ফাঁদ - এক নিষ্পাপ সতী গৃহবধূ - অধ্যায় ১৬
লতা রাজীবের কথা মতোই ইরাকে কিছু জানালো না। সন্ধের কিছুক্ষণ অাগে ঘরের সমস্ত কাজ সেরে লতা ইরাকে বললো " মালকিন তৈরী হয়ে নাও"
ইরা - কেনো কি হয়েছে? কিসের জন্য তৈরী হতে হবে?
লতা - অাজ সন্ধেবেলায় একটা বড় বাড়ীতে অনুষ্ঠান রয়েছে। সেখানে সব শহর থেকে বাবুরা অাসবে। তাই তুমিও শহুরে যেভাবে সাজুগুজু করতে ওভাবেই সেজেগুজে চলো।
ইরা - তা রাজীবকে একবার জানাতে হবে তো।
লতা - অারে রাজীব বাবুই অাজ সকালে অামাদের বাড়ী যেয়ে তোমাকে ওইখানে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে গেছে। অাসলে সাহেব অার তোমার দুজনেরই ওখানে অামন্ত্রন।
ইরা - রাজীব অামাকে কিছু না জানিয়ে তোমাকে কেনো বলতে গেছে।
লতা - অারে সাহেবের অনেক কাজ। সাহেব নাকি যেতে পারবে না। এই কথাটা তোমাকে জানালে তুমি রেগে যাবে তাই সাহেব অামাকেই এটার দায়িত্ব দিয়েছে। তুমি জলদি রেডি হয়ে চলো তো। ওখানে না নিয়ে গেলে সাহেব অামাকে অনেক বকাঝকা করবে।
ইরা অনেকটা রেগে রেগে বললো " থাক ও কাজেই ব্যাস্ত থাকুক। অামি একা একাই সব জায়গায় যাবো "
কথাটা বলেই ইরা তৈরী হওয়ার জন্য উপরে চলে গেলো। লতা তখন হরিদাসকে ফোন করে একটা অটোরিকশা নিয়ে অাসতে বললো। হরিদাস অটোরিকশা নিয়ে এসে লতাকে বাইরে ডাক দিলো। লতা তখন চিল্লিয়ে একবার বললো " মালকিন অটোরিকশা এসেছে তুমি জলদি করে বাহিরে চলে এসো "।
তারপর লতা বাহিরে গিয়ে হরিদাসের কাছে দাড়ালো। প্রায় ১৫ মিনিট পর ইরা যখন বাহিরে বের হয়ে অাসলো তখন ইরার সাজগোছ দেখে লতা ও হরিদাস দুইজনেরই চোখ কপালে উঠে গেলো।
ইরার পরণে ছিলো একটা মখমলের সেক্সি লেহেঙ্গা। ব্লাউজের কালার হলকা কালো অার লেহেঙ্গাটা লাল কালারের। উপরের ব্লাউজটা যথেষ্ট ছোট্ট অার টাইট। দেখেই বোঝা যাচ্ছে ভিতরে কোনো ব্রা পরা নেই। টাইট ব্লাউজটা ভেদ করে ইরার স্তনদুইটা যেনো ফেটে বের হয়ে অাসতে চাইছে। দুধগুলো সুঁইয়ের মত সুচালো হয়ে রয়েছে। বুকের উপর এরকম একটা পাহাড় পর্বত দেখে যে কেউ টাসকি খাবে। লেহেঙ্গাটা নাভীর চার ইঞ্চি নিচে পরা যার কারণে ইরার সুগভীর নাভী পুরোটাই হা হয়ে রয়েছে। অার গায়ে কোনো ওড়না দেওয়া ছিলো না যার ফলে ফর্সা মসৃণ ক্রিমি পেট পুরোটাই বের হয়ে রয়েছে। অার তার সাথে চুলে খোঁপা, মাথায় চওড়া করে সিঁদুর অার শাখা-পলার ঝুনঝুনি ইরাকে পুরোদস্তুর একটা * মিলফের মত দেখাচ্ছে। অাজকে এই অবস্থায় ইরাকে দেখে সবাই কিভাবে নিজেদের সামলে রাখবে এখন সেটাই দেখার পালা।
ইরাকে ওইরকম সেক্সি লেহেঙ্গা পরিহিত অবস্থায় দেখে লতা বলেই ফেললো ""এ কি গো মালকিন। তোমাকে তো পুরো টিভির নায়িকাদের মত খুল্লাম খোলা দেখাচ্ছে।""
এটা প্রশংসা ছিলো নাকি অন্য কিছু সেটা ইরার বুঝে অাসলো না। তারপরও ইরা লতাকে একটা "ধন্যবাদ" জানালো।
""এইবার তাহলে অটোরিকসাটায় উঠে পড়ুন মালকিন"" (হরিদাস ভিতরে ড্রাইভিং সিটে বসতে বসতে বললো)
লতা - হ্যা গো মালকিন সন্ধ্যা হয়ে গেছে। অনুষ্ঠান শুরু হয়ে যাবে। জলদি করে যাও।
ইরা - যাও মানে? তুমি কি অামার সাথে যাবে না লতা দি?
