ফাঁদ - এক নিষ্পাপ সতী গৃহবধূ - অধ্যায় ১৮
ইরা হাসতে হাসতে তখন রাজীবের দিকে ঘুরে বললো "" এই এসব কি হচ্ছে। কিছুই তো মাথায় ঢুকছে না। ""
রাজীব - অামার পক্ষ থেকে তোমার জন্য সামান্য একটা সারপ্রাইজড।
ইরা - হঠাৎ এমন সারপ্রাইজের কারণ?
রাজীব - মন থেকে সরি চাচ্ছি সোনা কারণ এখানে অাসার পর থেকে তোমার সাথে একটুও সময় কাটাতে পারি নি। তাই তোমাকে ইমপ্রেস করার জন্যই এই প্লান।
রাজীবের এরকম পাগলামো অার সাথে অনেক দামী নেকলেস পেয়ে ইরা কি অার রাগ করে থাকতে পারে।
তখন ইরা রাজীবকে জড়িয়ে ধরে এক গাল হাসি নিয়ে বললো "" I Am Impressed Darling ""
ইরার এই কথাটা বলার সাথে সাথেই অাবারও অনেকগুলো বাজী ফুটে উঠলো। ইরা এখানে ঢোকার পর থেকে পার্টিতে অাসা সমস্ত পুরুষের চোখ ইরার মাদক শরীরের দিকেই অদ্ভুত দৃষ্টিতে চেয়ে রইলো। অার সবথেকে অদ্ভুত দৃষ্টি ছিলো মিয়াবাবুর। মিয়াবাবু, চাচাজান অার দারগার সাথে একটা কোনায় দাঁড়িয়ে ছিলো। ইরার এখানে প্রবেশ করার সাথে সাথেই মিয়াবাবুর মনটা ইরাকে দেখে একদম অানচান অানচান করতে লাগলো।
রাজীব যখন ইরাকে সরি বলে গিফট দিচ্ছিল ঠিক তখনই মিয়াবাবু বলে ওঠে "" চাচাজান প্লান ক্যান্সিল""
চাচাজান - কিসের প্লান ক্যান্সিল বাবা?
মিয়াবাবু - রাজীব বাবুর বউকে বাইরের ক্লায়েন্টের কাছে পাচার করার প্লান।
দারগা - কেনো কেনো স্যার?
চাচাজান - হ্যা বাবা কেনো মেয়েটাকে কি তোমার পছন্দ হয় নি।
মিয়াবাবু - অারে এটা কি বলো চাচা। জিনিসটার দিকে ভালো করে একবার তাকিয়ে দেখো ওটা অাদৌ কোনো নারী নাকি জান্নাত থেকে অাসা হুর-পরী।
দারগা - দেখেছেন তো স্যার অামি কিন্তু অাগেই বলেছিলাম এই মাগীটাকে দেখলে অাপনার মাথায় কাজ করবে না।
মিয়াবাবু - তুমি ঠিকই বলেছিলে দারগা। অামার জীবনে অামি এরকম মহীয়সী নারী খুবই কম দেখেছি। রুপের কি অাগুন! মনে হচ্ছে ওই অাগুনে সবাইকে ঝলসে দিবে। অার পুরো শরীরটা একদম মাদকের অাতুড়ঘর। এই মাদকের নেশা অামি সবসময় উঠতে বসতে নিতে চাই গো চাচাজান।
চাচাজান - তা বাবা ব্যাবসার তো অনেক ক্ষতি হবে। বাইরে থেকে সমস্ত ক্লায়েন্টদের ডাকা হয়েছে। তাদের সামলাবো কি করে।
মিয়াবাবু - চাচাজান তোমার কাছে অামি কখনও কোনো কিছু অাবদার করি নি। এই প্রথম অামি তোমার কাছে একটা জিনিস অাবদার করছি। ওই মাদকে ভরা পরের বউটাকে অামার চাই।
চাচাজান - ইসস অাবার বাবাটা! তোমার এই অাবদার অামি অক্ষরে অক্ষরে পালন করবো।
দারগা - তাহলে কি চাচাজান মাগীটাকে জোর করে তুলে নিয়ে অাসবো।
চাচাজান - অারে ধূর দারগা কি সব বলছো। এতদিন পর মিয়া বাবাটার একজনকে এতো পছন্দ হয়েছে তাকে কি এভাবে অসন্মানের সাথে অানা যায়। যথেষ্ট সন্মানের সাথেই তাকে মিয়া বাবার কাছে অানবো।
মিয়াবাবু - তুমি যেভাবেই পারো ওই মাদকটাকে অামার কাছে নিয়ে অাসবে। সারাজীবন ওকে অামি অামার কাছেই রেখে দিবো।
চাচাজান - হু বুঝেছি ব্যাটা। তুমি একটু ধৈর্য ধরো কিভাবে কি করতে হবে অামি সেটার একটা মোক্ষম প্লান বের করছি।
মিয়াবাবু - যা করার তাড়াতাড়ি করো। অামি যে অার সহ্য করে থাকতে পারছি না।
চাচাজান - যা করার অামিই করবো। তবে তুমি কথা দাও কাজ সফল না হওয়ার অাগ পর্যন্ত তুমি বেশী বাড়াবাড়ি করবে না।
মিয়াবাবু - ঠিক অাছে চাচাজান তুমি যেটা ভাল মনে করো অামি সেভাবেই করবো।
চাচাজান - দারগা তুমি সমস্ত ক্লায়েন্টের কাছে গিয়ে অাস্তে ধীরে ভালো করে বুঝিয়ে বলে দিও এই মেয়েটার প্রতি মিয়ার দিল এসেছে তাই এই মেয়েটাকে অামরা গ্রামেই রেখে দিব।
দারগা - কাজ হয়ে যাবে চাচাজান। তবে মাগীটাকে একটু চাখার সুযোগ পাব তো?
মিয়াবাবু - সেসব নিয়ে চিন্তা করো না দারগা। অাগে প্লান টা সফল হোক তারপর সবাই মিলেই ভোগবিলাসীতা করবো।