onno rokom vai bon - অধ্যায় ১১

🔗 Original Chapter Link: https://xforum.live/threads/onno-rokom-vai-bon.90975/post-5334126

🕰️ Posted on Thu Sep 29 2022 by ✍️ soukoli (Profile)

🏷️ Tags:
📖 2161 words / 10 min read

Parent
মায়াকে সে দিদি বলেই ডাকে। ছোট কালে মায়ের চুমুটা উপহার পেতো বলে, মনে হতো বয়সে বড়রা মা কিংবা দিদি সবাই এমন চুমু দিয়ে থাকে আদরটুকু প্রকাশ করার জন্যেই। অথচ, সেদিন মায়া দিদি যখন তার ঠোটে চুমু দিতে চাইলো, তখন মায়া দিদির জিভটাও তার জিভে ঠেকে গিয়েছিলো আলতো করে। মায়া দিদির সেই ভেজা জিভটা তার দেহে কেমন যেনো খানিকটা শিহরণ তুলে দিয়েছিলো। শুধু তাই নয়, মায়া দিদির জিভটা খুব স্বাদযুক্তই মনে হলো কেমন যেনো। ব্যাপারটা সে মনে মনেই রেখেছিলো। তবে, সেই সাথে তার দৃষ্টিভংগীরও পার্থক্য ঘটতে থাকলো। বয়সে ছোটই হউক আর বড়ই হউক, মায়া দিদির ঠোটের সাথে অন্য সব মেয়েদের ঠোটেরই একটা তুলনামূলক বিচার করতে থাকলো। পাশাপাশি, মায়ের ঠোট গুলোও কল্পনায় আনতে থাকলো। সুমনের কি হলো সে নিজেও বুঝতে পারলো না। মায়ের চেহারা, মায়ের ঠোট, মায়ের চুমুটা কল্পনায় আনতে গিয়ে,মায়ের চেহারাটা ক্রমে ক্রমে ছোট হয়ে, ছোট বোন তপার চেহারাটাই ভেসে উঠলো মনের পর্দায়। এই তো, বেশ কিছুদিন আগেও তপা একবার তার ঠোটে চুমু দিয়ে বলেছিলো, এটার মানে বুঝো? সুমন তখন সত্যিই মানে বুঝেনি। ভালোবাসা আদরের বহিঃপ্রকাশ ছাড়া অন্য কিছুই মনে হয়নি। অথচ, মায়া দিদির সামান্য জিভের স্পর্শে মনে হতে থাকলো, চুমু শুধু ভালোবাসা আদরের বহিঃপ্রকাশই নয়, দেহে শিহরণ তোলার মতো কোন ব্যাপার! ছোট বোন বলে, তপাকে তো প্রতিদিনই দেখে সুমন! রাতে একই বিছানাতেও ঘুমায়। এমন কি তপার নগ্ন দেহটাও তার পরিচিত। এগার বছর বয়সের তপার বক্ষ দুটো যেমনি তর তর করে জ্যামেতিক হারে বেড়ে উঠে ছোট দুটো আমড়ার আকৃতি ধারন করেছে, নিম্নাংগের লোমগুলোও বেশ দীর্ঘ হয়ে উঠছে দিন দিন। সেদিন ঘুমুতে যাবার আগে, সুমন খানিকটা তীক্ষ্মভাবেই তাঁকালো তপার দিকে। তপা ঠিক মায়ের মতোই চেহারা পেয়েছে। গোলগাল চেহারা, টানা টানা চোখ, নাকটাও সরু! তবে তার ঠোট দুটো অদ্ভুত চমৎকারই মনে হলো। গোলাপী সরু দুটো ঠোট, মায়া দিদির ঠোটগুলোর চাইতেও অসম্ভব সুন্দর! সে খুব তন্ময় হয়েই তাঁকিয়েছিলো তপার দিকে। সুমনের চাহনি দেখে তপাও অবাক হলো। সে অবাক হয়েই বললো, কি ব্যাপার? এমন করে কি দেখছো? সুমন খানিকটা লজ্জিত হয়েই বললো, না এমনি! তোমাকে খুব সুন্দর লাগছিলো তাই! তপা খিল খিল করেই