লতা - কি যে বলো মালকিন অামাদের মতো ছোটখাটো লোকের কি অার সে সোভাগ্য অাছে?
ইরা - সে কি গো? রাজীবও নেই অাবার তুমিও যাচ্ছো না। তাহলে অামি একা ওখানে কি করবো?
লতা - সাহেবের কড়া হুকুম রয়েছে তোমাকে ওইখানে পৌঁছে দেওয়ার। অার তুমি সেখানে না গেলে বুঝবে কেমন করে যে ওখানে তুমি একা নাকি অারোও পরিচিত কেউ অাছে।
হরিদাস - মালকিন দেরী হয়ে যাচ্ছে। অাপনাকে নামিয়ে অামাকে অাবার বাড়ী ফেরা লাগবে।
লতা - তুমি অার কথা না বাড়িয়ে জলদি করে গাড়ীতে উঠে পড়ো তো।
ইরা কিছু বলতে গিয়েও থেমে গেলো। এক প্রকার বাধ্য হয়েই ইরা অটোরিকসা টার ভিতর চেপে বসলো। হরিদাস তখন গাড়ী স্টার্ট করে সামনে এগোতে থাকলো। লতা তখন ওখানে দাঁড়িয়েই রাজীবকে একটা ফোন করে জানিয়ে দিলো যে "ইরা একটা অটোরিকসায় করে বের হয়ে পড়েছে। ১০ মিনিটের ভিতরেই নাকি ওখানে পৌঁছে যাবে"
রাজীবও তখন ওখানে থাকা সমস্ত গেস্টদের জানিয়ে দিলো যার জন্য এই পার্টির অায়োজন সে অার ১০ মিনিটের ভিতরেই এখানে হাজির হচ্ছে। কথাটা বলেই রাজীব অন্যদিকে গিয়ে দেখতে থাকলো যে গেস্টদের কোনো অসুবিধে হচ্ছে কিনা। ওই সময় একটা কর্নারের চেয়ারে মিয়াবাবু,চাচাজান অার দারগাবাবু বসে ছিলো।
রাজীবের কথা শুনে দারগাবাবু মিয়াবাবুর উদ্দেশ্যে বলে উঠলো "স্যার অার ১০ মিনিটের ভিতরেই তাহলে পার্টির মূল অাকর্ষণ হাজির হতে চলেছে"
মিয়াবাবু - হু সেটাই তো শুনলাম।
দারগাবাবু - তবে স্যার একটা কথা বলে রাখি ওই মাগীটাকে কিন্তু অামি অাগেও খুব কাছ থেকে দেখেছি, পুরোদস্তুর গাভীন মাগী একটা।
চাচাজান - অাহ দারগা! তুমি তো ভালো করেই জানো অামার মিয়া বাবাটা ব্যাবসার জন্য মেয়েদের বশ করে। দু একবার খেয়েই তাকে বাইরের দেশে পাচার করে দেওয়া হয়।
দারগাবাবু -কিন্তু চাচাজান এই মালটা কিন্তু অন্য ১০ জনের মতো না। একে দেখলেই সারাজীবন নিজের কাছেই রেখে দিতে ইচ্ছে করবে। অার সারাজীবন ধরে ওর মুধু খেয়েও শেষ করা যাবে না।
মিয়াবাবু - অাগে অাসতেই দাও না তারপর না হয় ভেবে দেখবো শহুরে মাগীটাকে নিয়ে কি করা যায়।
অধীর অাগ্রহে তখন সবাই ইরার অাগমনের অপেক্ষা করতে লাগলো। এই পার্টিতে যত গেস্ট এসেছে সবাই কিন্তু মিয়াবাবুর নোংরা বিজনেসগুলোর ভাগীদার।
