজ আসি।
প্রবীর: না থাক।আজ ।
রাজু; না আজ আর না।
তখন বিনামাশি..না বললে তো হবে না।তোকে থাকতেই হবে।আজ বিকেলে মেলায় যাব তোর সাথে।তোর মেসোর ত দোকান নিয়ে টাইম হবে না।
প্রবীর:আমাদের দুজনার কথা রাখ।আজ তবে থেকে যা।
বিনা: হা,আজ থাক।কাল ভোরে চা খেয়ে চলে যাবে..(হাসির চ্ছয়ায়)
রাজু তখন মেসো ও মাসীর আন্তরিক অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করতে না পেরে ...ঠিক আছে।আজ থেকেই যাচ্ছি।
রাজুর কথাটি শুনে ক্লান্ত চোখে,,,গুমের দেশে যাবার জন্যে আসি বলে রমে প্রস্থান করল।আর যাবার সময় বলে গেল বিরিয়ানি করতে।নিজে এক জায়গায় ফোন করে এক কিলো খাসি ছাগলের মাংস প্রেরণ করতে বলল।আর বিনার কাছে থেকে জানতে চাইল বিরিয়ানির সব কিছু উপাদান আছে কি না! বিনা হা সূচক বার্তায় আছে বলল।
এরপর বীণা: টিভি দেখ।ভারত অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট খেলা হচ্ছে।কেমন।
রাজু: আচ্ছা,মাসী।
রাজু ভারত অস্ট্রেলিয়ার খেলা দেখতে লাগল।ওদিকে বিনা রান্নার কাজে লেগে গেল।
দু ঘন্টা পরে...ঘড়ির কাঁটা এগারোটা পাঁচ।রান্না কমপ্লিট করে রাজু আর মেসোকে খাবার জন্যে ডাক দিল।তখন রাজু বলল আমি স্নান করে নি।মেসো আগেই স্নান করে নিয়েছে।
রাজু: মাসী স্নান করে এসো।একসাথেই লাঞ্চ করব।
বিনা: না,রে।তোরা খেয়ে নে।আমি পরে স্নান করে খেয়ে নিব।
রাজু: না টা হবে না,স্নান করে এসো বলছি।না হলে আমি খাব না কিন্তু।
প্রবীর: যাও না স্নান করে এসো।
বিনা: ঠিক আছে ।যাচ্ছি।
এই বলে বিনা মাসী স্নান করতে গেল।
স্নান করে এক সাথে বসে লাঞ্চ সারার ফাঁকে নানান গল্প চলতে থাকল।খাবার শেষে...
প্রবীর: রাজু ।আমি দোকানে যায়।বিকেল বেলায় তোর মাসীকে নিয়ে তুই মেলায় জাস।ওকে।
রাজু: ওকে।
বিনা: রাতে তাড়াতাড়ি বাড়ি ফেরে আসবে।
প্রবীর: আজ তো একা নও তুমি।রাজু তো আছে।
রাজু: না মেসোমশাই।তাড়াতাড়ি আসবে।
প্রবীর:ওকে বেটা।চেষ্টা করব।
প্রবীর এর প্রস্থান।
***Continues....