হাসতে থাকলো। তপার হাসি দেখে সুমন নিজেই অবাক হলো। বললো, হাসছো কেনো? তপা বললো, হাসবো না? এত দিন ধারনা ছিলো, তুমি বড় হওনি! এখন মনে হচ্ছে, তুমি যথেষ্ট বড় হয়েছো! আমার তো মনে হয়, এখন থেকে তোমাকে দাদা বলেই ডাকা উচিৎ! সুমন অবাক গলাতেই বললো, মানে? তপা বললো, ছেলেদের চোখে কোন মেয়েকে তখনই সুন্দর মনে হয়, যখন সে বড় হয়! তোমার চোখে আমাকে সুন্দর লাগছে, তার মানে তুমি যথেষ্টই বড় হয়েছো! এবার শুনি, তোমার কাছে আর কাকে কাকে সুন্দর লাগে? সুমন সরল মনেই বললো, এখন পর্যন্ত আর কাউকে না। তবে, মায়া দিদিকেও খুব সুন্দর লাগে! তপা গম্ভীর হয়েই বললো, তোমার রুচির প্রশংসা করতে হয়! মায়া দিদি সত্যিই সুন্দরী! কিন্তু বড়দের দিকে নজর দেয়া কি ঠিক? রাতারাতি খুব বেশী বড় হয়ে যাচ্ছো না তো? তপার কথার কোন অর্থই বুঝলোনা সুমন। বললো,কেনো? মায়া দিদি তো আমাকে খুবই আদর করে! তপা বললো, এখন আদর করছে, পরে অন্য কিছুও করতে পারে! সাবধান দাদা, মায়া দিদির ধারে কাছেও যাবে না আর! তপার সাবধান বাণীর অর্থও বুঝলো না সুমন। বললো,কেনো? তোমার হিংসে হচ্ছে নাকি? তপা বললো, আলবৎ হচ্ছে! একজন ছেলের চোখে দুজন মেয়েকে সুন্দর লাগা ভয়ংকর ব্যাপার! তপার কথা সেদিনও কিছু বুঝলো না সুমন। আর কথা বাড়াতেও ইচ্ছে করলো না। তপা বললেই তো আর হলো না! মায়া দিদির চুমুটা তার সত্যিই ভালো লাগে। মায়া দিদির ধারে কাছে না গেলে কি এমন চুমু উপহার পাওয়া যাবে নাকি? সুমন মনে মনে, মায়া দিদির চুমুটাই আবার স্মরণ করতে থাকলো। আর জিভটা চাটতে থাকলো, মায়া দিদির মজাদার জিভটার স্বাদ নেবার আশাতেই। সুমনের ভাব সাব দেখে তপাও অবাক হলো। সে বলেই ফেললো, তুমি এমন করে জিভ চাটছো কেনো? কি বিশ্রী ব্যাপার! সুমনও রাগ করে বললো, তাতে কি হয়েছে? আমার জিভ আমি চাটছি, তোমার ক্ষতি কি? তপা বললো, ক্ষতি কি মানে? মেয়েদের সামনে এমন করে কেউ জিভ চাটে নাকি? সুমন মাথা নীচু করে বললো, স্যরি, জানতাম না। এই বলে সুমন শুয়ে পরলো। তপার মনটাও ছটফট করতে থাকলো। সে নিজে কতটা সুন্দরী তা বোধ হয় নিজেরও ধারনা নেই। তবে, অন্যের মুখে সুন্দর লাগছে কথাটা শুনলে, কারই না ভালো লাগে! প্রশংসা বুঝি এমনই জিনিষ! মনকে উদাস করে দেয়! সে খুব অসহায় গলাতেই ডাকলো সুমনকে, দাদা,তুমি কি সত্যিই ঘুমিয়ে পরছো? সুমন আবারও উঠে বসলো। তারপর অবাক গলাতেই বললো, ব্যাপার কি বলো তো? হঠাৎ আমাকে দাদা বলে ডাকছো? তপা লজ্জিত হয়েই বললো, বললাম না, তোমাকে আজকে দেখে বড় হয়েছো বলেই মনে হচ্ছে! বড়দেরকে কি নাম ধরে ডাকা