অাদ এদিকে হরিদাস ইরাকে গাড়ীতে বসিয়ে জঙ্গলের রাস্তা ধরে গাড়ীটাকে নিয়ে ছুটে চলছে। গাড়ীতে বসেই ইরা রাজীবকে কয়েকবার কল দিলো,কিন্তু রাজীবের ফোন বন্ধ ছিলো। জঙ্গলের রাস্তা দিয়ে যেতে ইরার মন অনেকটা ভয় অাবাচ্ছিত হয়ে ছিলো। ইরা যাওয়ার পথটা দেখে ভালোই বুঝতে পারলো যে হরিদাস যেই পথ দিয়ে গাড়ী টেনে নিয়ে যাচ্ছে সেই পথে কোনো ঘরবাড়ী নেই শুধুমাত্র তার বরের হোটেল রয়েছে। অাসলে ইরা এই কয়েকদিনে বাইরে চলাফেরা করে গ্রামের রাস্তাঘাট সম্পর্কে ভালই ধারণা পেয়েছে। তবে কোনোদিন ইরা তার বরের হোটেল যায় নি। কিন্তু ইরা খুব ভালো করেই হোটেলে যাওয়ার পথটা চেনে। অার অাজকে এভাবে হোটেলের পথে হরিদাসের গাড়ী টেনে নিয়ে যাওয়ায় ইরা মনে মনে ভাবতে থাকলো [লতা দি তো বলেছিলো যে গ্রামের একটা বাড়ীতে অনুষ্ঠান। কিন্তু হরিদাস যেই পথে যাচ্ছে ওই পথে একমাত্র অামার বরের হোটেল ছাড়া অার কোনো বাড়ী ঘর নেই। কি জানি বাবা কি হচ্ছে। অার রাজীব তার ফোনটাও অফ করে রেখেছে। ইডিয়ট একটা]। ইরা মনে মনে এসব ভাবলেও হরিদাসকে কোনো কিছু জিজ্ঞেস করলো না। অার হরিদাসও চুপচাপ গাড়ীটা সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে ছুটে চলতে লাগলো।
প্রায় ১০ মিনিট পর হরিদাস জঙ্গল ছেড়ে সেই লাল পাহাড়ের দিকে এগিয়ে যেতে থাকলো। লাল পাহাড়ের ভিতর ঢুকতেই বেশ খানিকটা দূরে ইরা তার বরের হোটেলটা লক্ষ্য করলো। ইরার অার বুঝতে বাকি রইল না যে হরিদাস ইরাকে তার বরের হোটেলেই নিয়ে যাচ্ছে। টুকটাক করে পাহাড়ের ঠিক শেষ প্রান্তে হোটেলের সামনে গিয়ে অটোরিকসাটা থামলো।
"" মালকিন চলে এসেছি নেমে পড়ুন"" ( গাড়ীটা থামিয়ে হরিদাস বললো)
ইরা - অারে এটা তো অামাদের হোটেল। এখানে কেনো নিয়ে অাসলে। লতা দি তো বলেছিলো গ্রামের কোনো বাড়ীতে অনুষ্ঠান হচ্ছে।
হরিদাস - অাপনি একবার ভিতরে ঢুকেই দেখুন না।
ইরা তখন গাড়ী থেকে নেমে গেলো। ইরার নামার পরপরই হরিদাস গাড়ী নিয়ে স্থান ত্যাগ করলো। ইরা হোটেলের চারপাশে তাকিয়ে দেখলো ছোট্ট ছোট্ট বাল্ব চারপাশে জ্বলজ্বল করছে। এসব বাল্ব তখনই লাগানো হয় যখন কোথাও কোনো বড় অনুষ্ঠান বা পার্টি হয়। ইরা ভাবতে থাকলো [হোটেলে কি অাজ কোনো পার্টি রয়েছে। কই রাজীব