শেষ বেঞ্চের ছাত্র - অধ্যায় ১৭
শেষ বেঞ্চের ছাত্র...01.06.2023
Next Part...
বাড়ি ফিরে এলে ...
মা: কিরে এই 2 দিনেই চলে এলি! মাসীর কাছে আর কটা দিন থাকলি না! থাকতেও তো পারতিস!
রাজু: না গো মা! তোমাদের কথা খুব মনে পড়ছিল...তাই তো চলে এলাম।আর তুমি তো জানোই মা তোমাকে না দেখলে আমার ভালই লাগে না...
টিনা: তাই !( একটু হাসি ,তবে দুষ্টুমি ছোঁয়ায়)
রাজু: হ্যাঁ গো মা..সত্যি তাই!
এমন সময় বাবা অফিস যাবার সময় বের হয়ে..
সুনীল: কি কথা হচ্ছে মা ছেলের! দুদিন ছেলেকে না দেখেই 2 কেজি ওজন কমে ফেলেছো।আর প্রেসার টা বেড়ে গেছে..আর সুগার তো হায়!(এই কথার মাঝেই বাবা মায়ের প্রতি চোখ মারলে)
টিনা: আমার তো ওই একটি ছেলে!তাই তো ও একদিন না থাকলেই মন ভালো লাগে না! আমার ছেলেই তো মন ভালো লাগার মেডিসিন।
সুনীল: বাহবা এট টান! ওকে আমি ব্যাংক যাব ,দুটি খেতে তো দাও।
এরপর মা খাবার পরিবেশন করে বাবাকে খেতে দিল।আর বাবা খেয়ে ব্যাংকে রওনা দিল।
এর দুদিন পর...
সকালবেলায় মা চা দিতে এসে...
টিনা: আজ তোর বাবার কলিগের মেয়ের বিয়ে ! সম্রাট অনুষ্ঠান বাড়িতে হবে।রাত 10 টাই।আর তাই আমাদের সবার আমন্ত্রণ।কিন্তু ,টোর বাবা আজ কলকাতায় গেছে বিশেষ কাজে।তাই রেডি থাকিস ।8 তার দিকে বেরিয়ে পড়ব।
রাজু:না, ও সব অনুষ্ঠান ভালো লাগে না আমার।আমি যাবো না।যেতে পারব না।
টিনা: না গেলে হয় !টোর বাবার কলিগ এর মেয়ের বিয়ে বলে কথা।আর সেই অনুষ্ঠানে!
রাজু: না যেতে পারব না।
টিনা: মায়ের কথা রাখবি না(বলেই চোখের পানি টলমল করতে থাকলে,,আর সেই ফাঁকে দুষ্টুমিতে ক্লিভেজ একটু উন্মুক্ত করলে)
রাজু মায়ের ক্লিভেজ আর চোখের পানির প্রতি মনটা গলে ফেলে) ওকে মা যাব।এইবার একটু হাসো।
টিনা: ( হাসি মুখে) এই হাসলাম।( হাসতে হাসতে আলমারি খুলে) বলে দে কোন শাড়িটা পড়ব! আর ম্যাচিং ব্লাউজ টা চয়েজ কর।