যায় নাকি? ঠিক আছে,ঘুম পেলে ঘুমিয়ে পরো। আমি আর বিরক্ত করবো না। সুমন বললো, না, ঘুম মোটেও পাচ্ছে না। কারনও বুঝতে পারছিনা। তপা বললো, তাহলে গলপো করি। তুমি প্রতিদিন তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে পরো বলে, সত্যিই খারাপ লাগে! প্রতি রাতে ঘুমোনোর আগ পর্যন্ত কিভাবে আমার সময় কাটে,তা তোমাকে বুঝাতেই পারবো না। সুমন বললো, ঠিক আছে, আমার আপত্তি নেই। ভাবছি,আরেকটু পর বারান্দায় গিয়ে মায়া দিদিরা কি করে,সেটাও দেখবো মজা করে! তারপর, সুলেখা বাবার সাথে কি করে? খালেকের সাথে কি কি করে! তপা বললো, না, ওসব দেখতে আমার মোটেও ভালো লাগে না। সুমন বললো, তা ঠিক! আমারও ভালো লাগে না। কিন্তু,কেনো যেনো হঠাৎই দেখতে ইচ্ছে করছে নিজেই বুঝতে পারছিনা। তপা বললো, আমি বুঝি! কারন, তুমি বড় হতে চলেছো! মেয়েরা বড় হয় মেনস হলে, তা সুমন কিছুদিন আগেই জেনেছে তপার প্রথম মেনস হবার ঘটনাটা ঘটার পর। কিন্তু ছেলেরা বড় কিভাবে হয়, সেটা সে নিজেই বুঝতে পারছেনা। তাই সে অবাক হয়েই বললো, আমি বড় হতে চলেছি, তুমি কি করে বুঝলে? তপা বললো, মেয়েরা অনেক কিছুই বুঝে! ছেলেদের চোখ দেখলেই বুঝতে পারি, কে কি চায়? সুমন চোখ কপালে তুলেই বললো, বলো কি? তাহলে বলো তো, আমি কি চাইছি? আমার মন কি বলছে? তপা বললো, মন খারাপ করবে না তো? সুমন বললো, মিলে গেলে মন খারাপ করার তো প্রশ্নই আসে না। বরং খুশী হবো। ভাববো, পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ভাগ্যবান শুধু আমি, যার তোমার মতোই ছোট একটি বোন রয়েছে! যে আমার মনের কথাও বুঝতে পারে! তপা বললো, ঠিক আছে, যদি মিলে যায়, তাহলে আমাকে কি দেবে বলো? সুমন আমতা আমতা করেই বলতে থাকলো, কি দিবো?ঠিক আছে, তুমি যা চাইবে তাই! তপা সহজভাবেই বললো, যে কোন কারনেই হউক,আজ তুমি মায়া দিদির চমৎকার ঠোট গুলো দেখে স্বপ্নে বিভোর হয়ে আছো! এমন কঠিনতম একটা সত্য কথা যে, তপা অনুমান করে ফেলতে পারবে স্বপ্নেও ভাবেনি সুমন! সে লজ্জায় মাথা নীচু করে রাখলো। তপা সুমনের থুতনীটা টেনে ধরে বললো, কি হলো দাদা?মিলে গেলো মনে হচ্ছে? সুমনের মনে হঠাৎই ভয় ঢুকে গেলো। মায়া দিদির চুমুটা যদিও আদর স্নেহেরই একটা ব্যাপার বলে মনে হতো,সেটাও কেমন যেনো গোপন রাখার মতো ব্যাপার বলেই মনে হলো। সে আমতা আমতা করেই বলতে থাকলো,তুমি কি কিছু দেখেছো? তপা সহজভাবেই বললো, তুমি কখন কার ঠোটের দিকে হা করে তাঁকিয়ে থেকে জিভে পানি ফেলো, তা দেখার জন্যে তোমার পেছনে পেছনে ছুটবো নাকি?