চাকরী নিয়োগ পেয়ে - অধ্যায় ৪
জেনি: একটূ শুয়ে থাকো। ম্যামের মেয়ে। দেখো কখন কথা শেষ হয়।
আমি: কিন্তু ম্যাম
জেনি(হেসে): দাঁড়াও। আসতে দাও।
কি অবস্থা ল্যাংটো হয়ে বুকে ইসিজি লিড লাগিয়ে শুয়ে থাকতে হচ্ছে।
যা হোক প্রায় মিনিট কুড়ি পর ড: এলেন।
এসে ইসিজি করলেন।
তারপর এক এক করে সব ধরনের টেস্ট হতে থাকল। সব কটা টেস্ট ই ল্যাংটো অবস্থায করালেন পামেলা হিরানী।
সব টেস্ট যখন শেষ হল চেম্বারের ঘড়িতে তখন ৬টা ১০।
পামেলা: ঠিক আছে অনিত। অল ওকে। নো প্রব্লেম।
তারপর তাকালেন জেনির দিকে।
পামেলা: জেনি
জেনি: হ্যাঁ ম্যাম।
পামেলা: ওকে নিয়ে যাও। ওর ড্রেস কোথায়?
জেনি: সনিয়া জানে ম্যাম।
পামেলা: ওকে অনিত জেনির সাথে যাও।
জেনি চেম্বারের দরজা দিয়ে বেড়িয়ে ডাকল।
আমি বেরিয়েই যে কি আতান্তরে পরলাম সে কথা বলে বোঝাতে পারবনা।
যে ঘরে আমরা ড্রেস ছেড়ে গিয়েছিলাম সেউ ঘরে অন্তত ১০ কি ১২ জন মহিলা পেশেন্ট বসে আছে। ৪-৫ জনের সাথে বাচ্ছাও আছে।
প্রথমটা মহিলারা অবাক হলেও চাপা হাসি শুনতে পেলাম। বুঝলাম কারন। আমার তো লজ্জায় মাটিতে মিশে যেতে ইচ্ছা করছে।
জেনি(হেসে):সনিয়া, ওর ড্রেস গুলো কই?
সনিয়া(হেসে): বাগানের ঘরে ওর কলিগ আছে ওর কাছে।
জেনি: ওকে অনিত। বেড়িয়ে সোজা চলে যাও।
মাথা নিচু করে সেই ঘর থেকে বেরিযে এলাম। কি লজ্জা। অতো মহিলার সামনে একেবারে ল্যাংটো হয়ে। ঘর থেকে বেড়িয়ে আসতেই সবাই হেসে উঠল।
উল্টো দিকের ঘরেই সিমরন বসে আছে। পাশেই আমার ড্রেস।
সিমরন আমার অবস্থা বুঝে তাড়াতাড়ি আমার ড্রেস দিল আমাকে। আমি পরে নিতেই দুজনে রাস্তায় বেড়িয়ে দেখলাম গাড়ী দাঁড়িয়ে আছে।