মিলেছে কিনা সেটা বলো! সুমন আবারও আমতা আমতা করে বলতে থাকলো, না মানে, মায়া দিদি? তপা সুমনকে থামিয়ে দিয়ে বললো, আমি আর কিছু শুনতে চাইনা, আমার কথা যদি মিলেই যায়, তাহলে আমার পাওনাটা দিয়ে দাও! সুমন অবাক হয়েই বললো, পাওনা? তপা বললো, হুম! তুমি নিজেই বলেছো, আমার অনুমান মিলে গেলে, আমি যা চাইবো, তাই আমাকে দেবে! এবার দেবে কিনা বলো! সুমন বললো, ঠিক আছে, বলো শুনি! আমার কাছে থাকলেই না দিতে পারবো! তপা বললো, মায়া দিদির চমৎকার ঠোট দেখে, মায়া দিদির ঠোটে যা দেবার স্বপ্নে জিভে পানি ফেলছিলে,সেটাই! এর বেশী কিছু না! দেবে? সুমন অবাক হয়েই বললো, চুমু? তপা বললো, হুম! দিয়ে ফেলো দাদা! দিয়ে ফেলো! বাকীর নাম ফাঁকি! সুমন বললো, আমার লজ্জা করছে। ঠিক আছে, তুমি চোখ বন্ধ করো! তপা চোখ বন্ধ করেই সুমনের দিকে, তার গোলাপী সরু ঠোট যুগল বাড়িয়ে ধরলো। সুমন হঠাৎই তপার ঠোটে আলতো একটা চুমু দিতেই, তার দেহটা কেমন যেনো শিউরে উঠে কেঁপে উঠলো। সে সাথে সাথেই তার ঠোটগুলো সরিয়ে নিলো! তপা আরো খানিকক্ষণ চোখ বন্ধ করেই অপেক্ষা করছিলো পূর্ণ একটা চুমুর জন্যে। অথচ, সুমনের ঠোটের কোন ছোয়া না পেয়ে বললো,আর কত দেরী? সুমন বললো, দিলাম তো? তপা চোখ খোলে বললো, কই, কিছুই তো টের পেলাম না। কখন, কি করেছিলে? হঠাৎ ঠোটে মাছি বসেছিলো বলে মনে হয়েছিলো! সুমন বললো, আমি এর চাইতে বেশী পারবো না। তপা বললো, ঠিক আছে! আমি কিন্তু এর প্রতিশোধ কড়ায় গন্ডায় হিসাব করে নেবো! সুমন বললো, মানে? তপা বললো, তুমি ঘুমিয়ে পরো! তারপর তোমার ঠোটগুলো কেটে কিভাবে টুকরো করি, দেখে নিও! সুমন ভয়ে ভয়ে বললো, না দিদি না, তুমিই আমার দিদি! ও কাজটি কক্ষনো করো না। ঠিক আছে দিচ্ছি দিচ্ছি! তপা মুচকি হেসে আবারও চোখ বন্ধ করে তার ঠোট গুলো বাড়িয়ে ধরলো সুমনের দিকে। সুমন আবারো তার ঠোট যুগল তপার ঠোট যুগলের উপর বসিয়ে রাখলো। সে কিছু বুঝার আগেই তপা তার জিভের ডগাটা বেড় করে, সুমনের ঠোটে ঠেকালো। সুমন বুঝতে পারলো না, মায়া দিদির জিভের চাইতেও তপার জিভের স্পর্শটা আরও অদ্ভুত লাগলো। তারও ইচ্ছে হলো, তপার জিভটাও নিজের জিভটা দিয়ে একবার স্বাদ নিয়ে দেখতে। সেও তার জিভটা বেড় করে তপার জিভে ঠেকালো। তপা তার মুখটা সরিয়ে খিল খিল করে হেসে উঠলো। সুমন অবাক হয়ে বললো, কি ব্যাপার? হাসছো কেনো? তপা বললো, এভাবে বেট ধরে চুমুতে মজা নেই! আজকে থাক! তপার কথা সুমন কিছুই বুঝতে পারলো না। সে বললো,ঘুমানোর পর আবার, আমার ঠোট কেটে দেবে না তো? তপা মায়াবী গলাতেই বললো, না দাদা, তোমাকে প্রেম শেখাতেই ইচ্ছে করছে! এখন ঘুমিয়ে পরো! অনেকেই বলে থাকে বারো তেরো বছরের ছেলেদের মতো বালাই আর বোধ হয় দুনিয়াতে নাই। আসলে বারো বছর বয়সটা এমনি যে, ছেলে মেয়েদের দেহের পরিবর্তনটা তখনই আসতে শুরু করে (অনেকের ক্ষেত্রে কম বেশী আগে পরেও হয়ে থাকে)। তার জন্যেই বোধ হয় রূপবান কাহিনীর মতো অনেক কাহিনী গড়ে উঠেছিলো। বারো বছরের রূপবানকে বিয়ে করে বারো বছরই বনবাসে কাটাতে হয়েছিলো, রহিমের দেহে যেনো পূর্নতা আসতে শুরু করে। মেয়েদের দেহে পূর্নতা আসতে শুরু করলে, তারা কথা বেশী বলে, অযথা ছুটাছুটি করে! তখন মেয়েদের সেসব কথাও যেমনি সবাই শুনতে পছন্দ করে, ঠিক তেমনি ছুটাছুটিটাও চঞ্চলা হরিনীর মতো সবার মন জয় করে নেয়। অথচ, ছেলেদের বেলায় উল্টু! এমন একটা সময়ে ছেলেদের কথা শুনে সবারই গা রি রি করে, কেমন যেনো অকাল পক্ক মনে হয়ে থাকে। তাদের কথা মনোযোগ দিয়ে শুনার মতো কেউ থাকে না। তাই বোধ হয় এমন বয়সের ছেলেদের বালাই বলা হয়ে থাকে। সুমনের ক্ষেত্রে সে সমস্যাটি ছিলো না। তার কথা মনোযোগ দিয়ে শুনার মতো তিন তিনটি মেয়ে ছিলো। তাদের মাঝে অন্যতম হলো, তারই পিঠে পিঠি এক বছরের ছোট বোন তপা। অপর দুজনের একজন, বাড়ীর ঝি সুলেখা, আর অপরজন বাড়ীর ড্রাইভারের বউ মায়া দিদি। এই তিনজনই তাকে প্রচন্ড রকমের ভালোবাসা উপহার দেবার জন্যেই যেনো প্রস্তুত ছিলো। তারপরও সুমনের মনটা প্রায়ই ছটফট করতো ভিন্ন একটি মেয়ের জন্যে। যা সে কখনোই কাউকে প্রকাশ করতে পারতো না। প্রকাশ করার ইচ্ছে থাকলেও এই তিনজনকে কখনোই জানানো উচিৎ হবেনা, এমন একটা মনের বাঁধাই সব সময় কাজ করতো। যে মেয়েটির জন্যে সুমনের মনটা ছটফট করতো, সে তার এক সহপাঠী শিশিরেরই বড় বোন। শিশিরদের বাড়ীতে কদাচিৎই যেতো সে। শিশিরই ডাকতো তাকে ব্যাডমিন্টন খেলার জন্যেই। তখনই শিশিরের দিদি লাবনীকে দেখতো সে। শিশিরের চাইতে বছর দুই বড় হবে বোধ হয়। আধুনিক একটি পরিবারে, লাবনী দিদিও আধুনিকা একটি মেয়ে। বাড়ীতে পোষাকও পরে আধুনিক ধরনের টপস স্কার্ট! লাবনী দিদির টপসের উপর ভেসে উঠা চমৎকার বক্ষ দুটিও সুমনের দৃষ্টি কেঁড়ে নেয়। তা ছাড়া লাবনী দিদির চেহারাটাও খুব সুন্দর! দাঁতগুলো দুধের মতোই সাদা। হাসলে এত চমৎকার লাগে যে, বারো বছরের সুমন তন্ময় হয়েই মাঝে মাঝে তাঁকিয়ে থাকে তার দিকে। মাঝে মাঝে শিশিরের সাথে ব্যাডমিন্টন খেলার কোর্টে লাবনী দিদিও নামে। তখন লাবনী দিদির পরিপূর্ন বক্ষের দোলাগুলোও তার মনটাকে দুলিয়ে দেয়। নিজের অজান্তেই কখন কেনো যেনো লাবনী দিদিকে ভালোবাসতে শুরু করেছে,নিজেই বুঝতে পারেনা সুমন! সেদিনও শিশিরদের বাড়ী যেতেই, দরজাটা খোলে দাঁড়ালো লাবনী দিদি। দরজাটা ধরে দাঁড়িয়েই, দেহটা খানিক কাৎ করে, তার সুন্দর মুখটা সুমনের মুখটার খুব কাছাকাছি এনে, সাদা ধবধবে দাঁতগুলো বেড় করে মিষ্টি একটা হাসি উপহার দিয়ে বললো, শিশির তো নেই। এত চমৎকার একটা মুখ তার মুখের খুব কাছাকাছি থাকায়, হঠাৎই কেনো যেনো সুমনের চুমু দেবার আগ্রহ জমে উঠলো। অথচ পারলো না। শিশির বাড়ীতে নেই বলে, সেদিন লাবনী দিদিকেও আর বেশীক্ষণ দেখা হলোনা। সে খুব মন খারাপ করেই নিজ বাড়ীর পথে রওনা হলো। চলার পথেই কেনো যেনো শিশিরের উপর হিংসে হতে থাকলো। শিশির প্রতিটা দিন এমন চমৎকার লাবনী দিদিকে কাছে থেকে দেখতে পায়, অথচ সে কদাচিৎই দেখতে পায়। সে যেমনি ঐদিন তপাকে চুমু দিয়েছিলো, তেমনি শিশিরও কি লাবনী দিদির ঐ চমৎকার ঠোটে চুমু খায়? খাবে না কেনো, এমন চমৎকার ঠোটে কারই না চুমু দিতে ইচ্ছে করবে! একই বাড়ীতে থাকে যখন নিশ্চয়ই দিয়ে থাকে। সুমন ভাবতে থাকলো, তারও যদি শিশিরের মতো একটি বড় বোন থাকতো! ভাবতে ভাবতে ছোট বোন তপার ঠোট যুগলও চোখের সামনে ভেসে উঠলো। সেই সাথে তার ভাবনাগুলোও বদলে গেলো। তপা তো ঐদিন বলেছিলো, প্রেম শেখাবে! প্রেম কিভাবে করে?শিশিরও কি তার বড় বোন লাবনী দিদির সাথে প্রেম করছে? সুমন অনেকটা ভাবনার সাগরে হারিয়ে গিয়েই বাড়ী ফিরলো সেদিন। বাড়ীর আঙ্গিনাতে ফিরেই সুমন দেখলো, মায়া দিদি উঠানে ভেজা কাপর শুকোতে দিচ্ছে! মায়া দিদিকে দেখে লাবনী দিদির কথা হঠাৎই যেনো ভুলে গেলো। কোথায় যেনো লাবনী দিদির সাথে মায়া দিদির একটা চমৎকার মিল আছে! বক্ষের দিকটা কিনা কে জানে?সুমনকে দেখেই মায়া দিদি বললো, কোথায় গিয়েছিলে সুমন? নাড়ু খাবে? সকালে নাড়ু বানিয়েছি! সুমন জানে, নাড়ু খাবার ফাঁকে মায়া দিদি তাকে জড়িয়ে ধরে আদর করবে। নাক গাল টিপে, গালে চুমু খাবে,ঠোটে চুমু খাবে! মায়া দিদির জিভের স্বাদটা অদ্ভুত! সুমন হাসলো। মায়া দিদি বললো, তুমি ঘরে গিয়ে বসো, আমি কাপরগুলো রোদে দিয়ে এক্ষুনি আসছি। সুমন মায়া দিদিদের ঘরে গিয়ে, খোলা দরজাটা দিয়েই মায়া দিদিকে দেখতে থাকলো। ব্যাডমিন্টন খেলার সময় সরু কোমরের উপর লাবনী দিদির বক্ষ গুলো যেমনি দোলে দোলে উঠে, উঁকি দিয়ে দিয়ে কাপর রোদে দেবার সময় মায়া দিদির সরু কোমরটার উপর বক্ষ দুটোও তেমনি দোলে দোলে উঠছে। সুমন বুঝতে পারলোনা,মেয়েদের বক্ষ কিংবা তার দোলন তাকে এত আকর্ষণ করে কেনো? মায়া দিদি ঘরে ফিরে, নাড়ুর বাটিটা হাতে করেই সুমনের গা ঘেষে বসে বললো, মুখটা তো শুকনো দেখছি! সকালে কি নাস্তা করেছিলে?
Parent